সাইনোভিয়াল তরল কি?

দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থলকে অস্থিসন্ধি বলে। প্রতিটি সন্ধির অস্থি প্রান্তগুলো একপ্রকার সরু দড়ির ন‍্যায় বন্ধনী অর্থাৎ লিগামেন্ট দ্বারা দৃঢ় ভাবে সংলগ্ন থাকে যাতে অস্থিগুলি সন্ধিস্থল হতে বিচ‍্যুত না হয়।  আবার প্রতিটি সন্ধি একটি মসৃণ বহিরাবরণ দ্বারা আবৃত থাকে। ওই বহিরাবরণের ভিতর দিক সাইনোভিয়াল মেনব্রেন দ্বারা আবৃত থাকে। ওই সাইনোভিয়াল মেনব্রেন থেকে এক প্রকার তরল ক্ষরিত … Read more

জীবনীশক্তি ও ATP-এর ভূমিকা

জীবনীশক্তি বা জৈবশক্তি (bioenergy) বলতে আমরা ভিন্ন বা বিশেষ কোনাে শক্তিকে বুঝাই না। পদার্থবিজ্ঞানে শক্তির যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তা থেকে, এটি আলাদা কিছু নয়, শুধু জীবদেহ বা জৈব অণুর রাসায়নিক বন্ধন ছিন্ন করার মাধ্যমে প্রাপ্ত শক্তিকে এই নামে ডাকা হয় মাত্র। জীব প্রতিনিয়ত পরিবেশ থেকে শক্তি সংগ্রহ করে, সংগৃহীত শক্তিকে একরূপ থেকে অন্যরূপে পরিবর্তিত … Read more

সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ কাকে বলে?

যেসব উদ্ভিদের দেহ অত্যন্ত সরল প্রকৃতির এবং যাদের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় সুনির্দিষ্টভাবে বিভক্ত করা যায় না, তাদের সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ বা থ্যালাফাইট বলা হয়। এদের দেহে কোনো পরিবহন কলা (Vascular tissue) থাকে না এবং এরা সাধারণত এককোষী বা বহুকোষী নরম গঠনবিশিষ্ট হয়ে থাকে। এদের জননাঙ্গ সাধারণত এককোষী এবং ভ্রূণ সৃষ্টি হয় না। উদাহরণ ও … Read more

আত্মঘাতী থলি কাকে বলে?

কোষের লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলি বা ‘সুইসাইডাল ব্যাগ’ বলা হয়। লাইসোজোমের ভেতরে অত্যন্ত শক্তিশালী পরিপাককারী এনজাইম থাকে যা সাধারণত কোষের ভেতরে আসা বহিরাগত জীবাণু বা অপ্রয়োজনীয় অংশগুলোকে ধ্বংস করে। তবে কোনো কারণে কোষ যখন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, রোগাক্রান্ত বা বৃদ্ধ হয়, তখন লাইসোজোমের আবরণী পর্দাটি ফেটে যায় এবং এর ভেতরের এনজাইমগুলো বের হয়ে আসে। এই এনজাইমগুলো তখন … Read more

সাইটোপ্লাজমের কাজ

কোষের কোষঝিল্লি দিয়ে ঘেরা এবং নিউক্লিয়াসের বাইরে অবস্থিত জেলির মতো অর্ধতরল অংশটিই হলো সাইটোপ্লাজম। কোষের প্রাণশক্তি বজায় রাখতে এর ভূমিকা অপরিসীম। সাইটোপ্লাজমের প্রধান কাজগুলো নিচে আলোচনা করা হলোঃ সাইটোপ্লাজমের কাজ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলোঃ ১. কাঠামোগত ও ধারক কাজ ২. বিপাকীয় ও রাসায়নিক বিক্রিয়া ৩. পরিবহন ও সঞ্চালন ৪. সংশ্লেষণ ও শক্তি উৎপাদন ৫. সুরক্ষা … Read more

সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কাকে বলে?

সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কাকে বলে? সাইটোপ্লাজমের অভ্যন্তরে অবস্থিত কোষের বিভিন্ন জৈবনিক ক্রিয়াকলাপের সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত সজীব বস্তুকে একত্রে সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু বলে। একটি আদর্শ জীবকোষে সাধারণত যেসব অঙ্গাণু দেখা যায় সেগুলো হলো –

রাইবোজোম কাকে বলে? রাইবোজোমের কাজ

রাইবোজোম কাকে বলে? কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত ক্ষুদ্র দানাময় “রাইবোনিউক্লিও-প্রোটিন” কণা যা প্রোটিন সংশ্লেষণের স্থান হিসেবে কাজ করে, তাকে রাইবোজোম বলে।  রোমানিয়ান কোষবিজ্ঞানী জর্জ প্যালেড ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে এটি আবিষ্কার করেন এবং নাম দেন রাইবোনিউক্লিয়ার প্রোটিন।  পরে বিজ্ঞানী রিচার্ড বি. রবার্টস ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে এর নাম দেন Ribosome যা ribonucleoprotein particle of microsomes-এর শব্দ সংক্ষেপ। রাইবোজোমের কাজ

error: Content is protected !!