অসমাপিকা ক্রিয়া কাকে বলে?
যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের পরিসমাপ্তি ঘটে না, বক্তার কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায়, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন-প্রভাতে সূর্য উঠলে ………………..আমরা হাত-মুখ ধয়ে ……………..আমরা বিকেলে খেলতে ………..
যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের পরিসমাপ্তি ঘটে না, বক্তার কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায়, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন-প্রভাতে সূর্য উঠলে ………………..আমরা হাত-মুখ ধয়ে ……………..আমরা বিকেলে খেলতে ………..
অনুসর্গ অব্যয় কাকে বলে? অনুসর্গ অব্যয় বাংলা ব্যাকরণের একটি পদ। যেসব অব্যয় শব্দ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে পৃথকভাবে বসে শব্দ বিভক্তির মতো তাদের কারক-সম্বন্ধ নির্ধারণ করে, তাদের অনুসর্গ অব্যয় বলা হয়। কেবল বিভক্তির মতো কারক-সম্বন্ধ নির্দেশ করলে তবেই তাদের অনুসর্গ বলে। অনুসর্গ অব্যয়ের বৈশিষ্ট্য অনুসর্গ অব্যয়ের উদাহরণ প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, … Read more
যে সকল অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, সেগুলোকে অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে। যথা –বজ্রের ধ্বনি – কড় কড়বৃষ্টির তুমুল শ্বদ – ঝম ঝমস্রোতের ধ্বনি – কল কলবাতাসের গতি – শন শনশুষ্ক পাতার শব্দ – মর মর মেঘের গর্জন – গুড় গুড়।
কতগুলো যুগ্মশব্দ পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল, সেগুলো নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় রূপে পরিচিত। যেমন : তথা, যত – তত, যখন – তখন, যেমন – তেমন, যেরূপ – সেরূপ ইত্যাদি।উদাহরণ : ধর্ম তথা জয়। যত গর্জে তত বর্ষে না।
কতগুলো অব্যয় বাক্যে ব্যবহৃত হলে নাম – বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ এবং বিশেষণীয় বিশেষণের অর্থবাচকতা প্রকাশ করে থাকে। এদের অব্যয় বিশ্লেষণ বলা হয়। যথা – নাম বিশেষণ : অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ।ভাব-বিশেষণ : আবার যেতে হবে।ক্রিয়া -বিশেষণ : অন্যত্র চলে যায়।
বাক্যের ক্রিয়া ও কর্মপদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে ঐ কর্মপদকে সমধাতুজ কর্ম বা ধাত্বর্থক কর্মপদ বলে। যেমন – আর কত খেলা খেলবে। মূল ‘খেল’ ধাতু থেকে ক্রিয়াপদ ‘খেলবে’ এবং কর্মপদ ‘খেলা’ উভয়ই গঠিত হয়েছে। তাই ‘খেলা’ পদটি সমধাতুজ বা ধাত্বর্থক কর্ম। সমধাতুজ কর্মপদ অকর্মক ক্রিয়াকে সকর্মক করে। যেমন –এমন সুখের মরণ কে মরতে পারে?বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি।আর মায়াকান্না কেঁদো না … Read more
যে ক্রিয়ার দুটি কর্মপদ থাকে, তাকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।দ্বিকর্মক ক্রিয়ার বস্তুবাচক কর্মপদটিকে মুখ্য বা প্রধান কর্ম এবং ব্যক্তিবাচক কর্মপদটিকে গৌণ কর্ম বলে।বাবা আমাকে একটি কলম কিনে দিয়েছেন বাক্যে ‘কলম’ (বস্তু) মুখ্যকর্ম এবং ‘আমাকে’ (ব্যক্তি) গৌণ কর্ম।
যে ক্রিয়ার কর্ম নেই তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন – মেয়েটি হাসে।কী হাসে বা কাকে হাসে প্রশ্ন করলে কোনো উত্তর হয় না। কাজেই ‘হাসে’ ক্রিয়াটি অকর্মক ক্রিয়া।