পুরাঘটিত অতীত কাল কাকে বলে?
যে ক্রিয়া অতীতের বহু পূর্বেই সংঘটিত হয়ে গিয়েছে এবং যার পরে আরও কিছু ঘটনা ঘটে গেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলা হয়। যেমন – সেবার তাকে সুস্থই দেখেছিলাম। কাজটি কি তুমি করেছিলে?
যে ক্রিয়া অতীতের বহু পূর্বেই সংঘটিত হয়ে গিয়েছে এবং যার পরে আরও কিছু ঘটনা ঘটে গেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলা হয়। যেমন – সেবার তাকে সুস্থই দেখেছিলাম। কাজটি কি তুমি করেছিলে?
একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য একটি বাক্য লিখতে হলে কোলন ব্যবহার করতে হয়।যেমন- সভায় ঠিক করা হলঃ এক মাস পর আবার সভা অনুষ্ঠিত হবে।
গীতিনাট্য হলো পাশ্চাত্যে জনপ্রিয় এক ধরনের গীতিনির্ভর নাটক। এটি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি প্রধানতম শাখা।প্রথাগত গীতিনাট্যে গায়করা দুই ভাবে গান গেয়ে থাকেন। যেমন- আবৃতিধর্মী এবং একক সঙ্গীত। ঊনবিংশ শতাব্দীতে সঙ্গীত নাট্যের উত্থান ঘটে।
কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যে উপাদানসমূহ পাওয়া যায় সেগুলোকে পৃথকভাবে ধ্বনি বলে। ধ্বনির সঙ্গে সাধারণত অর্থের সংশ্লিষ্টতা থাকে না, ধ্বনি তৈরি হয় বাগযন্ত্রের সাহায্যে। ধ্বনি তৈরিতে যেসব বাগ্-প্রত্যঙ্গ সহায়তা করে সেগুলো হলো ফুসফুস, গলনালি, জিহ্বা, তালু, মাড়ি, দাঁত, ঠোঁট, নাক ইত্যাদি। মানুষ ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে। ফুসফুস থেকে বাতাস বাইরে … Read more
কোনো পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে যে মূল বিষয়টি উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে জানতে হয় তাই হলো যোগাযোগের উদ্দেশ্য। যেমন: অপরিচিত শিশু পাওয়ার পরিস্থিতিতে সংবাদটি বা তথ্যটি প্রচার করা। পরিস্থিতিটির মূল বিষয়ই হলো অপরিচিত শিশুর সন্ধান পাওয়ার তথ্যটি প্রচার করা; অর্থাৎ তথ্যটি প্রচার করা হলো যোগাযোগের উদ্দেশ্য।
পুরুষ কাকে বলে? পক্ষ বা পুরুষের দ্বারা বক্তা, বক্তার সামনে উপস্থিত শ্রোতা ও যার কথা বলা হচ্ছে এমন অনুপস্থিত সত্তা নির্দেশ করা হয়। পুরুষের ওপর ক্রিয়ার রূপ নির্ভরশীল (দৃষ্টান্ত দেওয়া আছে)। পুরুষের প্রকারভেদ ব্যাকরণের ক্ষেত্রে পক্ষ বা পুরুষ তিন প্রকার। যথাঃ১। উত্তম পুরুষ২। মধ্যম পুরুষ৩। নাম পুরুষ ১। উত্তম পুরুষ উত্তম পুরুষ বক্তা বা তার … Read more
উপভাষা কাকে বলে? একই ভাষা সম্প্রদায় এর অন্তর্গত অঞ্চলভেদে দৈনন্দিন ব্যবহারের কাজে ও কথাবার্তায় ধ্বনিগত, রূপগত ও বাগধারাগত বৈশিষ্ট্য নিয়ে যে ভাষা প্রচলিত তাকে উপভাষা বলে। উপভাষার বৈশিষ্ট্য বাংলা কথ্য উপভাষা পাঁচটি। যথাঃ
সন্ধি কাকে বলে? সন্ধিকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায় – সন্নিহিত দুটি ধ্বনি মিলিয়ে একটি ধ্বনিতে পরিণত হওয়াকে বা পরস্পর সন্নিহিত দুই বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধি শব্দটির বিশ্লেষিত রুপ সম + √ ধি + ই। অর্থাৎ সমদিকে ধাবিত হওয়া বা মিলিত হওয়াকে সন্ধি বলে। পরস্পর সন্নিহিত দু’ বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। যেমন : সন্ধ্যান = সম্ + ধান।বাংলা ব্যকারণ মতে, দুটি … Read more