পোস্টগুলি

নতুন পোষ্ট

বৃত্তের পরিধি কাকে বলে?

বৃত্তের পরিধি কাকে বলে? পরিধি সাধারণত বৃত্তের হয়ে থাকে - একটি আবদ্ধ বক্ররেখার সীমান্ত বরাবর দৈর্ঘ্যকে তার পরিধি বলে। বৃত্তের চারদিকের সীমান্ত বরাবর দূরত্বকে বৃত্তের পরিধি বলে। বৃত্তের পরিধির সূত্র বৃত্তের পরিধি = 2πr যেখানে, r হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ। আরো পড়ুনঃ  ব্যাস কাকে বলে? প্রকৃত মান কাকে বলে? লগারিদম কাকে বলে? রেখাংশ কাকে বলে? ব্যস্ত অনুপাত কাকে বলে? একান্তর কোণ কাকে বলে?

আদিকোষ কাকে বলে?

যে কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয় তাই আদিকোষ। যেসকল কোষে বা সেলে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না তাদের প্রোক্যারিওটিক সেল বা আদিকোষ বলে। প্রোক্যারিওটিক সেলে নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দ্বারা বেষ্টিত থাকে না। ফলে নিউক্লিওবস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে। এসব সেলে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে। নীলাভ সবুজ শৈবাল, ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের সেল পাওয়া যায়। আরো পড়ুনঃ কোষ বিভাজন কাকে বলে? ব্যাক্টেরিয়াকে আদি কোষী বলা হয় কেন? জিনের কাজ কি? সমীকরণিক কোষ বিভাজন কাকে বলে? জনন কোষ কাকে বলে?

তুলনামূলক রাজনীতি কাকে বলে?

তুলনামূলক রাজনীতি কাকে বলে? তুলনামূলক রাজনীতি হলো রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও তার উপ-ব্যবস্থার সঙ্গে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যপূর্ণ অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও তাদের উপব্যবস্থাসমূহের তুলনামূলক আলোচনা ও বিশ্লেষণ। অধ্যাপক রাখহরি চ্যাটার্জির মতে, তুলনামূলক রাজনীতি হলো রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সেই শাখা যা জাতীয় প্রাদেশিক ও স্থানীয় সরকারের সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানসমূহের এবং সমাজজীবনের অন্যান্য স্তরে অবস্থিত সংগঠনসমূহ ও প্রতিষ্ঠানসমূহ, যেমন: রাজনৈতিক দল, শ্রেণি, গোষ্ঠী এবং সম্প্রদায়, স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ইত্যাদির, এককথায় সমাজের সমস্ত স্তরে সংঘটিত রাজনৈতিক কার্যাবলি / ঘটনাবলি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে। তুলনামূলক রাজনীতির দু'জন প্রবক্তার নাম তুলনামূলক রাজনীতির দু'জন প্রবক্তার নাম হলো - কোলম্যান (Coleman) এবং লিজফার্ট (Lijphart)। আরো পড়ুনঃ নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি লিখ। বৈদ্যুতিক পাখার সুইচ বন্ধ করার সাথে সাথে থেমে যায় না কেন? মৌলিক ব্যবধান কাকে বলে? বর্ষাকাল অপেক্ষা শীতকালে ভেজা কাপড় তাড়াতাড়ি শুকায় কেন? ব্রাউনীয় গতি কাকে বলে? গড় মুক্ত পথ কাকে বলে? গ্যাসে গতিতত্ত্বের মৌলিক স্বীকার্যগুলো লিখ।

বিশ্ব রাজনীতি কাকে বলে?

বিশ্ব রাজনীতি কাকে বলে? বিশ্বের রাজনীতি ঘটনাবলির একটি বিশ্বব্যাপী সামগ্রিক চিত্রকে বোঝায়। যেখানে কেবল মাত্র বিশ্ব পর্যায় নয় বরং বৈশ্বিক, জাতীয়, আঞ্চলিক ইত্যাদি সমস্ত স্তরের রাজনৈতিক ঘটনাবলি ও তাদের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্কের বিষয়গুলি অন্তর্ভূক্ত।  বিশ্ব রাজনীতিতে আন্তঃসংযুক্ততা ও আন্তঃনির্ভরশীলতার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে সর্বত্র সমভাবে নয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নৈরাজ্যমূলক পরিস্থিতিকে প্রতিস্থাপন করে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সুশাসনের একটি পরিকাঠামোর উদ্ভব হয়েছে। বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে দুটি মূলধারার দৃষ্টিভঙ্গি বিদ্যমান। যথাঃ বাস্তববাদ ও উদারপন্থীবাদ। দুটিতেই বিশ্বায়নকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হয় এবং রাষ্ট্রসমূহের সম্পর্কের মধ্যে সংঘাত ও সহযোগিতার ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা করা হয়, যদিও ভারসাম্যের প্রকৃতি সম্পর্কে এই দুটি দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য আছে।  আরো পড়ুনঃ বিদেশ নীতি কাকে বলে? সুষম বাজেট কি? জোট সরকার কাকে বলে? আন্তর্জাতিক রাজনীতি কাকে বলে? বাঙালি জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?

শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষকের ভূমিকা

শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষকের ভূমিকা বিশ্বায়নে শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের যোগ্য করে তোলার জন্য শ্রেণিকক্ষে শিক্ষাদানে শিক্ষকের ভূমিকা নিম্নরূপ - ১। শিক্ষা বিষয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের মনোসংযোগ স্থাপন করতে হবে; ২। শিক্ষার সাথে শিক্ষার্থীর একাগ্রচিত্ততা সৃষ্টি করতে হবে; ৩। বিশ্বায়নে নতুন নতুন বিষয়ের প্রতি শিক্ষার্থীর আগ্রহ, প্রবণতা সৃষ্টি করতে হবে। এতে শিক্ষার্থীর কৌতুহলী ও মননশীলতা সৃষ্টি হবে; ৪। শ্রেণি পাঠদানে কাজ প্রদান ও আনন্দদায়ক করে তুলতে হবে; ৫। শিক্ষার্থীদের বিশ্বায়নের গুরুত্ব এবং এর প্রভাবে শিক্ষার পরিবেশ উন্নত হচ্ছে সে সম্পর্কে অবহিত করতে হবে; ৬। শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের পরিবেশের সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে; ৭। নতুন জ্ঞানের সাথে পরিচয় ঘটানো এবং শেখার কাজ যাতে দ্রুততম হয় তা উপলব্ধি করতে দেয়া; ৮। শিক্ষার্থীর কার্যে স্বীকৃতি ও চিন্তার স্বাধীনতা প্রদান করা; ৯। শৃঙ্খলা আনয়ন ও ভীতি দূরীকরণের উপায় খুজে বের করা; ১০। শিক্ষার্থীদের মাঝে মুক্ত চিন্তা, মুক্ত মনের প্রকাশ ভঙ্গি সৃষ্টি করা; ১১। মেধা ও মননশীলতার বৈচিত্রতা আনয়ন করা; ১২। বিশ্বায়নের প্রভাবে শিক্ষার অগ্রগতি সম্পর্কে অধ্যবসায়ী মনোভাব জাগ্রতক

গাণিতিক উক্তি কাকে বলে?

গাণিতিক উক্তি কাকে বলে? যখন কোনো বাক্য সত্য না মিথ্যা নির্ণয় করা যায় তখন উক্ত বাক্যটিকে গাণিতিক বাক্য বা বন্ধ বাক্য বা গাণিতিক উক্তি বলে। গণিতবিষয়ক এমন কোনো উক্তি যা সুনির্দিষ্ট করে সত্য না মিথ্যা বলা যায়, তাকে গাণিতিক বাক্য বলে। গাণিতিক বাক্য হলো সংখ্যা, প্রতীক, রাশি বা গাণিতিক ধারণা সংবলিত এমন একটি উক্তি, যা সত্য না মিথ্যা নিঃসন্দেহে বলা যায়। আরো পড়ুনঃ 👉    ব্যস্ত অনুপাত কাকে বলে? 👉    একান্তর কোণ কাকে বলে? 👉    সরলরেখা কাকে বলে? সরলরেখা ও সমতলের মধ্যে সম্পর্ক কি? 👉    প্রকৃত মান কাকে বলে? 👉    লগারিদম কাকে বলে? 👉    রেখাংশ কাকে বলে? 👉    উপাত্ত কাকে বলে? উপাত্তের বৈশিষ্ট্য, উপাত্তের প্রকারভেদ 👉    পরিসীমা কাকে বলে? 👉    ফাংশন কাকে বলে? 👉    বিন্দু কাকে বলে? 👉    বর্গমূল কাকে বলে? 👉    লেখচিত্র কাকে বলে? লেখচিত্রের শ্রেণিবিভাগ

রোমান্টিক বিবাহ কাকে বলে?

রোমান্টিক বিবাহ কাকে বলে? যখন কোন বিবাহ পাত্র-পাত্রী স্বাধীন ইচ্ছায় সম্পাদিত হয়ে থাকে তখন তাকে রোমান্টিক বিবাহ বলে। এ ধরনের বিবাহ প্রেমঘটিত বা ভালোবাসার বিবাহও বলে পরিচিত। প্রেম ঘটিত বিবাহ পিতামাতা বা অভিভাবকের অনুমতি সাপেক্ষে নয়। এ ধরনের বিবাহে অভিভাবকের অনুমতি বা অনুমোদন আবশ্যক হিসেবে বিবেচিত নয়। অনেক সময় এ ধরনের বিবাহে পাত্র-পাত্রী সামাজিক আচার অনুষ্ঠান ক্রিয়াকর্ম ছাড়াই রেজিস্ট্রীকরণের মাধ্যমে রোমান্টিক বিবাহ সম্পাদন করে থাকে। তবে কখনো কখনো পাত্র-পাত্রী নিজেরাই পছন্দ করে অভিভাবকগণ পরামর্শে অনেকক্ষেত্রে আবার আচার অনুষ্ঠান সুসম্পন্নের মাধ্যমে বিবাহ হয়ে থাকে। আরো পড়ুনঃ ধর্ষণ কাকে বলে? বলাৎকার কাকে বলে? যিনা কাকে বলে? মাতৃ আবাসিক পরিবার কাকে বলে? সঞ্চয় কাকে বলে? সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা, সঞ্চয়ের প্রকারভেদ

সম্পর্ক কাকে বলে?

সম্পর্ক কাকে বলে? সম্পর্ক = সম পরিমাণ কর্তৃত্ব। যখন দুজন বা ততোধিক ব্যক্তির নিজেদের মধ্যে সমান কর্তৃত্বের অধিকার তৈরি হয় তখন সেটাই হয় সম্পর্ক। সমান কর্তৃত্ব মানে মা সন্তান শাসন করার পর সন্তানও মাকে শাসন করবে। সমান কর্তৃত্ব হলো সেটাই যেখানে মায়ের শাসনের পরও সন্তান তার কথাগুলো মায়ের কাছে উপস্থাপন করতে পারবে। বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে যে সম্পর্ক সৃষ্টি হয় তা হচ্ছে জ্ঞাতি সম্পর্ক। জ্ঞাতি সম্পর্ক মানুষের বংশগতি পরিচয় ও মর্যাদা দিয়ে থাকে, বিশেষ করে সম্পত্তির মালিকানা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অপরিসীম। বিভিন্ন দেশে ও বিভিন্নকালে পরিবার প্রথার পার্থক্য এবং বিবাহ ব্যবস্থার বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। দেশ কাল ভেদে এই পার্থক্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিবাহের সংজ্ঞা সম্পর্কে মত পার্থক্য থাকাটা স্বাভাবিক। সাধারণভাবে বিবাহ হলো নারী পুরুষের মধ্যে যৌন মিলনের এক সমাজ অনুমোদিত উপায় এবং এক ধরনের চুক্তি।  সুতরাং বিবাহ হলো নারী ও পুরুষের যৌন সম্পর্কের নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্য অনুসৃত এক সমাজ স্বীকৃত ব্যবস্থা বিশেষ। বিবাহ স্ত্রী পুরুষের মধ্যে মোটামুটি স্থায়ী বন্ধন। তবে বিবাহের জৈবিক ও সামাজিক উভয় দি

অন্যরা যা পড়ছেন...

পরিসংখ্যান কাকে বলে?

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

সর্বাধিক পঠিত পোষ্ট সমূহ

পরিসংখ্যান কাকে বলে?

গড় কাকে বলে?

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

কেন্দ্রীয় প্রবণতা কাকে বলে?

মাখরাজ কাকে বলে? মাখরাজ কয়টি এবং কি কি?

ব্যবস্থাপনা কাকে বলে?

উৎপাদক কাকে বলে?