পোস্টগুলি

Home ভিডিও ক্লাস রসায়ন পদার্থবিজ্ঞান জীববিজ্ঞান গণিত English প্রাক-প্রাথমিক

নতুন পোষ্ট

ট্রাফিক কাকে বলে? ট্রাফিক সাইন কত প্রকার ও কি কি?

ট্রাফিক কাকে বলে? ট্রাফিক বলতে - মোটর যানবাহন, অ-মোটর চালিত যানবাহন এবং পথচারীদের চলাচল, অস্থায়ী স্টপ বা পার্কিংয়ের উদ্দেশ্যে রাস্তার ব্যবহার।  রাস্তায় যানবাহন বা মানুষের চলাচল, বা একটি রুট বরাবর বিমান, ট্রেন বা জাহাজের চলাচল। রাস্তা দিয়ে মানুষ, যানবাহন বা পণ্যদ্রব্য চলাচল, এটি সাবলীল বা যানজটপূর্ণ হতে পারে। যানবাহন, জাহাজ, ব্যক্তি ইত্যাদির চলাচল, একটি এলাকায়, একটি রাস্তা বরাবর, একটি এয়ার লেন দিয়ে, একটি জলপথের উপর দিয়ে, ইত্যাদি। ট্রাফিক সিগন্যাল কত প্রকার বা ট্রাফিক সংকেত কত প্রকার ও কি কি? ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত ৩ প্রকার। যথা- ১) বাহুর সংকেত ২) আলোর সংকেত ৩) শব্দ সংকেত ১. বাহুর সংকেতঃ পুলিশ কর্মকর্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি, ড্রাইভার এবং যানবাহন স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি অফিসার এবং ট্র্যাফিক অফিসার ইত্যাদি অনুমোদিত ব্যক্তিদের দ্বারা ব্যবহৃত সংকেতকে বলা হয় বাহুর সংকেত। ২. আলোর সংকেতঃ ট্রাফিক লাইট সিগন্যাল বা আলোর সংকেত হিসাবে ব্যবহৃত হয় লাল – সবুজ – হলুদ এবং পুনরায় লাল।

পণ্যের জীবনচক্র কাকে বলে? পণ্যের জীবনচক্রের বৈশিষ্ট্য

পণ্যের জীবনচক্র বলতে কী বুঝায়? পণ্য বাজারজাতকরণ ব্যবস্থায় পণ্য জীবনচক্রের ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি পণ্য বাজারে প্রবর্তনের পর পণ্যের বিক্রেতা বা উৎপাদক পণ্যটির দীর্ঘ জীবন প্রত্যাশা করেন। দীর্ঘদিন পণ্যটি বাজারে টিকে থাকলে উৎপাদক বিক্রেতা পণ্যটির সুফল পেতে সক্ষম হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, কোনো পণ্যই অনন্তকাল বাজারে টিকে থাকতে পারে না। মানুষের জীবন প্রণালীর মতো পণ্যের জীবনেও উত্থান-পতনের নিয়ম প্রচলিত থাকতে দেখা যায়। এখান হতেই পণ্য জীবনচক্রের ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। একটি পণ্য বাজারে সর্বপ্রথম প্রবর্তনের পর হতে শুরু করে একেবারে বিলীন হয়ে যাওয়া পর্যন্ত যতগুলো পর্যায় বা ধাপ অতিক্রম করে সেগুলোকে পণ্য জীবনচক্র বলে। অর্থাৎ পণ্য জীবনচক্র হচ্ছে পণ্যের জীবনের উল্লেখযোগ্য পর্যায়গুলো। এই পর্যায়গুলোর মধ্যে প্রবর্তন বা সূচনা, প্রবৃদ্ধি বা উন্নতি, পরিপূর্ণতা বা চূড়ান্ত উন্নতি এবং অবনতি বা অবসান উল্লেখযোগ্য। পণ্য জীবনপক্র সম্পর্কে বিপণনবিদগণ মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেছেন; P. Kotler & G. Armstrong-এর মতে , 'Product life cycle is the course of a product's sales and profits over its lif

সংখ্যা কাকে বলে? সংখ্যা কত প্রকার ও কি কি?

ছবি
সংখ্যা সংখ্যা সম্বন্ধে বলতে গেলে প্রথমেই যা চলে আসে তা হলো অঙ্ক। অঙ্ক কাকে বলে? 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এই দশটি চিহ্নকে অঙ্ক বলে। অঙ্কের কাজ হলো সংখ্যা তৈরি করা। অঙ্কের উপর কোনো বীজগানিতীক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায় না। সংখ্যা কাকে বলে? দশটি অঙ্ক সহ আরও কতকগুলি চিহ্নের (যেমন দশমিক বিন্দু , বর্গ , বর্গমূল ইত্যাদি) সাহায্যে যা তৈরি হয়, তাকে সংখ্যা বলে। সংখ্যা - Number এবারে আমরা বিভিন্ন প্রকার সংখ্যা সম্বন্ধে জানবো। সংখ্যার বিভিন্নতা সম্বন্ধে জানতে গেলে প্রথমেই যা চলে আসে তা হলো স্বাভাবিক সংখ্যা। স্বাভাবিক সংখ্যা কাকে বলে? যে সব সংখ্যা দিয়ে আমরা কোনো কিছুকে গুনতে পারি, অর্থাৎ গণনার জন্য যেসব সংখ্যা ব্যবহৃত হয় তাদের স্বাভাবিক সংখ্যা বলে। যেমন- 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10, 11, 12, ........ ইত্যাদি। স্বাভাবিক সংখ্যাকে আমরা দুইভাগে ভাগ করতে পারি।  যেমন - ক) মৌলিক সংখ্যা এবং খ) যৌগিক সংখ্যা। মৌলিক সংখ্যা কাকে বলে? যে সব স্বাভাবিক সংখ্যা এক এবং সেই স্বাভাবিক সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য হলেও অন্য কোনো স্বাভাবিক সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় ত

ফেচ কাকে বলে?

ফেচ কাকে বলে? উন্মুক্ত সমুদ্রে বাতাস বাধাহীনভাবে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ফেচ বলে। ফেচের উপর সমুদ্র তরঙ্গের শক্তি নির্ভর করে।

আদিবাসী কাকে বলে?

আদিবাসী কাকে বলে? আদিবাসী হলো তারা যারা একটি নির্দিষ্ট রাষ্ট্রে বংশানুক্রমে বসবাস করছে বা অধিকৃত হওয়া ও উপনিবেশ সৃষ্টির শুরু থেকে বসবাস করছে। এবং যারা তাদের কিছু বা সকল নিজস্ব সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আইনগত অধিকার ও প্রতিষ্ঠানসমূহ ধরে রাখে। আদিবাসী যারা যারা তাদের নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কিছু বা সমস্ত ধারণ করে থাকে তাদের মধ্যে অ-আদিবাসী ধর্ম ও সংস্কৃতির আগমণ বা বর্তমান রাষ্ট্রীয় সীমানা প্রতিষ্ঠার সময়ে তখন দেশটিতে বসবাসকারী জনসংখ্যা থেকে তাদের বংশের ভিত্তিতে আদিবাসীদের অন্তর্ভূক্ত হতে পারে। স্থান ও কালের সীমানা কিভাবে বেঁধে দেওয়া হচ্ছে, তার উপরই নির্ভর করছে কোন্ প্রেক্ষিতে কাদের আমরা 'আদিবাসী' বলতে পারি। আরো পড়ুনঃ উৎপাদন ব্যয় কাকে বলে? প্রাক্কলিত নগদানপ্রবাহ বিবরণী কী? সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে? মূলধন বাজেট কাকে বলে? ক্রেতা ভ্যালু কি? যৌথ পরিবার কাকে বলে?

সোয়ালো হোল কাকে বলে? সোয়ালো হোল সৃষ্টির কারণ | সোয়ালো হোল এর বৈশিষ্ট্য

সোয়ালো হোল কাকে বলে? দ্রবণজনিত ক্ষয়কার্যের ফলে সিঙ্কহোলগুলি আরও প্রসারিত হলে সিঙ্কহোলের উপরে অবস্থিত মৃত্তিকার আবরণ ধ্বসে পড়ে। এছাড়া একাধিক সিঙ্কহোল পরস্পর যুক্ত হয়ে সৃষ্টি হওয়া অপেক্ষাকৃত বড় গর্ত যার মধ্য দিয়ে বৃষ্টির জল ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করে তাকে সোয়ালো হোল বলে। সোয়ালো হোল সৃষ্টির কারণ কার্বনিক এসিড মিশ্রিত বৃষ্টির জলের সঙ্গে দ্রবণ কার্যের ফলে সিঙ্কহোলের ছাদ ধ্বসে গিয়ে এবং সিঙ্কহোলের আকার বর্ধিত হয়ে সোয়ালো হোল গঠন করে। সোয়ালো হোল এর বৈশিষ্ট্য ১) আকৃতিঃ শঙ্কু আকৃতির হয়। গর্তের ভূ-পৃষ্ঠের দিকের অংশ প্রসারিত এবং নিচের দিকে সংকীর্ণ হয়। ২) গভীরতাঃ ৩০ - ৫০ মিটার গভীরতা যুক্ত হয়। ৩) নদীর অনুপ্রবেশঃ সোয়ালো হোলের মধ্য দিয়ে নদী ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। আরো পড়ুনঃ উৎপাদনের ধারণা | উৎপাদনের গুরুত্ব | উৎপাদনের আওতা উৎপাদনশীলতা | উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব উৎপাদন উপকরণের ধারণা  ভূমির ধারণা | ভূমির বৈশিষ্ট্য | ভূমির গুরুত্ব  শ্রমের ধারণা | শ্রমের বৈশিষ্ট্য | শ্রমের প্রকারভেদ | শ্রমের গুরুত্ব

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য ১) এটি সব সময় ব্যবহার করা যায়। ২) নিজস্ব কোনো হার্ডওয়্যার প্রয়োজন হয় না। ৩) স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট হয়। ৪) এটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুতগতিসম্পন্ন। ৫) অধিক নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ। ৬) বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শেয়ার করা যায়। ৭) সমতুল্য শক্তিসম্পন্ন হার্ডওয়্যার কিনতে খরচ বেশি পড়ে। ৮) যেকোনো ছোট বা বড় যন্ত্রের মধ্য দিয়ে প্রয়োগের সুবিধা আছে। ৯) অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস সঠিক কম্পিউটারকে আওতাভুক্ত করে। ১০) এটি নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা সহজ। আরো পড়ুনঃ পাবলিক নেটওয়ার্ক কাকে বলে? প্রাইভেট নেটওয়ার্ক কাকে বলে? টপোলজি কাকে বলে? তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কাকে বলে? ক্লাউড কম্পিউটিং এর শ্রেণিবিভাগ

ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সুবিধা

ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সুবিধা ক্লাউড কম্পিউটিং-এর অনেক ধরনের সুবিধা বিদ্যমান। নিচে সুবিধাসমূহ উল্লেখ করা হলো- ১) ক্লাউড কম্পিউটিং এর কাজগুলো যেকোনো স্থানে বসে ল্যাপটপ বা মোবাইলের মাধ্যমে কন্ট্রোল করা যায়। ২) ক্লাউড কম্পিউটিং এর সফটওয়্যারগুলো আপডেট করার প্রয়োজন নেই। এগুলো অটো আপডেট হয়ে থাকে। ৩) যেহেতু আলাদা সফটওয়্যার কেনার প্রয়োজন নেই তাই স্বাভাবিকভাবেই খরচ কম হয়। ৪) ক্লাউড কম্পিউটিং যতটুকু ব্যবহার করা হবে ঠিক ততটুকু খরচ প্রদান করতে হবে। ৫) কোনো একটি অফিসে ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহার করা না হলে সে অফিসের ডকুমেন্টসমূহ কন্ট্রোল করতে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার জন্য বাড়তি লোকের প্রয়োজন হবে। কিন্তু ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে এ ধরনের কোনো সমস্যা নেই। অতিরিক্ত লোক ছাড়াই সব ডকুমেন্ট কন্ট্রোল করা যায়। ৬) ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পূর্ণ নিরাপদ। কারণ এতে কোন ডেটা হারানো বা নষ্ট হওয়ার কোনো ভয় নেই। যেকোনো উপায়ে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বা হার্ডডিস্ক নষ্ট হতে পারে বা হারিয়ে যেতে পারে। কিন্তু ক্লাউড কম্পিউটিং এ ধরনের সমস্যা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। ৭) এ প্রযুক্তিতে স্টোরেজ, মেমোরি, প্রসেসিং এবং ব্যান্ড উইডথ অনেক বেশি কা

নতুন পোষ্টসমূহ

সর্বাধিক পঠিত পোষ্টসমূহ

স্থানীয় মান কাকে বলে?

সমকোণ কাকে বলে?

ট্রাইট্রেশন কাকে বলে?

জনমত কি? জনমত কাকে বলে? জনমত বলতে কি বুঝ? জনমতের সংজ্ঞা, জনমত গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকা

পণ্যের জীবনচক্র কাকে বলে? পণ্যের জীবনচক্রের বৈশিষ্ট্য

প্রকৃত মান কাকে বলে?

প্রকল্প কাকে বলে? প্রকল্পের বৈশিষ্ট্য কী কী? উদ্যোক্তা কিভাবে প্রকল্প নির্বাচন করেন? প্রকল্প নির্বাচনে জনসংখ্যাকে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক বলা হয় কেন?

গুণনীয়ক কাকে বলে?

সংখ্যা কাকে বলে? সংখ্যা কত প্রকার ও কি কি?

গুণিতক কাকে বলে?