পোস্টগুলি

নতুন পোষ্ট

গলজি বস্তু কাকে বলে?

গলজি বস্তু কাকে বলে? সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত কতকগুলো ঘনসন্নিবিষ্ট চওড়া সিস্টারনি, থলির মতো ভ্যাকুওল এবং ক্ষুদ্র ভেসিকল-এর সমন্বয়ে গঠিত জটিল অঙ্গাণুর নাম গলজি বস্তু।  ইতালিয় স্নায়ুবিজ্ঞানী ক্যামিলো গলজি ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে পেঁচা ও বিড়ালের মস্তিষ্কের কোষে গলজি বস্তু আবিষ্কার করেন এবং বিশদ বর্ণনা দেন।  তাঁর নামানুসারে এটি "গলজি বস্তু" নামকরণ করা হয়। গলজি বস্তু বিভিন্ন নামে পরিচিত, যথা- গলজি কমপ্লেক্স, গলজি অ্যাপারেটাস, ডিকটিওজোম, ইডিওজোম, লিপোকন্ড্রিয়া ইত্যাদি। আরো পড়ুনঃ গলজিবস্তু বলতে কি বোঝায়? সিস্টার্নি ও ভেসিকল বলতে কি বোঝায়? মানবদেহের বিভিন্ন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের তালিকা গলজি বডি কি? গলজি বডি কাকে বলে? লোকাল হরমোন কাকে বলে?

পলিজোম কাকে বলে?

পলিজোম কাকে বলে? mRNA অণু রাইবোজোমের সাথে যুক্ত হলে tRNA-র সহায়তায় প্রোটিন সংশ্লেষিত হয়। সংশ্লেষের সময় পরপর বেশ কয়েকটি রাইবোজোম mRNA-এর সঙ্গে সক্রিয় যুক্ত হলে এ অবস্থাকে পলিজোম বা পলিরাইবোজোম বলে। আরো পড়ুনঃ সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কাকে বলে? DNA ট্রান্সলেশন কাকে বলে? আদি কোষ কাকে বলে? রাইবোজোম কী? প্রকৃত কোষ কী?

পলিরাইবোজোম কাকে বলে?

পলিরাইবোজোম কাকে বলে? mRNA অণু রাইবোজোমের সাথে যুক্ত হলে tRNA-র সহায়তায় প্রোটিন সংশ্লেষিত হয়। সংশ্লেষের সময় পরপর বেশ কয়েকটি রাইবোজোম mRNA-এর সঙ্গে সক্রিয় যুক্ত হলে এ অবস্থাকে পলিরাইবোজোম বা পলিজোম বলে। আরো পড়ুনঃ সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কাকে বলে? DNA ট্রান্সলেশন কাকে বলে? আদি কোষ কাকে বলে? রাইবোজোম কী? প্রকৃত কোষ কী?

রাইবোজোম কাকে বলে? রাইবোজোমের কাজ

রাইবোজোম কাকে বলে? কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত ক্ষুদ্র দানাময় "রাইবোনিউক্লিও-প্রোটিন" কণা যা প্রোটিন সংশ্লেষণের স্থান হিসেবে কাজ করে, তাকে রাইবোজোম বলে।  রোমানিয়ান কোষবিজ্ঞানী জর্জ প্যালেড ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে এটি আবিষ্কার করেন এবং নাম দেন রাইবোনিউক্লিয়ার প্রোটিন।  পরে বিজ্ঞানী রিচার্ড বি. রবার্টস ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে এর নাম দেন Ribosome যা ribonucleoprotein particle of microsomes-এর শব্দ সংক্ষেপ। রাইবোজোমের কাজ কোষের প্রয়োজনীয় প্রোটিন সংশ্লেষণ প্রত্যক্ষভাবে অংশ গ্রহণ করা রাইবোজোমের প্রধান কাজ। তাই এগুলোকে কোষের Protein factory বলে। স্নেহ বিপাক ও সাইটোক্রেোম উৎপাদনে ভূমিকা পালন করে। আরো পড়ুনঃ সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কাকে বলে? DNA ট্রান্সলেশন কাকে বলে? আদি কোষ কাকে বলে? রাইবোজোম কী? প্রকৃত কোষ কী?

সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কাকে বলে?

সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কাকে বলে? সাইটোপ্লাজমের অভ্যন্তরে অবস্থিত কোষের বিভিন্ন জৈবনিক ক্রিয়াকলাপের সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত সজীব বস্তুকে একত্রে সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু বলে। একটি আদর্শ জীবকোষে সাধারণত যেসব অঙ্গাণু দেখা যায় সেগুলো হলো - রাইবোজোম গলজি বস্তু লাইসোজোম এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম মাইটোকন্ড্রিয়ন প্লাস্টিড সেন্ট্রিয়ল নিউক্লিয়াস ক্রোমোজোম আরো পড়ুনঃ সাইটোপ্লাজমের কাজ আদিকোষ কাকে বলে? তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র কাকে বলে? শ্রবণ দক্ষতা কাকে বলে? অর্ধাঙ্গিনী কাকে বলে?

সাইটোপ্লাজমের কাজ

সাইটোপ্লাজমের কাজ কোষের বিভিন্ন ধরনের অঙ্গাণু ও নির্জীব পদার্থগুলোকে ধারণ করে। বিপাকীয় কার্যাদি পরিচালনা করে। রেচন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করে। কোষের অম্লত্ব ও ক্ষারকত্ব নিয়ন্ত্রণ করে। আবর্তনের মাধ্যমে অঙ্গাণুগুলোকে নড়াচড়ায় সহায়তা করে। পানি পরিশোষণে সহায়তা করে। উত্তেজনায় সাড়া দিয়ে জীবের  বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। আরো পড়ুনঃ আদিকোষ কাকে বলে? DNA ট্রান্সলেশন কাকে বলে? নিউরন কি বা কাকে বলে? নিউরনের গঠন ও নিউরনের কাজ একক পর্দা কাকে বলে? পেশি টিস্যু কাকে বলে? পেশি টিস্যুর কাজ, পেশি টিস্যুর প্রকারভেদ রসস্ফীতি কাকে বলে?

তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র কাকে বলে?

তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র কাকে বলে? কোন বস্তুতে চার্জের উপস্থিতি বা অস্তিত্ব আছে কিনা, থাকলে চার্জের প্রকৃতি এবং পরিমাণ জানার জন্য, পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা তুলনা করার জন্য এক ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। এ যন্ত্রকে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলা হয়। শোলাবল এবং স্বর্ণপাত এ দু’ধরনের তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র রয়েছে। তবে স্বর্ণপাত তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে অতি সূক্ষ্মভাবে চার্জের অস্থিত্বি ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায়। আরো পড়ুনঃ অ্যাম্পিয়ার কাকে বলে? সীবেক ক্রিয়া কাকে বলে? ক্যাথোড কাকে বলে? তড়িৎ চৌম্বক বল কাকে বলে? একটি বৈদ্যুতিক পাওয়ার স্টেশনের ক্ষমতা 200 MW বলতে কি বুঝ? সমন্বিত বর্তনী কাকে বলে?

চার্জের নিত্যতা সূত্র

চার্জের নিত্যতা সূত্র প্রত্যেক ক্ষেত্রেই ইলেকট্রনের স্থানান্তর ঘটছে। ঘর্ষণ শুধুমাত্র এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে ইলেকট্রনের স্থানান্তর ঘটায়, কিন্তু উভয় বস্তুর মোট ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যার যোগফল একই থাকে। কোন ইলেকট্রন বা প্রোটন সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না। যেমন- কাঁচ দন্ডকে রেশম কাপড় দ্বারা ঘর্ষণ করলে দন্ড থেকে কিছু সংখ্যক ইলেকট্রন রেশম কাপড়ে চলে যায়। ফলে কাঁচ দন্ডে প্রোটনের সংখ্যা ইলেকট্রনের সংখ্যা অপেক্ষা বেশি। এ কারণে কাচ দন্ড ধনাত্মক চার্জযুক্ত ও রেশমের কাপড় সম পরিমাণে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত হয়। কিন্তু উভয় বস্তু মিলিয়ে মোট প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা একই থাকে। ঘর্ষণ ফলে নতুন কোন চার্জ উৎপন্ন হয় না কেবল এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে চার্জের স্থানান্তর ঘটে। অর্থাৎ যেকোনো অন্তরিত প্রক্রিয়ায় নীট চার্জ ধ্রুব থাকবে। একেই নিত্যতা সূত্র বলা হয়। আরো পড়ুনঃ অ্যাম্পিয়ার কাকে বলে? সীবেক ক্রিয়া কাকে বলে? ক্যাথোড কাকে বলে? তড়িৎ চৌম্বক বল কাকে বলে? একটি বৈদ্যুতিক পাওয়ার স্টেশনের ক্ষমতা 200 MW বলতে কি বুঝ? সমন্বিত বর্তনী কাকে বলে?

অন্যরা যা পড়ছেন...

সামাজিক পরিবর্তন কাকে বলে? সামাজিক পরিবর্তনের কারণসমূহ

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

সর্বাধিক পঠিত পোষ্টসমূহ

সামাজিক পরিবর্তন কাকে বলে? সামাজিক পরিবর্তনের কারণসমূহ

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

সংগ্রহশালা কাকে বলে?

লয় কাকে বলে? লয় কত প্রকার ও কি কি?

জনমত কি? জনমত কাকে বলে? জনমত বলতে কি বুঝ? জনমতের সংজ্ঞা, জনমত গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকা

স্বাভাবিক সংখ্যা কাকে বলে?

প্রাকৃতিক সম্পদ কাকে বলে? প্রাকৃতিক সম্পদের প্রকারভেদ, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের উপায়, প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব