‘একটি পতিত আত্মাকে অন্ধকার হইতে আলোকে আনিয়াছি, ভাবিয়া কমলাকান্তের বড়ই আনন্দ হইল’ – কেন?

‘একটি পতিত আত্মাকে অন্ধকার হইতে আলোকে আনিয়াছি, ভাবিয়া কমলাকান্তের বড়ই আনন্দ হইল’ – কেন? কমলাকান্ত নীতিকথার মাধ্যমে বিড়ালকে চুরি করা থেকে বিরত রাখতে পেরেছে ভেবে আনন্দিত হয়। ‘পতিত আত্মা’ বলতে এখানে নৈতিক অধঃপতনকে বোঝানো হয়েছে। দুধ চুরির দায়ে কমলাকান্ত বিড়ালকে মারতে উদ্যত হলে বিড়াল তার প্রতিবাদ করে। বিড়ালের মতে, পৃথিবীর খাদ্যদ্রব্যে সকলেরই অধিকার রয়েছে। তাই … Read more

‘সকল দুশ্চিন্তা পরিত্যাগ করিয়া ধর্মাচরণে মন দাও’ – কে, কেন বলেছিল?

‘সকল দুশ্চিন্তা পরিত্যাগ করিয়া ধর্মাচরণে মন দাও’ – কে, কেন বলেছিল? বিড়ালের যুক্তিগ্রাহ্য কথায় পর্যুদস্ত হয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য কমলাকান্ত প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছিল। কমলাকান্তের জন্য রাখা দুধটুকু বিড়াল খেয়ে ফেলায় সে তাকে মারতে উদ্যত হয়। তখন বিড়াল তার চোর হওয়ার কারণ হিসেবে কৃপণ ধনী ব্যক্তিদের ও সাধারণ মানুষের নির্দয়তাকে দায়ী করে। বিড়ালের মুখে এমন যুক্তিগ্রাহ্য … Read more

‘তোমার কথাগুলি ভারি সোশিয়ালিস্টিক’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

‘তোমার কথাগুলি ভারি সোশিয়ালিস্টিক’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ‘তোমার কথাগুলি ভারি সোশিয়ালিস্টিক’ বলতে বিড়ালের বক্তব্যে উঠে আসা সাম্যবাদী নীতিকে বোঝানো হয়েছে। ‘বিড়াল’ রচনার বিড়াল বিজ্ঞ এবং সুতার্কিক। তার ভাষ্যে পৃথিবীর সকল বঞ্চিত, নিষ্পেষিত ও দলিতের মর্মবেদনা ক্ষোভ-প্রতিবাদ যুক্তিগ্রাহ্যভাবে উঠে আসে, যেখানে সাম্য তথা সকলের সম-অধিকারের কথা উচ্চারিত হয়। তাই কমলাকান্ত বিড়ালকে বলে, ‘তোমার কথাগুলি ভারি … Read more

ঘোষ বর্ণ ও অঘোষ বর্ণ কাকে বলে?

ভাষাতত্ত্বের আলোচনায়, ঘোষ বর্ণ (Ghosh Borno) এবং অঘোষ বর্ণ (Aghosh Borno) হলো ব্যঞ্জনবর্ণের দুটি শ্রেণী যা উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী বা বাগযন্ত্রের কম্পনের উপর ভিত্তি করে গঠিত হয়। ঘোষ বর্ণ (Voiced Consonants): যেসব ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে বা অনুরণিত হয়, সেগুলোকে ঘোষ বর্ণ বলে। অর্থাৎ, এই বর্ণগুলো উচ্চারণ করার সময় গলার মধ্যে একটা কম্পন অনুভূত … Read more

পল্লিগানগুলোকে অমূল্য রত্নবিশেষ বলা হয়েছে কেন? বুঝিয়ে লেখো।

হাজার বছর ধরে পল্লি মানুষের জীবনালেখ্য পল্লিগানের মধ্যে উঠে আসায় পল্লিাগানগুলোকে অমূল্য রত্নবিশেষ বলা হয়েছে।গ্রামীণ বা পল্লিজীবনের সাথে সম্পর্কিত গানগুলো বহুকাল ধরে মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে আছে। গানগুলোর কথায় ও সুরে কত ছন্দ, কত আনন্দ, কত দুঃখ-বেদনা যে জড়িত তার শেষ নেই। পল্লিপ্রকৃতি, গ্রামীণজীবন এবং জীবনাভিজ্ঞতার এক বিশাল সমাহার এই গানগুলো। এর মধ্যে জারি, সারি, … Read more

লোকে ছড়া ভুলে যাচ্ছে কেন? ব্যাখ্যা করো।

আধুনিক শিক্ষার কর্মনাশা স্রোতে ছড়া বিস্মৃতির অতল গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বলে লোকে ছড়া ভুলে যাচ্ছে। একসময় পরিবারের গুরুজনরা শিশুদের পল্লিসাহিত্যের নানা লোককাহিনী, ছড়া, গান ইত্যাদি শোনাতেন। কিন্তু আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক সময়ে বিদেশি সাহিত্যের প্রতি মানুষের ঝোঁক বাড়ছে। পল্লিসাহিত্যের সেই উপকরণগুলো এখনকার শিশুদের শেখানোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে না। এজন্যই লোকে ছড়া ভুলে যাচ্ছে।

‘পল্লিসাহিত্যে পল্লিজননীর হিন্দু মুসলামান সকল সন্তানেরই সমান অধিকার।’ – বুঝিয়ে লেখো।

পল্লিসাহিত্যের সর্বজনীনতা বোঝাতে লেখক আলোচ্য উক্তিটি করেছেন।মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ‘পল্লিসাহিত্য’ প্রবন্ধে পল্লিসাহিত্য বলতে গ্রামবাংলার সাহিত্যকে বোঝানো হয়েছে। গ্রামবাংলায় যেমন হিন্দু-মুসলমান সবারই থাকার অধিকার আছে, তেমনি গ্রামবাংলার মানুষের সুখ-দুঃখের গাথা নিয়ে রচিত পল্লিসাহিত্যেও সবার অধিকার সমান। সবাইকে এ ধারার সাহিত্যকে সংরক্ষণ করতে হবে। শুধু শহুরে সাহিত্যে নয়, আবহমান গ্রামবাংলার ছড়া, গান, গাথায় রয়েছে সর্বজনীন মানুষের আবেগ, অনুভূতি … Read more

‘নচেৎ এ সকল কেবলি ভুয়া, কেবলি ফক্কিকার।’ – বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন?

লোকসাহিত্যের প্রতি বাঙালি যদি মনোযোগী না হয় তাহলে কোনো উদ্যোগই ফলপ্রসূ হবে না বোঝাতেই লেখক আলোচ্য উক্তিটি করেছেন। মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ তাঁর ‘পল্লিসাহিত্য’ প্রবন্ধে বাংলার এক বিশাল পল্লিসাহিত্যের পরিচয় তুলে ধরেছেন। যেসব মূল্যবান সাহিত্যের কিছু এখনো অবশিষ্ট থাকলেও সময় ও রুচির ক্রমবিবর্তনের ধারায় অনাদৃত হয়ে ধ্বংসের মুখোমুখি হয়েছে। লেখক মনে করেন, পল্লিসাহিত্য রক্ষার জন্য কিছু সভার … Read more

error: Content is protected !!