গতি কাকে বলে?

সহজ কথায়, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে কোনো বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনকেই গতি বলা হয়। আমাদের চারপাশে যা কিছু স্থির নয়, যেমন—চলন্ত গাড়ি, উড়ন্ত পাখি কিংবা বাতাসের প্রবাহ, সবই গতির উদাহরণ। পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায়, যদি কোনো বস্তু তার পারিপার্শ্বিকের তুলনায় সময়ের সাথে স্থান পরিবর্তন করে, তবে সেই অবস্থাকে গতিশীল অবস্থা বলা হয়। গতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এটি … Read more

তরলের চাপ কাকে বলে?

প্রতি একক ক্ষেত্রফলে তরল লম্বভাবে যে বল প্রয়োগ করে তাকে তরলের চাপ বলে। তরলের এই চাপকে উদস্থৈতিক চাপও বলা হয়। আর কোনো ক্ষেত্রফল এলাকার তরল লম্বভাবে মোট যে বল প্রয়োগ করে তাকে ঘাত বল বলা হয়। একটি নির্দিষ্ট গভীরতায় সব বিন্দুতে তরলের চাপ সমান হয়। অর্থাৎ অনুভূমিক তলে সর্বত্র তরলের চাপ একই হবে, এবং ওই … Read more

আলট্রাসনোগ্রাফির দুইটি গুরুত্ব

আলট্রাসনোগ্রাফির দুইটি গুরুত্ব-১। স্ত্রীরোগ এবং প্রসূতিবিজ্ঞানে আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে ভ্রূণের আকার, গঠন, স্বাভাবিক অবস্থান জানা যায়। ২। পিত্তথলির পাথর, হৃদযন্ত্রের ত্রুটি এবং টিউমার শনাক্ত করার জন্যও আলট্রাসনোগ্রাফির অত্যন্ত কার্যকর।

দ্রুতি কাকে বলে? | দ্রুতির সংজ্ঞা, একক, প্রকারভেদ, গণনা, ব্যবহার

দ্রুতি কাকে বলে? কোনো বস্তু একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, সাধারণভাবে তাকে দ্রুতি বলে। প্রকৃতপক্ষে একটি বস্তুর বেগের মানই হচ্ছে তার দ্রুতির পরিমাপ। অন্য কথায়: একটি বস্তু একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকেই দ্রুতি বলা যেতে পারে। ক্যালকুলাস অনুযায়ী, দ্রুতি হলো সময়ের সাথে দূরত্বের পরিবর্তনের হার। দ্রুতির একক দ্রুতির একক হলো মিটার প্রতি … Read more

তড়িৎ এর প্রকারভেদ

তড়িৎ এর প্রকারভেদতড়িৎ দুই প্রকার। যথাঃ ১) স্থির তড়িৎ এবং ২) চল তড়িৎ। ১) স্থির তড়িৎঃ তড়িৎ যখন কোন বস্তুতে আবদ্ধ থাকে এবং প্রবাহিত হয় না তখন তাকে স্থির তড়িৎ বলে। ২) চল তড়িৎঃ তড়িৎ যখন কোন বস্তুর মধ্য দিয়ে চলাচল করে বা প্রবাহিত হয় তখন তাকে চল তড়িৎ বলে।

চার্জ বা আধান কাকে বলে?

চার্জ বা আধান কাকে বলে?অ্যাম্বারকে রেশমী কাপড় দিয়ে ঘর্ষণ করলে এতে চার্জ বা আধান উৎপন্ন হয়। ঘর্ষণের ফলে কোন বস্তুতে যার উপস্থিতিতে বস্তু দ্বারা ছোট ছোট হালকা বস্তু বা কণা আকর্ষিত হওয়ার শক্তির সঞ্চার হয় তাকে চার্জ বা আধান বলে। চার্জের প্রবাহের ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহের সৃষ্টি হয়।

এক সমতলীয় আলোর বৈশিষ্ট্য।

এক সমতলীয় আলোর বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপঃ  ১. এক সমতুলীয় আলো সমান্তরাল দুটি নিকেল প্রিজমের মধ্য দিয়ে চলতে পারে। ২. নিকেল প্রিজম দুটি লম্বভাবে থাকলে আলো প্রথম প্রিজমের ভেতর দিয়ে বের হয়ে আর দ্বিতীয় প্রিজমের ভেতর দিয়ে পূর্বের সরল পথে আসতে পারে না। ফলে পূর্বের সরল পথটি অস্বচ্ছ হয়ে থাকে। ৩. দুই সমান্ততরাল নিকেল প্রিজমের বিন্যাসের প্রথম … Read more

error: Content is protected !!