পোস্ট

সনেট কাকে বলে?

সনেট কাকে বলে? বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট রচনা করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। বাংলায় উল্লেখযোগ্য সনেট রচয়িতা –মাইকেল মধুসূদন দত্ত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জীবনানন্দ দাশ, প্রমথ চৌধুরী, মোহিতলাল মজুমদার, ফররুখ আহমদ, কামিনী রায়।  সনেট ১৪, ১৮,২২,২৬,৩০ মাত্রার হয়।  সনেটে দুই স্তবকে ১৪ টি চরণ থাকে। সাধারণত দুই স্তবকে যথাক্রমে ৮ টি ও ৬ টি চরণ থাকে। (চরণ বিন্যাসে ব্যতিক্রম থাকতে পারে) প্রথম ৮ টি চরণের স্তবককে অষ্টক ও ৬ টি চরণের স্তবককে ষষ্টক বলে। নির্দিষ্ট নিয়মে অন্ত্যমিল থাকে। সনেটের ভাষা মার্জিত এবং ভাব গভীর ও গম্ভীর হতে হয়। সনেট মূলত ৩ প্রকার:  পেত্রার্কীয় সনেট,  শেক্সপীয়রীয় সনেট,  ফরাসি সনেট। সনেট শব্দের অর্থ কি? সনেট (Sonnet) ইংরেজি শব্দটি ইতালীয় সনেটো (sonetto) থেকে এসেছে, যার অর্থ সামান্য শব্দ বা গান (Little sound or song)। সনেট কত প্রকার বা সনেটের প্রকারভেদ সনেট মূলত দু'প্রকারের হয়।  পেত্রার্কীয় সনেট ও  শেক্সপীয়রীয় সনেট তবে এডমাণ্ড স্পেনসার শেক্সপীয়রীয় সনেটে নতুনত্ব এনেছেন। তাঁর প্রবর্তিত সনেটের নাম স্পেনসারের সনেট। এছাড়াও ফ্রান্সে নতুন রীতির একটি সনেট গড়ে উঠেছে, সেটি হলো ফরাসী সনেট। সনেট

বিজ্ঞাপন কি? বিজ্ঞাপন কাকে বলে? বিজ্ঞাপনের প্রকাভেদ

বিজ্ঞাপন(Advertise) কাকে বলে?  যেকোনো পণ্য বা সেবাগুলিকে বিক্রি বা প্রচার করার প্রক্রিয়াকেই বিজ্ঞাপন বলে। উদ্যোক্তা কর্তৃক অর্থের বিনিময়ে, ধারণা, পণ্য ও সেবার নৈব্যক্তিক উপস্থাপনা ও প্রসারকে বিজ্ঞাপন বলে। বিজ্ঞাপন একটি বিপণন কৌশল যা যেকোনো পণ্য বা সেবা সম্ভাব্য গ্রাহকের নিকট প্রচার করার মাধ্যম। বিজ্ঞাপন একটি একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা। সাধারণত পণ্য ও সেবার প্রতি জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়। মিশরীয়রা প্রথম দেওয়ালে পোষ্টার লাগিয়ে বিজ্ঞাপনের যাত্রা শুরু করেন। ইংল্যান্ডের থমাস জেবারটাকে আধুনিক বিজ্ঞাপনের পিতা বলা হয়ে থাকে। বিজ্ঞাপন বা Advertise শব্দের উৎপত্তি ইংরেজি advertising শব্দটি ল্যাটিন advertre থেকে বিবর্তিত, যার অর্থ আবর্তিত করা বা ঘোরানো।  মতান্তরে প্রাচীন ফরাসি advertir ( অর্থ: দেখানো) থেকে মধ্যযুগীয় ইংরেজি advertisen (অর্থ : জানানো) হয়ে advertising শব্দের উদ্ভব হয়েছে। বিজ্ঞাপনের প্রকারভেদ বিজ্ঞাপনের প্রকার বা বিজ্ঞাপন প্রচারের অনেক মাধ্যম রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি হলো - Online Advertising (Digital Advertising) Cell Phone Advertising (Mobile Advertisin

পাঠ্যক্রম কাকে বলে?

পাঠ্যক্রম কাকে বলে? পাঠ্যক্রমটি একটি নির্দিষ্ট কোর্স বা প্রোগ্রামের মধ্যবর্তী সময়ে একটি শিক্ষাব্যবস্থার দ্বারা আচ্ছাদিত অধ্যায় এবং একাডেমিক সামগ্রীর গাইডলাইন হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। ইংরেজি কারিকুলাম শব্দটির বাংলা পরিভাষা হিসেবে শিক্ষাক্রম, পাঠ্যক্রম, পাঠক্রম ইত্যাদি শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে। শিক্ষাক্রমকে পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তু, কোর্স সীমারেখা, শিক্ষক নির্দেশিকা বা উৎপাদিত সামগ্রী হিসেবে দেখা হতো। শিক্ষাক্রমের এই প্রাচীন ধারণা ১৯৩০ সাল পর্যন্ত আমেরিকায় প্রচলিত ছিল। প্রাচীনকালে জ্ঞান আহরণ করাই ছিল শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। তাত্ত্বিক অর্থে, পাঠ্যক্রমটি স্কুল বা কলেজ কর্তৃক প্রদত্ত যা বোঝায় তাকে বোঝায়। যাইহোক, কার্যত এটির একটি বিস্তৃত সুযোগ রয়েছে যা জ্ঞান, মনোভাব, আচরণ, পদ্ধতি, কর্মক্ষমতা এবং দক্ষতাগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে যা একটি ছাত্রকে দেওয়া বা প্ররোচিত করা হয়। এটিতে শিক্ষার পদ্ধতি, পাঠ, অ্যাসাইনমেন্ট, শারীরিক ও মানসিক অনুশীলন, ক্রিয়াকলাপ, প্রকল্প, অধ্যয়নের উপাদান, টিউটোরিয়ালস, উপস্থাপনা, মূল্যায়ন, পরীক্ষার সিরিজ, শেখার উদ্দেশ্য এবং আরও রয়েছে। পাঠ্যক্রমটি সরকার বা শিক

মাতৃভাষা কাকে বলে?

মাতৃভাষা কাকে বলে? শিশু জন্মের পর তার মায়ের নিকট থেকে শুনে যে ভাষায় কথা বলে তাকে মাতৃভাষা বলে। মায়ের মুখনিঃসৃত ভাষাকেই মাতৃভাষা বলা হয়। মায়ের মুখর কথাই মাতৃভাষা বা মায়ের ভাষা। মানুষ যে ভাষায় কথা বলতে সবচেয়ে বেশি পারদর্শী, যে ভাষাটি সে তার পিতামাতা বা অভিভাবকের কাছ থেকে ছোটবেলায় শিখেছে ও ভাষাটি যে অঞ্চলে বহুল প্রচলিত, সে অঞ্চলের মানুষের মতই ভাষাটিতে কথা বলতে সক্ষম, তাকে সাধারণভাবে মাতৃভাষা বলা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ শে ফেব্রেুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদান করেন। ইভান ইলিচের মতে, ক্যাথলিক পূজারীগণ লাতিন ভিন্ন অন্য কোনো ভাষাকে বুঝাতে "মাতৃভাষা" শব্দের প্রথম ব্যবহার করেন। কেনিয়া, ভারত ও পূর্ব এশীয় কয়েকটি দেশে "মাতৃভাষা" বলতে কোনো জাতিগোষ্ঠীর ভাষাকে বুঝানো হয়ে থাকে। সিঙ্গাপুরে "মাতৃভাষা" বলতে কোন ভাষায় পারদর্শী তা নয়; বরং কোন জাতিগোষ্ঠীর ভাষাকে বুঝানো হয়।

গ্রাবরেখা কাকে বলে? গ্রাবরেখার প্রকারভেদ

ছবি
গ্রাবরেখা কাকে বলে? অধঃক্ষিপ্ত হিমবাহ কাকে বলে? গ্রাবরেখা বা অধঃক্ষিপ্ত হিমবাহ হলো হিমবাহের অবক্ষেপণ বা সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিক্ষয়। হিমবাহ অগ্রসর হওয়ার সময় এর সাথে যেসব পাথরখণ্ড, বালি, কাদা প্রভৃতি বাহিত হয়, হিমবাহ গলতে শুরু করলে সেগুলি হিমবাহের প্রবাহপথের আশে পাশে সঞ্চিত হতে থাকে। এই অসংবদ্ধ মিশ্র পদার্থের সঞ্চয়কে গ্রাবরেখা বা অধঃক্ষিপ্ত হিমবাহ বলে। গ্রাবরেখা গ্রাবরেখা এর প্রকারভেদ অবস্থান ও প্রকৃতি অনুযায়ী গ্রাবরেখাকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। সেগুলো হলো - পার্শ্ব গ্রাবরেখাঃ হিমবাহের দুইপাশে সরু দৈর্ঘ্য আকারে যে সরু গ্রাবরেখা সঞ্চিত হয়, তাকে পার্শ্ব গ্রাবরেখা বলে। ভূমি গ্রাবরেখাঃ হিমবাহের নিচের যে গ্রাবরেখা সঞ্চিত হয়, তাকে ভূমি গ্রাবরেখা বলে। প্রান্ত গ্রাবরেখাঃ হিমবাহ  যেখানে এসে মিলিত হয় অর্থাৎ হিমবাহের সামনে সঞ্চিত গ্রাবরেখাকে প্রান্ত গ্রাবরেখা বলে। মধ্য গ্রাবরেখাঃ দু'দিক থেকে এগিয়ে আসা দুটি হিমবাহ যেখানে মিলিত হয়, সেখানে উভয়ের গ্রাবরেখা দ্বারা সৃষ্ট গ্রাবরেখাকে মধ্য গ্রাবরেখা বলে। হিমাবদ্ধ গ্রাবরেখাঃ অনেক সময় নানা আকৃতির পাথরের টুকরো হিমবাহের মধ্যে আবদ্ধ হয়।

সূক্ষ্মকোণ কাকে বলে?

ছবি
সূক্ষ্মকোণ কাকে বলে? সূক্ষকোণ এর ইংরেজি হলো Acute Angle। এক সমকোণ অথবা ৯০ ডিগ্রি অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে।

শিখন নকশা কাকে বলে?

শিখন নকশা (Learning Design) কাকে বলে? শিখন নকশা এর ইংরেজি হলো Learning Design। শিখন নকশা যা ইন্সট্রাকশনাল সিস্টেম ডিজাইন বা আইএসডি নামে পরিচিত। সম্প্রতি শিখন নকশা বা লার্নিং ডিজাইনকে লার্নিং এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইন সংক্ষেপে এলএক্সডি নামেও অভিহিত করা হচ্ছে। লার্নিং ডিজাইন এমন এক ধরনের কাঠামো যা শেখার অভিজ্ঞতা অর্জন এ সাহায্য করে। ধারাবাহিকভাবে ও নির্ভরযোগ্যভাবে ডিজিটাল বা শারীরিক পরিকল্পিতভাবে নক্সা যা শিক্ষার্থীদের বিকাশ ও এক্সপেরিয়েন্স অর্জন করতে সাহায্য করবে এবং জ্ঞান অর্জনের অনুপ্রেরণার দিকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাবে। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত শিখন সামর্থ্য অর্জনের জন্য যে সব কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে তার বিবৃতি হলো শিখন নকশা। শিক্ষার্থীদের সুন্দর এবং সুষ্ঠভাবে শিক্ষা প্রদান করতে এই শিখন নকশা খুবই জনপ্রিয়। শিখন নকশার পর্যায় শিখন নকশার পর্যায় হলো ৫ টি। যথাঃ বিশ্লেষণ নকশা উন্নয়ন বাস্তবায়ন এবং  মূল্যায়ন।

সামাজিক পরিবর্তন কাকে বলে? সামাজিক পরিবর্তনের কারণসমূহ

সামাজিক পরিবর্তন কাকে বলে? সমাজ গতিশীল। পরিবর্তনশীলতা এর ধর্ম। আজ আমরা যে সামাজিক পরিমণ্ডলে বসবাস করছি তা পূর্বে ছিল না এবং বর্তমান কাঠামোও আগামী দিনে থাকবে না। সামাজিক পরিবর্তন বলতে বুঝায় সমাজের কাঠামোর পরিবর্তন। সমাজ কাঠামো বলতে বুঝায় সমাজের প্রধান প্রধান দল ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত রূপ।  মূলত দল ও প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তনই সামাজিক পরিবর্তন।  জিন্স বার্গ বলেন, “সামাজিক পরিবর্তন হলো সমাজ কাঠামো এবং তৎসম্পর্কিত কার্যাবলীর পরিবর্তন এবং যেসব আদর্শ বা মূল্যবোধ এবং সামাজিক বিধি সামাজিক কাঠামোকে সংহত করে রাখে এবং এর বিভিন্ন অংশের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে তার পরিবর্তন”। গার্থ ও মিল্স বলেন, “কালের গতিতে রীতিনীতি এবং সমাজ ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন ঘটে তাকে সামাজিক পরিবর্তন বলে”। কার্ল মার্কস বলেন, “সামাজিক পরিবর্তন হচ্ছে সমাজের মৌল কাঠামো বা অর্থনৈতিক উৎপাদন ব্যবস্থার পরিবর্তন যার উপর ভিত্তি করে সমগ্র উপরিকাঠামোর পরিবর্তন সংঘটিত হয়”। উইলিয়াম এফ অগবার্নের মতে, সামাজিক পরিবর্তন হলো, “সমাজে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতির পরিবর্তন”। সহজ কথায় সামাজিক পরিবর্তন হলো সমাজের আচার –

আয়তন কমলে গ্যাসের চাপ বেড়ে যায় কেন?

আয়তন কমলে গ্যাসের চাপ বেড়ে যায় কেন? গ্যাসের অণুগুলি তাপীয় গতির প্রভাবে নিরন্তর চতুর্দিকে ছোটাছুটি করে এবং নিজেদের মধ্যে ও পাত্রের দেয়ালে অবিরাম ধাক্কা খায়। গ্যাস অণুগুলি পাত্রের দেয়ালে ধাক্কা দেওয়ার ফলেই গ্যাসের চাপ সৃষ্টি হয়। এখন, স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন কমালে অণুগুলি পাত্রের দেয়ালে আরও ঘনঘন ধাক্কা দেবে। ফলে গ্যাসের চাপ বেড়ে যাবে।

বদ্বীপ কাকে বলে? বদ্বীপ যেভাবে গঠিত হয়? বদ্বীপের প্রকারভেদ , বদ্বীপ এর বিস্তারিত আলোচনা

ব-দ্বীপ কাকে বলে? বদ্বীপ একটি প্রাকৃতিক ভূমি, যা নদীর মোহনায় দীর্ঘদিনের জমাট পলি অথবা নদীবাহিত মাটির সৃষ্ট দ্বীপ। একটি নদী বয়ে গিয়ে যখন কোন জলাধার, হ্রদ, সাগর কিংবা মহাসাগরে পরে তখন নদীমুখে বদ্বীপ তৈরী হয়। এটাই বদ্বীপ। বদ্বীপ আসলে এমন একধরনের প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা ত্রিকোণাকার ভূমি, যা নদীর মোহনায় (সমূদ্র নিকটবর্তী অঞ্চল) নদীর সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্টি হয়। সহজ ভাষায় নদীর পানির সাথে ভেসে আসা পলি মাটি সমুদ্রের উপকূলীয় অঞ্চলের কাছাকাছি অঞ্চলে জমা হয়ে যে ভূমি তৈরী করে তা ই বদ্বীপ। বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ বলার কারণ দুটি হিমালয়ী নদী (গঙ্গ(পদ্মা) ও ব্রহ্মপুত্র (যমুনা) সম্মিলিত স্রোতধারায় বিশ্বের যেকোন নদী -ব্যবস্থার তুলনায় বঙ্গোপসারে সবচেযে বেশি অবক্ষেপ এনে ফেলেছে । এই দুই অপর হিমালয়ী নদী মেঘনার সহযোগে যে বদ্বীপ সৃষ্টি করেছে, সেটি গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা বদ্বীপ বা বঙ্গীয় বদ্বীপ নামে পরিচিত।আর এটিই বিশ্বের বৃহত বদ্বীপ । বাংলাদেশে অবস্থিত বদ্বীপের আয়তন ৮০, ০০০ বর্গ. কি.মি।  অন্য দিকে ভিয়েতনামের মেকং বদ্বীপের আয়তন ৩৯,০০ ০বর্গ. কি.মি। বদ্বীপ যেভাবে তৈরী হয় নদী পলিমাটি বয়ে নিয

সর্বাধিক পঠিত পোষ্ট সমূহ

রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল: স্বীকার্য ও সীমাবদ্ধতা

বাস্তুতন্ত্র কাকে বলে? বাস্তুতন্ত্রের প্রকারভেদ

বিশ্বের সকল গতিই আপেক্ষিক সকল স্থিতিই আপেক্ষিক। কোনো স্থিতি বা গতিই পরম নয় - ব্যাখ্যা কর।

পূর্ণ সংখ্যা কাকে বলে?

বিশ্ব উষ্ণায়ন কাকে বলে?

বল একটি লব্ধ রাশি কেন?

উন্নয়নশীল দেশ কাকে বলে?

আদি কোষ কাকে বলে?

তড়িচ্চালক বল কি?