পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য

পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্যপদার্থবিজ্ঞান (Physics) হলো বিজ্ঞানের সেই প্রাচীন এবং মৌলিক শাখা যা প্রধানত বস্তু (Matter) এবং শক্তি (Energy) এবং এদের মধ্যকার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে। এই মহাবিশ্ব কীভাবে কাজ করে, তা গভীরভাবে বোঝাই হলো পদার্থবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য। পদার্থবিজ্ঞানের প্রধান উদ্দেশ্যগুলোকে নিচে আলোচনা করা হলো: ১. প্রকৃতির মৌলিক নিয়মগুলো আবিষ্কার করা মহাবিশ্বের একদম ক্ষুদ্রতম কণা (যেমন: … Read more

কারেন্ট কাকে বলে? প্রকারভেদ, এসি ও ডিসি কারেন্ট

কারেন্ট কাকে বলে? পরিবাহীর যেকোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে মুক্ত ইলেকট্রন বা তড়িৎ আধান সমূহের প্রবাহিত হওয়াকে কারেন্ট বলা হয়। অন্যভাবে, পরিবাহীর ভেতর দিয়ে ইলেকট্রন প্রবাহের হারকে কারেন্ট বলে।  ইহাকে I দ্বারা প্রকাশ করা হয়, এর একক অ্যাম্পিয়ার (A)। কারেন্ট এর প্রকারভেদ কারেন্ট দুই প্রকার। যথাঃ ১) এসি কারেন্ট এবং ২) ডিসি কারেন্ট। এসি কারেন্ট কাকে … Read more

বেগ কাকে বলে?

পদার্থবিজ্ঞানে বেগ বলতে কোনো নির্দিষ্ট দিকে সময়ের সাথে বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনের হারকে বোঝায়। এটি একটি ভেক্টর রাশি, অর্থাৎ এর মান এবং দিক উভয়ই আছে। গাণিতিকভাবে, সরণকে সময় দিয়ে ভাগ করলে বেগ পাওয়া যায়: v = s / tএখানে v হলো বেগ, s হলো সরণ এবং t হলো সময়। কেবল দ্রুতির সাথে একটি নির্দিষ্ট দিক যুক্ত … Read more

চার্জ কাকে বলে?

পদার্থের যে মৌলিক ও বৈশিষ্ট্যমূলক ধর্মের কারণে এটি তড়িৎচৌম্বকীয় ক্ষেত্রের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে এবং অন্য কোনো আধানযুক্ত বস্তুর ওপর আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে, তাকে চার্জ বা আধান বলা হয়। সাধারণত পরমাণুর ভেতরে থাকা প্রোটন ধনাত্মক আধান এবং ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধান বহন করে; যখন কোনো বস্তুতে এই কণাগুলোর ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়, তখন বস্তুটি চার্জিত … Read more

ওভিউলেশন কাকে বলে?

ওভিউলেশন বা ডিম্বস্ফোটন হলো নারীদেহের প্রজনন প্রক্রিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মাসিকের একটি নির্দিষ্ট সময়ে হরমোনের প্রভাবে যখন ডিম্বাশয় থেকে একটি পরিপক্ক ডিম্বাণু নির্গত হয়, তখন তাকে ওভিউলেশন বলা হয়। সাধারণত একটি নিয়মিত ২৮ দিনের মাসিক চক্রের মাঝামাঝি সময়ে (চক্রের ১৪তম দিনের আশেপাশে) এই প্রক্রিয়াটি ঘটে থাকে। ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণুটি বের হওয়ার পর এটি জরায়ুর … Read more

উত্তল দর্পণ কাকে বলে?

যে গোলীয় দর্পণের বাইরের পৃষ্ঠ অর্থাৎ উঁচু পিঠ প্রতিফলক হিসেবে কাজ করে এবং ভেতরের অংশটি পারদ বা রুপার প্রলেপ (পলি) দিয়ে আবৃত থাকে, তাকে উত্তল দর্পণ বলা হয়। এই দর্পণের মধ্যভাগটি স্ফীত বা উঁচু এবং প্রান্তভাগ সরু থাকে। যখন আলোর সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ এই দর্পণের ওপর আপতিত হয়, তখন প্রতিফলনের পর রশ্মিগুলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। একারণে … Read more

error: Content is protected !!