পোস্টগুলি

নতুন পোষ্ট

তাপগতীয় ব্যবস্থা বা সিস্টেম ও পরিপার্শ্ব কাকে বলে?

তাপগতীয় ব্যবস্থা বা সিস্টেম ও পরিপার্শ্ব কাকে বলে? পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে ব্যবস্থা বলতে বুঝায় জড় জগতের এমন খানিকটা অংশ যার অবস্থার পরিবর্তন বা যার ভৌত ধর্মের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা হয়। ব্যবস্থার বাইরে যা কিছু ব্যবস্থার আচরণের উপর প্রত্যক্ষ প্রভাব বিস্তার করে তাকে পরিপার্শ্ব বলা হয়। পিস্টন যুক্ত একটি সিলিন্ডারে অবস্থিত গ্যাস তাপগতীয় ব্যবস্থা বা সিস্টেম হিসেবে বিবেচিত হয় এবং পিস্টন এর ক্ষেত্রে পরিপার্শ্ব হতে পারে। কারণ পিস্টনের উঠানামার উপর গ্যাসের অবস্থার পরিবর্তন হয়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে পিস্টন গ্যাসের অর্থাৎ ব্যবস্থার আচরণের উপর প্রত্যক্ষ প্রভাব বিস্তার করে। আরো পড়ুনঃ 👉    তাপ গতীয় প্রক্রিয়া কি? 👉    রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া কি? 👉    প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া কি? 👉    এনট্রপি কি?

প্লাটিনাম রোধ থার্মোমিটার কাকে বলে?

প্লাটিনাম রোধ থার্মোমিটার কাকে বলে? তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে ধাতব পদার্থের বৈদ্যুতিক রোধ বেড়ে যায়। প্লাটিনামের এ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে প্লাটিনাম রোধ থার্মোমিটার তৈরী করা হয়। ১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী সিমেন প্লাটিনাম রোধ থার্মোমিটার তৈরী করেন। আরো পড়ুনঃ  👉    পারদ থার্মোমিটার কাকে বলে? 👉    থার্মিস্টার কাকে বলে? 👉    পাইরোমিটার কাকে বলে? 👉    মৌলিক ব্যবধান কাকে বলে? 👉    তাপীয় সাম্যাবস্থা কাকে বলে?

তাপ-তড়িৎ থার্মোমিটার কাকে বলে?

তাপ-তড়িৎ থার্মোমিটার কাকে বলে? তাপ-তড়িৎ থার্মোমিটারের মূলতত্ত্ব হলোঃ দুটি ভিন্ন ধাতুর তারের দুই প্রান্ত জোড়া লাগিয়ে যদি বর্তনী তৈরী করা যায় এবং তার দুটির সংযোগ স্থল দুটিতে তাপমাত্রার ব্যবধান সৃষ্টি করা যায়, তাহলে ঐ বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহিত হবে। বর্তনীতে যে তাড়িচ্চালক বলের উদ্ভব হয় তাকে তাপীয় তড়িচ্চালক বল বলা হয়। আরো পড়ুনঃ  👉    পারদ থার্মোমিটার কাকে বলে? 👉    থার্মিস্টার কাকে বলে? 👉    পাইরোমিটার কাকে বলে? 👉    মৌলিক ব্যবধান কাকে বলে? 👉    তাপীয় সাম্যাবস্থা কাকে বলে?

সীবেক ক্রিয়া কাকে বলে?

সীবেক ক্রিয়া কাকে বলে? দুটি ভিন্ন ধাতুর তারের দুই প্রান্তজোড়া লাগিয়ে যদি বর্তনী তৈরী করা যায় এবং তার দুটির সংযোগ স্থল দুটিতে তাপমাত্রার ব্যবধান সৃষ্টি করা যায় তাহলে ঐ বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহিত হবে।  ১৮২১ খ্রিষ্টাব্দে সীবেক সর্বপ্রথম ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন। তাই এ ঘটনাকে সীবেক ক্রিয়া বলে। আরো পড়ুনঃ  👉    পারদ থার্মোমিটার কাকে বলে? 👉    থার্মিস্টার কাকে বলে? 👉    পাইরোমিটার কাকে বলে? 👉    মৌলিক ব্যবধান কাকে বলে? 👉    তাপীয় সাম্যাবস্থা কাকে বলে?

পারদ থার্মোমিটার কাকে বলে?

ছবি
পারদ থার্মোমিটার কাকে বলে? পারদ একটি উজ্জ্বল ধাতব তরল পদার্থ। তাপ প্রয়োগে তাপমাত্রার পরিবর্তনের সাথে সাথে পারদের আয়তন সুষমভাবে বাড়ে। পারদের এই ধর্মকে কাজে লাগিয়ে থার্মোমিটার তৈরী করা হয় এবং এই থার্মোমিটারকে পারদ থার্মোমিটার বলা হয়। আরো পড়ুনঃ  👉    থার্মিস্টার কাকে বলে? 👉    পাইরোমিটার কাকে বলে? 👉    মৌলিক ব্যবধান কাকে বলে? 👉    তাপীয় সাম্যাবস্থা কাকে বলে? 👉    জিনের কাজ কি? 👉    DNA ট্রান্সলেশন কাকে বলে?  

কেলভিন স্কেল কাকে বলে?

কেলভিন স্কেল কাকে বলে? লর্ড কেলভিন ১৮৫০ খ্রিস্টাব্দে এমন একটি তাপমাত্রার স্কেল উদ্ভাবন করেন যা কোনো বস্তুর ভৌত গুণাবলীর উপর নির্ভরশীল নয়। তাঁর নামানুসারে এ স্কেলের নামকরণ হয় কেলভিন স্কেল। এই স্কেলকে পরম স্কেল বা তাপগতীয় স্কেল বলা হয়। স্কেলটির শূন্য তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয়। আরো পড়ুনঃ   👉    থার্মিস্টার কাকে বলে? 👉    পাইরোমিটার কাকে বলে? 👉    মৌলিক ব্যবধান কাকে বলে? 👉    তাপীয় সাম্যাবস্থা কাকে বলে? 👉    জিনের কাজ কি? 👉    DNA ট্রান্সলেশন কাকে বলে?  

থার্মিস্টার কাকে বলে?

থার্মিস্টার কাকে বলে? থার্মিস্টার অর্ধপরিবাহী পদার্থ দ্বারা তৈরী একটি ব্যবস্থা যার সাহায্যে তাপমাত্রা পরিমাপ করা যায়। রোধ থার্মোমিটারের মতো থার্মিস্টারের তাপমিতিক ধর্ম রোধ। তবে রোধ থার্মোমিটারের সাথে এর পার্থক্য হলো রোধ থার্মোমিটারে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে রোধ বৃদ্ধি পায়। কিন্তু থার্মিস্টারের রোধ তাপমাত্রার বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়। রোধ থার্মোমিটারের তুলনায় থার্মিস্টার অনেক বেশি সুবেদী। পরিমাপ সীমাঃ থার্মিস্টারের সাহায্যে -70°C থেকে 300°C পর্যন্ত তাপমাত্রা পরিমাপ করা যায়। আরো পড়ুনঃ   👉    পাইরোমিটার কাকে বলে? 👉    মৌলিক ব্যবধান কাকে বলে? 👉    তাপীয় সাম্যাবস্থা কাকে বলে? 👉    জিনের কাজ কি? 👉    DNA ট্রান্সলেশন কাকে বলে?  

পাইরোমিটার কাকে বলে?

পাইরোমিটার কাকে বলে? Pyros শব্দের অর্থ হলো Fire অর্থাৎ আগুন। 1000°C তাপমাত্রার অধিক তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য পাইরোমিটার (Pyrometer) ব্যবহার করা হয়। পাইরোমিটারকে উত্তপ্ত বস্তুর গায়ে স্পর্শ করাতে হয় না। তাই উত্তপ্ত বস্তুর তাপমাত্রা অনেক বেশি হলেও যন্ত্রের কোন ক্ষতি হয় না। পাইরোমিটারের প্রকারভেদ পাইরোমিটার দুই প্রকারের হয়। যথাঃ ১) পূর্ণ বিকিরণ পাইরোমিটার এবং  ২) আলোক পাইরোমিটার। ১) পূর্ণ বিকিরণ পাইরোমিটারঃ পূর্ণ বিকিরণ পাইরোমিটারের সাহায্যে কোন বস্তু কর্তৃক বিকীর্ণ তাপের পরিমাপ করে স্টিফেন এর সূত্র প্রয়োগ করে তাপমাত্রা নির্ণয় করা যায়। ২) আলোক পাইরোমিটারঃ কোন বস্তুকে খুব উত্তপ্ত করলে এটি আলো বিচ্ছুরণ করে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে এর ঔজ্জ্বল্য বাড়ে। এর ঔজ্জ্বল্যে উপর ভিত্তি করে অর্থাৎ আলোকীয়ভাবে প্রত্যক্ষ করে তাপমাত্রা নির্ণয় করা হয়। তাই একে আলোক পাইরোমিটার বলা হয়। আরো পড়ুনঃ  👉    মৌলিক ব্যবধান কাকে বলে? 👉    তাপীয় সাম্যাবস্থা কাকে বলে? 👉    জিনের কাজ কি? 👉    DNA ট্রান্সলেশন কাকে বলে?  

সর্বাধিক পঠিত পোষ্ট সমূহ

অক্ষর কাকে বলে?

ব্যবসায় পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন কেন?

লয় কাকে বলে? লয় কত প্রকার ও কি কি?

বিশ্ব উষ্ণায়ন কাকে বলে?

মাত্রা কাকে বলে?

ব্যবসায়ের প্রত্যক্ষ সেবা বলতে কি বুঝায়?

প্রাক্ষোভিক বুদ্ধি কি?

অপিনিহিতি কাকে বলে?