পোস্টগুলি

Home ভিডিও ক্লাস রসায়ন পদার্থবিজ্ঞান জীববিজ্ঞান গণিত English

Featured Post

উৎপাদনশীলতার ধারণা | উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব | উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উপায়

উৎপাদনশীলতার ধারণা (Productivity) উৎপাদনশীলতা হচ্ছে সম্পদের ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা উৎপাদনের পরিমাণ। অর্থাৎ কতটুকু ইনপুট বা কাঁচামাল ব্যবহার করে কি পরিমাণ আউটপুট বা পণ্য উৎপাদন করা যায় তার অনুপাত হচ্ছে উৎপাদনশীলতা। অন্যভাবে উৎপাদনশীলতা বলতে উৎপাদনের দক্ষতাকে বোঝায়। সমপরিমাণ উপকরণ ব্যবহার করে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারলে বা কম পরিমাণ উপকরণ ব্যবহার করে সমপরিমাণ উৎপাদন করতে পারলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে। উৎপাদনশীলতাকে নিম্নোক্ত সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায় - অর্থনীতিবিদ Samuelson বলেন, “উৎপাদনশীলতা হচ্ছে একটি শব্দ যা ইনপুটের প্রেক্ষিতে আউটপুটের অনুপাত বুঝায়।” International Labor Organization (ILO) এর মতে, “ব্যাপক অর্থে, কোনো দল, সমাজ, বা দেশে প্রাপ্ত দ্রব্য এবং সেবার সাথে কার্যকর সম্পদের অনুপাত হলো উৎপাদনশীলতা।” উপরোক্ত সংজ্ঞার আলোকে উৎপাদনশীলতা সম্পর্কে বলা যায় যে - ১. উৎপাদনশীলতা হলো উৎপাদন ও উপকরণের অনুপাত ২. উপকরণের তুলনায় উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধির হার ৩. শ্রমের দক্ষতা মূল্যায়ন এবং ৪. এটি মুনাফা বৃদ্ধি করে। সুতরাং, পরিশেষে বলা যায় যে, নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ ব্যয় করে বা কাজে লাগিয়ে যে পরিমাণ

সমবায় সংগঠন কাকে বলে?

সমবায় সংগঠন কাকে বলে? কমপক্ষে বিশজন চুক্তি সম্পাদনে যোগ্য ব্যক্তি নিজেদের অর্থনৈতিক কল্যাণের লক্ষ্যে পারস্পরিক ঐক্য, সহযোগিতা ও সমঝোতার ভিত্তিতে সমবায় আইনের আওতায় যে সংগঠন গড়ে তোলে তাকে সমবায় সংগঠন বলে। এটি মূলত কম বিত্তসম্পন্ন মানুষদের সংগঠন। সদস্যদের কল্যাণ সাধন, সমশ্রেণির ব্যক্তিদের সংগঠন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা, পৃথক সত্তা, সম-ভোটাধিকার, অবাধ সদস্যপদ ইত্যাদি এ সংগঠনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। উন্নত জীবনযাত্রার মান প্রতিষ্ঠা, সদস্যদের মর্যাদা বৃদ্ধি, বৃহদায়তন ব্যবসায়ের সুবিধা লাভ, সদস্যদের মনোবল উন্নয়ন, মধ্যস্থ ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ, সীমাবদ্ধ দায়, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় একত্রিকরণ, আত্মনির্ভরশীলতা সৃষ্টি ইত্যাদি এ সংগঠনের অন্যতম সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হলেও জটিল গঠন প্রণালী, মূলধনের সীমাবদ্ধতা, অদক্ষ ব্যবস্থাপনা, পারস্পরিক সহযোগিতার অভাব, উৎসাহের অভাব, শেয়ার হস্তান্তরে অসুবিধা ইত্যাদি সমবায় সংগঠনের অসুবিধা হিসেবে গণ্য হয়। আরো পড়ুনঃ উৎপাদনের ধারণা | উৎপাদনের গুরুত্ব | উৎপাদনের আওতা উৎপাদনশীলতা | উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব উৎপাদন উপকরণের ধারণা  ভূমির ধারণা | ভূমির বৈশিষ্ট্য | ভূমির গুরুত্ব  শ্রমের ধ

ব্যবসায় জোট কাকে বলে?

ব্যবসায় জোট কাকে বলে? পারস্পরিক ক্ষতিকর প্রতিযোগিতা পরিহার করে অধিক মুনাফা অর্জনের আশায় কতকগুলো ব্যবসায় বা কোম্পানি কেন্দ্রিয় তত্ত্বাবধানের আওতায় জোটবদ্ধ হলে তাকে ব্যবসায় জোট বলে। ব্যবসায় জোট এর মূল উদ্দেশ্য হলো, বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রাখা। ট্রাস্ট, কার্টেল, হোল্ডিং কোম্পানি ইত্যাদি এরূপ জোটের বিভিন্ন রূপ। এরূপ ব্যবসায়ের ফলে ব্যবসায়ীগণ আর্থিকভাবে লাভবান হলেও এর বড় অসুবিধা হলো - এর মাধ্যমে একচেটিয়া ব্যবসায়ের উত্থান ঘটে, ফলে জনগণের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয় এবং প্রতিযোগিতার পরিবেশ না থাকায় উৎপাদিত সামগ্রী ও সেবার মান নিম্নমুখী হয়। আরো পড়ুনঃ উৎপাদনের ধারণা | উৎপাদনের গুরুত্ব | উৎপাদনের আওতা উৎপাদনশীলতা | উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব উৎপাদন উপকরণের ধারণা  ভূমির ধারণা | ভূমির বৈশিষ্ট্য | ভূমির গুরুত্ব  শ্রমের ধারণা | শ্রমের বৈশিষ্ট্য | শ্রমের প্রকারভেদ | শ্রমের গুরুত্ব

যৌথ উদ্যোগে ব্যবসায় কাকে বলে?

যৌথ উদ্যোগে ব্যবসায় কাকে বলে? দেশী ও বিদেশী উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে কোন ব্যবসায় গঠন ও পরিচালনা করা হলে তাকে যৌথ উদ্যোগে ব্যবসায় বলে। এরূপ ব্যবসায়ের বিশেষ সুবিধা হলো- এতে দেশের অভ্যন্তরে বিদেশী পুঁজি ও প্রযুক্তির সহজ আগমন ঘটে, অভ্যন্তরীণ সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব হয় এবং বিদেশী উদ্যোক্তাদের সাহসর্যে দেশীয় উদ্যোক্তাগণ দক্ষতা অর্জন করতে পারে। ফলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হয়।  যে যৌথ উদ্যোগ ব্যবসায় দেশের অভ্যন্তরীণ উদ্যোক্তাগণের সমন্বয়ে গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়, তাকে দেশীয় যৌথ ব্যবসায় বলে। অন্যদিকে যে যৌথ ব্যবসায় দেশীয় উদ্যোক্তাগণের পাশাপাশি বিদেশি উদ্যোক্তাগণ জড়িত থাকে তাকে আন্তর্জাতিক ব্যবসায় বলে। আরো পড়ুনঃ উৎপাদনের ধারণা | উৎপাদনের গুরুত্ব | উৎপাদনের আওতা উৎপাদনশীলতা | উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব উৎপাদন উপকরণের ধারণা  ভূমির ধারণা | ভূমির বৈশিষ্ট্য | ভূমির গুরুত্ব  শ্রমের ধারণা | শ্রমের বৈশিষ্ট্য | শ্রমের প্রকারভেদ | শ্রমের গুরুত্ব

মূলধন গঠন কাকে বলে?

মূলধন গঠন কাকে বলে? সঞ্চিত অর্থকে পুঁজি দ্রব্যে রূপান্তর করাই হলো মূলধন গঠন।  অর্থনীতির ভাষায়, মূলধন গঠন বলতে মূলধন বৃদ্ধির প্রকিয়াকে বুঝায়। কোন দেশ একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার মূলধন সম্পদ বা পুঁজি দ্রব্যের যে বৃদ্ধি সাধন করে তাকে মূলধন গঠন বলা হয়। মূলধন গঠন বলতে মূলত সঞ্চয়ের উপর নির্ভর করে। সঞ্চয়ের পরিমাণ আবার তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। এগুলো হলো- সঞ্চয়ের সামর্থ্য, ইচ্ছা এবং বিনিয়োগ সুযোগ-সুবিধা। আবার কোন দেশ ইচ্ছা করলেই মূলধন গঠন করতে পারে না। মাথাপিছু আয়ের স্বল্পতা, দূরদৃষ্টির অভাব, সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি-নীতি, নিরাপত্তা অভাব, সঞ্চয় সংগ্রহে অসুবিধা, দক্ষ উদ্যোক্তার অভাব ইত্যাদির কারণে উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশে মূলধন গঠন বাধা প্রাপ্ত হয়। আরো পড়ুনঃ উৎপাদনের ধারণা | উৎপাদনের গুরুত্ব | উৎপাদনের আওতা উৎপাদনশীলতা | উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব উৎপাদন উপকরণের ধারণা  ভূমির ধারণা | ভূমির বৈশিষ্ট্য | ভূমির গুরুত্ব  শ্রমের ধারণা | শ্রমের বৈশিষ্ট্য | শ্রমের প্রকারভেদ | শ্রমের গুরুত্ব

ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান কাকে বলে?

ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান কাকে বলে? উৎপাদনকারী শিল্পের বেলায় কোনো শিল্পের ভূমি ও কারখানা দালান বাদে স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য ন্যূনপক্ষে ৫০ লাখ থেকে ১০ কোটি টাকা অথবা শ্রমিকের সংখ্যা ২৫ থেকে ৯৯ জনের মধ্যে সীমিত হলে তাকে ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান বলে। বাণিজ্যিক ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে যেখানে ১০ থেকে ২৫ জন কর্মী কর্মরত এবং স্থায়ী সম্পত্তির পরিমাণ (ভূমি ও কারখানা দালান বাদে) ৫ লাখ থেকে ১ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ তাকে এ সংজ্ঞার মধ্যে ফেলা হয়। আরো পড়ুনঃ উৎপাদন কাকে বলে? উপযোগের শ্রেণীবিভাগ, উৎপাদনের উপাদান উপযোগ কাকে বলে? রূপগত উপযোগ কাকে বলে? স্থানগত উপযোগ কাকে বলে? সময়গত উপযোগ কাকে বলে? সব উদ্যোগই ব্যবসায় উদ্যোগ না কেন? উৎপাদনের ধারণা | উৎপাদনের গুরুত্ব | উৎপাদনের আওতা

স্কেলার গুণন ও ভেক্টর গুণনের মধ্যে পার্থক্য

স্কেলার গুণন ও ভেক্টর গুণনের মধ্যে পার্থক্য স্কেলার গুণন ও ভেক্টর গুণনের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপঃ- নং স্কেলার গুণন ভেক্টর গুণন  ১ স্কেলার গুণফলের মান রাশিদ্বয়ের মানের এবং অন্তর্ভূক্ত ক্ষুদ্রতর কোণের cosine-এর গুণফলের সমান। ভেক্টর গুণফলের মান রাশিদ্বয়ের মানের এবং অন্তর্ভূক্ত কোণের sine-এর গুণফলের সমান।  ২ ভেক্টর দুটি পরস্পর লম্ব হলে স্কেলার গুণফল শূন্য হয়। ভেক্টর দুটি সমান্তরাল হলে ভেক্টর গুণফল শূন্য হয়।  ৩ দুটি স্কেলার রাশির গুণফলের মান হলো-   P·Q  = PQcosθ দুটি ভেক্টর রাশির গুণফলের মান হলো  P×Q  = nPQcosθ আরো পড়ুনঃ লব্ধি কাকে বলে? পানি কাচ নল বেয়ে উপরে উঠে, পারদ মুক্ত তল থেকে নল বেয়ে নিচে নামে কেন? মরণ সংকোচন কাকে বলে? রাইগার মরটিস কাকে বলে? পৃষ্ঠ শক্তি কাকে বলে? অভিকর্ষ কেন্দ্র বা ভারকেন্দ্র কাকে বলে?

পাখির আকাশে উড়া ভেক্টর বিভাজনের সাহায্যে ব্যাখ্যা কর।

পাখির আকাশে উড়া ভেক্টর বিভাজনের সাহায্যে ব্যাখ্যা কর। পাখির উড্ডয়নে ভেক্টর যোজনের রয়েছে। পাখি তার প্রতিটি ডানা দিয়ে বাতাসের উপর তির্যকভাবে বল প্রয়োগ করে এবং পাখিটি সম্মুখ দিকে এগিয়ে যায়। এর কারণ হলো বাতাসও প্রতিটি ডানার উপর তির্যকভাবে (বিপরীত দিকে) প্রতিক্রিয়া বল প্রয়োগ করে। এ প্রতিক্রিয়া বলদ্বয়ের লব্ধির দিকে পাখিটি এগিয়ে যায়। এটি ভেক্টর যোজনের উদাহরণ। আরো পড়ুনঃ   ভেক্টর বিভাজন কি বা ভেক্টর বিভাজন কাকে বলে?

পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ একই থাকে কেন?

পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ একই থাকে কেন? যেকোনো সমান সময়ের ব্যবধানে কোনো বস্তুকণার বেগের পরিবর্তন সমান হলে, বস্তুকণাটির ত্বরণকে সমত্বরণ বা সুষম ত্বরণ বলে। সুষম ত্বরণে গতিশীল কোনো বস্তুকণার গতিপথের প্রতিটি বিন্দুতে বস্তুকণাটির তাৎক্ষণিক ত্বরণ, সমগ্র পথের গড় ত্বরণ এবং সমত্বরণ পরস্পর সমান হয়। কোনো বস্তুকে মুক্তভাবে ছেড়ে দিলে অভিকর্ষজ ত্বরণের প্রভাবে সেটি একসময় নিচের দিকে পড়তে থাকে। যেহেতু, অভিকর্ষজ ত্বরণকে ধ্রুবক ধরা হয় তাই বলা যায়, ঐ বস্তুটি সমত্বরণ নিয়ে নিচে পড়ে, তাই পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ সুষম ত্বরণ। আরো পড়ুনঃ ধারকের সমবায় কাকে বলে? পরাবৈদ্যুতিক ধ্রুবক কি? ফ্যারাড কাকে বলে? সদৃশ বা সমান্তরাল ভেক্টর কি?

সর্বাধিক পঠিত পোষ্টসমূহ

বিশ্ব উষ্ণায়ন কাকে বলে? বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণ, বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব | বিশ্ব উষ্ণায়ন প্রতিরোধের উপায়

উৎপাদনশীলতার ধারণা | উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব | উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উপায়

মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র কি?

ভগ্নাংশ কাকে বলে? ভগ্নাংশের প্রকারভেদ | ভগ্নাংশের গুণ ও ভাগ প্রক্রিয়া | ভগ্নাংশ সম্পর্কে তথ্য

সামাজিক পরিবর্তন কাকে বলে? সামাজিক পরিবর্তনের কারণসমূহ

ব্যবস্থাপনা কাকে বলে?

গুণনীয়ক কাকে বলে?

BMR কাকে বলে?

অপ্রচলিত শক্তি কাকে বলে? অপ্রচলিত শক্তির উৎস

পরিসংখ্যান কাকে বলে? পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা