উপসর্গ কাকে বলে?

উপসর্গ কাকে বলে?বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। এগুলো শব্দের আগে বসে অর্থের পরিবর্তন করে। যেসব অব্যয়সূচক শব্দাংশ শব্দের আগে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় সেগুলোকে উপসর্গ বলে। যেমনঃ প্র+বাদ= প্রবাদ, অপ+কার=অপকার, অধি+কার=অধিকার, আ+কার=আকার ইত্যাদি। এখানে, বাদ-এর সঙ্গে ‘প্র’ যোগ হয়ে প্রবাদ হয়েছে। কার-এর … Read more

লিঙ্গ কাকে বলে? প্রকারভেদ, লিঙ্গ পরিবর্তন বা লিঙ্গান্তরের নিয়ম

লিঙ্গ কাকে বলে? ‘লিঙ্গ’ শব্দের অর্থ চিহ্ন। এটি সংস্কৃত শব্দ এবং এর ব্যুৎপত্তি হলো লিঙ্গ+অ = লিঙ্গ। লিঙ্গ শব্দের ভিন্ন অর্থ থাকলেও ব্যাকরণে এটি শব্দের শ্রেণিবিশেষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। লিঙ্গের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে সকল শব্দ দ্বারা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের মধ্যে পুরুষ, স্ত্রী বা ভিন্ন জাতি বোঝায় তাকে লিঙ্গ বলে। লিঙ্গ এর প্রকারভেদ বাংলা … Read more

বাক্য কাকে বলে? বাক্য কত প্রকার ও কী কী? বাক্যের গুণ

বাক্য কাকে বলে? বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগ গঠনগত ভাবে বাক্যকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা – ১) সরল বাক্য২) যৌগিক বাক্য৩) জটিল বাক্য৪) মিশ্র বাক্য ১) সরল বাক্যঃ যে বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বর্তমান, তাকে সরল বাক্য বা সাধারণ বাক্য বলা হয়। যেমনঃ সে ফুটবল খেলে। এই বাক্যের একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া হল ‘খেলে’। ২) যৌগিক … Read more

দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বা কাকে বলে?

কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, একে বলে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বা।যেমন – পাকা > পাক্কা, সকাল > সক্কাল ইত্যাদি।

যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর কাকে বলে?

পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চারণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনি রূপে উচ্চারিত হয়। এরূপ একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর বলা হয়। যেমন – অ + ই = অই (বই), অ + উ = অউ (বউ), অ + এ = অয়, (বয়, ময়না), অ + ও = অও (হও, লও)।

সাধিত শব্দ কাকে বলে?

মৌলিক শব্দ ব্যতীত অন্য সব শব্দকেই সাদিত শব্দ বলে। যথা – হাতা, গরমিল, দম্পতি ইত্যাদি।সাধিত শব্দ দুই প্রকার। যথাঃ- নাম শব্দ ও ক্রিয়া।প্রত্যেকটি নামশব্দের ও ক্রিয়ার দুটি অংশ থাকে।

প্রাকৃত শব্দের ভাষাগত অর্থ কি?

প্রাকৃত বা প্রাকৃত ভাষা কথাটির তাৎপর্য হলো প্রকৃতির অর্থাৎ জনগণের কথ্য ও বোধ্য ভাষা। একপর্যায়ে এ প্রাকৃত ভাষাই ভারতের বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রভাবে, কথ্য ভাষার উচ্চারণ বিভিন্নতা নিয়ে অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন রূপ পরিগ্রহ করে। এ প্রাকৃত ভাষাই আঞ্চলিক বিভিন্নতা নিয়ে বিভিন্ন নামে চিহ্নিত হয়। যেমন- মাগধি প্রাকৃত, মহারাষ্ট্রি প্রাকৃত, শৌরসনি প্রাকৃত ইত্যাদি। মাগধি প্রাকৃতের অপভ্রংশ থেকেই … Read more

error: Content is protected !!