পোস্ট

রেখাংশ কাকে বলে?

ছবি
বিষয়বস্তুঃ রেখাংশ কাকে বলে? রেখাংশের প্রকারভেদ বদ্ধ রেখাংশ খোলা রেখাংশ অর্ধ-খোলা রেখাংশ রেখাংশ কাকে বলে? প্রকৃতপক্ষে রেখা হলো কতগুলো বিন্দু সমষ্টি। রেখার সীমাবদ্ধ অংশকে রেখাংশ বলে। রেখাংশ হলো রেখার একটি সসীম অংশ যার দুইটি প্রান্তবিন্দু আছে। একটি রেখার উপর দুইটি ভিন্ন বিন্দু হলে ঐ বিন্দু দুইটিসহ তাদের অন্তর্বতী সকল বিন্দুর সেটকে বিন্দু দুইটির সংযোজক রেখাংশ বলে। একটি রেখা হলো কতকগুলো বিন্দুর সেট যে বিন্দুগুলো উভয়দিকে একদম সোজা বরাবর অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে AB হলো রেখাংশ। রেখাংশের প্রকারভেদ রেখাংশকে সাধারণভাবে নিম্নরূপে ভাগ করা যায়। যথাঃ বদ্ধ রেখাংশ খোলা রেখাংশ অর্ধখোলা রেখাংশ

প্রেম কাকে বলে?

প্রেম হলো ভালোবাসার সাথে সম্পর্কিত একটি উত্তেজনাপূর্ণ, যৌনতাপূর্ণ এবং রহস্যময় অনুভূতি। এটি হলো কোনো ব্যক্তির প্রতি যৌন আকর্ষণের সাথে সম্পর্কিত কোনো আবেগীয় আকর্ষণ হতে উদ্বুদ্ধ একটি বহিঃপ্রকাশমূলক ও আনন্দঘন অনুভূতি।  মনোবিজ্ঞানী চার্লস লিন্ডহোমের সংজ্ঞানুযায়ী প্রেম হলো, "একটি প্রবল আকর্ষণ যা কোনো যৌন আবেদনময় দৃষ্টিকোণ হতে কাণ্ডকে আদর্শ হিসেবে তুলে ধরে, এবং যাতে তা ভবিষ্যতে দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার মনোবাসনাও অন্তর্ভূক্ত থাকে। প্রেমের সম্পর্কে যৌনতার তুলনায় ব্যক্তিগত আবেগ অনুভূতি অধিক গুরুত্বের অধিকারী হয়।

তুমি একটি লিফটের ভেতর ওজন মাপার যন্ত্রের উপর দাঁড়িয়ে আছো। লিফটের ক্যাবল ছিঁড়ে গেল। তোমার ওজন কত দেখাবে?

আমার ওজন শূন্য দেখাবে। লিফটের ক্যাবল ছিড়ে গেলে, আমি, লিফট ও ওজনমাপক যন্ত্র সবই একই ত্বরণে নিচের দিকে নামতে থাকবো। এক্ষেত্রে ওজনমাপক যন্ত্রের উপর আমার প্রযুক্ত বল হবে শূন্য। একারণে লিফটের ক্যাবল ছিঁড়ে গেলে ওজন মাপক যন্ত্রে আমার ওজন শূন্য দেখাবে।

চলন্ত ট্রেন নামার চেষ্টা করলে তুমি কেন সামনের দিকে আছাড় খেয়ে পড়?

গতি জড়তার কারণে চলন্ত ট্রেন নামার চেষ্টা করলে আমি সামনের দিকে আছাড় খেয়ে পড়বো। চলন্ত ট্রেনে থাকা অবস্থায় আমার শরীরের পুরোটাই গতিশীল থাকে। কিন্তু যখন আমি চলন্ত ট্রেন থেকে নামার জন্য মাটিতে পা দিই, তখন আমার শরীরের নিচের অংশ স্থির হয়ে যায়। কিন্তু গতি জড়তার কারণে শরীরের ওপরের অংশ তখনো সামনের দিকে গতিশীল থাকে। এ কারণে আমি চলন্ত ট্রেন থেকে নামার চেষ্টা করলে সামনের দিকে আচাড় খেয়ে পড়বো।

সন্ধি কাকে বলে?

সন্ধি কাকে বলে? সন্ধিকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায় -  সন্ধি শব্দটির বিশ্লেষিত রুপ  সম + √ ধি + ই । অর্থাৎ সমদিকে ধাবিত হওয়া বা মিলিত হওয়াকে সন্ধি বলে। পরস্পর সন্নিহিত দু' বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। যেমন : সন্ধ্যান = সম্ + ধান। বাংলা ব্যকারণ মতে, দুটি শব্দের মধ্যে প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি এবং দ্বিতীয় শব্দের প্রথম ধ্বনি এবং দ্বিথীয় শব্দের প্রথম ধ্বনি যদি একইভাবে উচ্চারিত হয় বা তাদের উচ্চারণ প্রায় কাছাকাছি হয় তবে ধ্বনিদ্বয় পরস্পর সংযুক্ত হওয়া অর্থাৎ শব্দ দুটি মিলিত হয়ে এক শব্দে পরিণত হওয়াকে সন্ধি বলে। এক কথায়, সন্নিহিত দুটি বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। যেমন - বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এখানে, বিদ্যা ও আলয় শব্দদ্বয় মিলিত হয়ে বিদ্যালয় শব্দটি গঠন করেছে। সন্ধ্যান = সম্ + ধান। সন্ধির উদ্দেশ্য সন্ধির উদ্দেশ্য হলো - বাক্যকে সুন্দর, প্রাঞ্জল ও সহজবোধ্য করা। নতুন শব্দ তৈরি করা। শব্দকে সংক্ষেপ করা। বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করা। উচ্চারণে স্বাচ্ছন্দ্য আসে। ধ্বনিগত মাধুর্য্য রক্ষা করা। প্রকারভেদ সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার। যথাঃ বাংলা সন্ধি এবং তৎসম সন্ধি বাংলা সন্ধি দুই প্রকার। যথাঃ স্বরসন্ধি এবং  ব্যঞ্জনসন্ধি

তথ্য কাকে বলে?

তথ্য সংজ্ঞা পরিসংখ্যানের ভাষায়, সুশৃঙ্খল বিন্যস্ত উপাত্তের সমষ্টিকে তথ্য বলে যা বিশ্লেষণ করে যুক্তিপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়। বিভিন্ন উপাত্ত প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিচালন এবং সংঘবদ্ধকরণের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফলকে তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা মানুষের মস্তিষ্কে প্রেরণ করা হলে তার জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। এক বা একাধিক ডেটা প্রক্রিয়াকরণের পর যে অর্থপূর্ণ ফলাফল পাওয়া যায় তাকে তথ্য বলে। অর্থাৎ তথ্য একটি সমন্বিত ধারণা। যা সরাসরি ব্যবহার করা যায়।

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে?

ছবি
আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোক রশ্মি এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তীর্যকভাবে প্রবেশ করলে দুই মাধ্যমের বিভদতলে এর দিক পরিবর্তন হয়। আলোকরশ্মির এই দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। আলোকরশ্মি বিভেদ তলের যে বিন্দুতে আপতিত হয়ে দ্বিতীয় মাধ্যমে প্রবেশ করে সে বিন্দুকে আপতন বিন্দু বলে। আপতন বিন্দুতে বিভেদ তলের উপর অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে।  আলোকরশ্মি আলোর সাপেক্ষে হালকা মাধ্যম (বায়ু) থেকে আলোর সাপেক্ষে ঘন মাধ্যম (পানি) এ প্রবেশ করলে অভিলম্বের দিকে সরে যায়, আবার ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করলে অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।

পরিবেশ কাকে বলে?

পরিবেশ এর সংজ্ঞা পরিবেশ হলো এমন একটি জিনিস যা আমাদের পারিপার্শ্বিকতা তৈরি করে এবং পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য আমাদেরকে ক্ষমতা প্রদান করে। আমাদের চারপাশের গাছপালা, পশুপাখি, জীবজন্তু, মাটি, পানি, বায়ু, সূর্যের আরো, বন্ধু-বান্ধব এসব মিলিয়েই তৈরি হয় পরিবেশ । আমাদের চারপাশে যা কিছু আচে তা নিয়েই তৈরি হয় আমাদের পরিবেশ । পরিবেশের উপাদানসমূহ পরিবেশের উপাদানগুলো হলো - গাছপালা, নদী-নালা, খাল-বিল, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, জল, সূর্য, মাটি, বায়ু, নৌকা, পশু-পাখি, বিদ্যালয়, দালান-কোঠা ইত্যাদি তথা আমাদের চারপাশের সকল কিছুই পরিবেশের অংশ। পরিবেশের শ্রেণিবিভাগ উপাদান অনুযায়ী পরিবেশকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ ১। প্রাকৃতিক পরিবেশ ২। মানুষের তৈরি পরিবেশ বা কৃত্রিম পরিবেশ। ১। প্রাকৃতিক পরিবেশ আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তা নিয়েই তৈরি হয় প্রাকৃতিক পরিবেশ। যেমন - গাছপালা, পশুপাখি, মাটি, বায়ু, পানি ইত্যাদি। মানুষ বেঁচে থাকার জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্ভরশীল। ২। মানুষের তৈরি পরিবেশ বা কৃত্রিম পরিবেশ মানুষ নিজের ইচ্ছা মতো সাজিয়ে নিজের মতো করে যে পরিবেশ তৈরি করে, তাকেই মানুষের তৈরি পরিবেশ বা কৃত্রিম পরিবেশ বলে। যে

ইন্টারনেট কাকে বলে?

ইন্টারনেট এর সংজ্ঞা ইন্টারনেট হলো পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।  বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনেকগুলো নেটওয়ার্কের সমন্বিত ব্যবস্থার নামই  ইন্টারনেট । অনেক গুলো কম্পউটার এক সাথে যুক্ত করে একটি নেটওয়ার্ক এর সাথে যুক্ত করে আর একটি নেটওয়ার্ক এর সাথে যুক্ত করাই হলো ইন্টারনেট । তাই একে ইন্টারনেটওয়ার্কিং ও বলা হয়। ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের এমন একটি বিশাল জাল, যেটা পুরো বিশ্বের কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সাথে পরস্পরে সংযুক্ত হয়ে আছে এবং এই কম্পিউটার নেটওয়ার্ক পরস্পরে একে আরেকটি ডিভাইসের সাথে বিশ্বব্যাপী লিংক বা কানেক্ট হওয়ার জন্য Internet protocol suite(TCP/IP) ব্যবহার করেন। ইন্টারনেট এর প্রকাভেদ ইন্টারনেট সংযোগ দুই প্রকার। যথাঃ ১। অনলাইন (Online) ২। অফলাইন (Offline)

জাবেদা কাকে বলে?

জাবেদার সংজ্ঞা কোন লেনদেন সংগঠিত হওয়ার পর তা সমান অংকের ডেবিট ও ক্রেডিট বিশ্লেষণ করে তারিখের ক্রমানুসারে সংক্ষিপ্ত ব্যাখা সহকারে প্রাথমিক ভাবে যে হিসাবের বইতে লিপিবদ্ধ করা হয় তাকে জাবেদা বলে। হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থাপনায় জাবেদা হলো হিসাবের প্রাথমিক বই, যেখানে আর্থিক লেনদেন সমূহ সংগঠিত হওয়ার পর তারিখ অনুযায়ি হিসাবের বইতে সংরক্ষণ করা হয়। জাবেদা হচ্ছে হিসাবচক্রের প্রথম স্তর। হিসাব নিকাশের যে প্রাথমিক বইতে দৈনন্দিন সংঘটিত লেনদেনসমূহ চিহ্নিত করে ডেবিট ক্রেডিটে বিশ্লেষণ করে তারিখের ক্রমানুসারে প্রতিদিন লিপিবদ্ধ করা হয় তাকে জাবেদা বলে। ব্যবসায় এর উপর ভিত্তি করে অ্যাকাউন্টিং তথ্য ব্যবস্থায়, রেকর্ড পালনের জন্য বিশেষ জাবেদা ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন: ক্রয় জাবেদা, বিক্রয় জাবেদা, সমন্বয় জাবেদা ইত্যাদি। জাবেদার সাধারণ শ্রেণিবিভাগ বিশেষ জাবেদা সাধারণ জাবেদা

Popular

জবাবদিহিতা কাকে বলে?

বিশ্ব উষ্ণায়ন কাকে বলে?

এস.এস.সি পরীক্ষার বোর্ড প্রশ্ন ২০১৫

মিথোজীবিতা ও মিথোজীবী কাকে বলে?

শিখা পরীক্ষায় গাঢ় HCl ব্যবহার করা হয় কেন?

পরাবৈদ্যুতিক ধ্রুবক কি?

কোষপ্লেট কী?