পোস্টগুলি

নতুন পোষ্ট

ব্যবসায় উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য

ব্যবসায় উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য ব্যবসায় উদ্যোগের ধারণা বিশ্লেষণ করলে যে সকল বৈশিষ্ট্য ও কার্যাবলি লক্ষ করা যায় তা হলোঃ ১) এটি ব্যবসায় স্থাপনের কর্ম উদ্যোগ। ব্যবসায় স্থাপন সংক্রান্ত সকল কর্মকাণ্ড সফলভাবে পরিচালনা করতে ব্যবসায় উদ্যোগ সহায়তা করে। ২) ঝুঁকি আছে জেনেও লাভের আশায় ব্যবসায় পরিচলনা। ব্যবসায় উদ্যোগ সঠিকভাবে ঝুঁকি পরিমাপ করতে এবং পরিমিত ঝুঁকি নিতে সহায়তা করে। ৩) ব্যবসায় উদ্যোগের ফলাফল হলো একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। এর মানে হলো ব্যবসায় উদ্যোগ সম্পর্কে ধারণা কোনো চিন্তা-ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করে। ৪) ব্যবসায় উদ্যোগের অন্য একটি ফলাফল হলো একটি পণ্য বা সেবা। ৫) ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটি সফলভাবে পরিচালনা করা। ৬) নিজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে একজন উদ্যোক্তা নিজের উপার্জনের ব্যবস্থা করতে পারেন। ৭) অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগ মালিকের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন। ৮) নতুন সম্পদ সৃষ্টি করা ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে যেমন মানবসম্পদ উন্নয়ন হয় তেমনি মূলধনও গঠন হয়।  ৯) সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতি

প্রজনন কাকে বলে? প্রজনন কত প্রকার ও কি কি?

ছবি
প্রজনন কাকে বলে? প্রজনন হচ্ছে জীবের বংশধর সৃষ্টির প্রক্রিয়া। অর্থাৎ যে প্রক্রিয়ায় কোনো জীব তার বংশধর সৃষ্টি করে তাকেই প্রজনন বলে। প্রজননের প্রকারভেদ প্রজনন প্রধানত দুই প্রকার। যথাঃ ১) অযৌন প্রজনন ও ২) যৌন প্রজনন। ১) অযৌন প্রজনন কাকে বলে? অযৌন জনন প্রক্রিয়ায় একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির কোন জীব একই প্রজাতির অপর একটি জীবের সংশ্লিষ্টতা ছাড়াই প্রজনন করতে সক্ষম হয়। একটি এককোষী ব্যাকটেরিয়া বিভাজিত হয়ে দুটি নতুন ব্যাকটেরিয়া কোষ উৎপন্ন হওয়া অযৌন প্রজননের একটি উদাহরণ। তবে অযৌন প্রজনন শুধু একাকোষী জীবেই সীমাবদ্ধ নয়। অধিকাংশ উদ্ভিদই অযৌন প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করতে পারে এবং মাইকোসেপাস স্মিথি নামক প্রজাতির পিঁপড়া অযৌন প্রক্রিয়ায় পূর্ণাঙ্গ প্রজনন ঘটাতে পারে বলে ধারণা করা হয়। অ্যামিবার দ্বিবিভাজন প্রক্রিয়া অযৌন প্রজননের একটি উদাহরণ, এছাড়া জেলীফিশ এবং কিছু পতঙ্গ নিষেক ব্যতিরেকে অসংখ্য ডিম পাড়তে পারে যা অযৌন প্রজনন প্রক্রিয়ার অন্তর্ভূক্ত। ২) যৌন প্রজনন কাকে বলে? যৌন জননের জন্য একই প্রজাতির পরস্পর বিপরীত লিঙ্গের দুটি জীবের সংশ্লিষ্টতার প্রয়োজন হয়। এছাড়া ক্লোনিং পদ্ধতিতেও জীবের বংশবিস্তার ঘটানো যায়। অধিকাং

উপসর্গ কাকে বলে?

উপসর্গ কাকে বলে? বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। এগুলো শব্দের আগে বসে অর্থের পরিবর্তন করে। যেসব অব্যয়সূচক শব্দাংশ শব্দের আগে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় সেগুলোকে উপসর্গ বলে। যেমনঃ প্র+বাদ= প্রবাদ, অপ+কার=অপকার, অধি+কার=অধিকার, আ+কার=আকার ইত্যাদি। এখানে, বাদ-এর সঙ্গে 'প্র' যোগ হয়ে প্রবাদ হয়েছে। কার-এর সঙ্গে অপ, অধি ও আ যোগ হয়ে যথাক্রমে অপকার, অধিকার ও আকার হয়েছে। আরো পড়ুনঃ স্বাস্থ্য শিক্ষা কাকে বলে? পরিভাষা কাকে বলে? শৃঙ্খলা কাকে বলে? শৃঙ্খলা বিধান কাকে বলে? নেতিবাচক শিক্ষা কাকে বলে? শিক্ষাক্রম কি? শিক্ষাক্রম কাকে বলে?  

চার্জ বা আধান কাকে বলে?

চার্জ বা আধান কাকে বলে? অ্যাম্বারকে রেশমী কাপড় দিয়ে ঘর্ষণ করলে এতে চার্জ বা আধান উৎপন্ন হয়। ঘর্ষণের ফলে কোন বস্তুতে যার উপস্থিতিতে বস্তু দ্বারা ছোট ছোট হালকা বস্তু বা কণা আকর্ষিত হওয়ার শক্তির সঞ্চার হয় তাকে চার্জ বা আধান বলে। চার্জের প্রবাহের ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহের সৃষ্টি হয়। আরো পড়ুনঃ অ্যাম্পিয়ার কাকে বলে? সীবেক ক্রিয়া কাকে বলে? ক্যাথোড কাকে বলে? তড়িৎ চৌম্বক বল কাকে বলে? একটি বৈদ্যুতিক পাওয়ার স্টেশনের ক্ষমতা 200 MW বলতে কি বুঝ? সমন্বিত বর্তনী কাকে বলে?

তড়িৎ এর প্রকারভেদ

তড়িৎ এর প্রকারভেদ তড়িৎ দুই প্রকার। যথাঃ ১) স্থির তড়িৎ এবং ২) চল তড়িৎ। ১) স্থির তড়িৎঃ তড়িৎ যখন কোন বস্তুতে আবদ্ধ থাকে এবং প্রবাহিত হয় না তখন তাকে স্থির তড়িৎ বলে। ২) চল তড়িৎঃ তড়িৎ যখন কোন বস্তুর মধ্য দিয়ে চলাচল করে বা প্রবাহিত হয় তখন তাকে চল তড়িৎ বলে। আরো পড়ুনঃ অ্যাম্পিয়ার কাকে বলে? সীবেক ক্রিয়া কাকে বলে? ক্যাথোড কাকে বলে? তড়িৎ চৌম্বক বল কাকে বলে? একটি বৈদ্যুতিক পাওয়ার স্টেশনের ক্ষমতা 200 MW বলতে কি বুঝ? সমন্বিত বর্তনী কাকে বলে?

স্থির তড়িৎ কাকে বলে?

স্থির তড়িৎ কাকে বলে? খ্রিস্টের জন্মের ৬০০ বছর আগে থেকেই গ্রীকদের জানা ছিল যে, অ্যাম্বারকে রেশমী কাপড় দিয়ে ঘষলে অ্যাম্বার ছোট ছোট বস্তুকণা (যেমন, কাঠের গুড়া) কে আকর্ষণ করার গুণ অর্জন করে। একইভাবে চিরুণী দিয়ে শুস্ক চুল আঁচড়িয়ে ছোট ছোট কাগজের টুকরার কাছে নিলে টুকরাগুলো আকৃষ্ট হয়। এ গুণ শুধু অ্যাম্বার বা চিরুনীতে উৎপন্ন হয় তা নয়, অনেক বস্তুতেই হয়। ঘষার ফলে অ্যাম্বার বা চিরুনীতে এক ধরনের অদৃশ্য শক্তির সঞ্চার হয়। এ অদৃশ্য শক্তিকেই তড়িৎ বলে। গ্রীক ভাষায় অ্যাম্বারকে ইলেকট্রন বলে। এই ইলেকট্রন থেকে ইলেকট্রিসিটি শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। আরো পড়ুনঃ তাপ-তড়িৎ থার্মোমিটার কাকে বলে? তড়িৎ চৌম্বক বল কাকে বলে? দুর্বল নিউক্লিয় বল কাকে বলে? সমন্বিত বর্তনী কাকে বলে? তড়িৎ শক্তি কাকে বলে?

ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া বলতে কি বুঝ?

ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া বলতে কি বুঝ? কোনো কাজে ব্যর্থ হলে তার কারণ নির্ণয় করে পরবর্তী সময়ে একই কাজের জন্য ভুল সংশোধন করাকে ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া বলে। এটি উদ্যোক্তার একটি অন্যতম গুণ। একজন উদ্যোক্তা লক্ষ্য অর্জনে নিরলস চেষ্টা করেন। কোনো কারণে ব্যর্থ হলে ব্যর্থতার কারণ খুঁজে বের করে তা সংশোধন করেন। ফল অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত উদ্যোক্তা অবিরাম শ্রম দিয়ে যান। যে কারণে ভুল বা ব্যর্থ হয়েছেন। তার যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেটাই হলো ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া। তাই বলা যায়, উদ্যোক্তার বিফলতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতাই হলো ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া। আরো পড়ুনঃ চাকরির বিকল্প পেশা হিসেবে আত্মকর্মসংস্থানকে বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর। চাকরি কি? ব্যবসায়ের দ্রুত উন্নতিতে সঠিক পণ্য নির্বাচন বিষয়টি ভূমিকা রাখে কিভাবে? আত্মকর্মসংস্থানের একটি বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর। উদ্যোক্তার প্রশিক্ষণ কেন প্রয়োজন?

আত্মকর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা

আত্মকর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা কর্মসংস্থানকে প্রধানত তিনভাগে ভাগ করা যায়। মজুরি বা বেতনভিত্তিক চাকরি, আত্মকর্মসংস্থান ও ব্যবসায়। কর্মসংস্থানের প্রধান উৎস সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে শ্রমজীবী ও চাকরিজীবী লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। কর্মসংস্থানের চাহিদা যে হারে বৃদ্ধি পায় সে হারে কর্মসংস্থানের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় না। অন্যান্য পেশায় আয়ের সম্ভাবনা সীমিত। কিন্তু আত্মকর্মসংস্থান থেকে প্রাপ্ত আয় প্রথমদিকে সীমিত ও অনিশ্চিত হলেও পরবর্তীতে এ পেশা থেকে আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা অসীম। বর্তমানে আত্মকর্মসংস্থানের আওতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের তুলনায় বর্তমানে আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। আত্মকর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় মূলধন হলো নিজের দক্ষতা। কর্ম সম্পাদনের জন্য যে যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল প্রয়োজন তার অর্থসংস্থান করাও অনেকটা সহজ। আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত থাকলে তরুন সমাজ নানা সমাজ বিরোধী কাজে লিপ্ত না থেকে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে। বাংলাদেশের জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় এখানে মজুরি অনেক কম। আবার আমাদেরে দেশে মৌসুমী বেকারত্বের সমস্যাও প্রকট। এসকল

অন্যরা যা পড়ছেন...

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার লিখ।

সর্বাধিক পঠিত পোষ্ট সমূহ

গণতন্ত্র কাকে বলে? গণতন্ত্রের প্রকারভেদ ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার লিখ।

চার্জ বা আধান কাকে বলে?

ব্যবস্থাপনা কাকে বলে?

এস.এস.সি পরীক্ষার বোর্ড প্রশ্ন ২০২০

পরিসংখ্যান কাকে বলে?

সন্নিহিত কোণ কাকে বলে?