সংযোগমূলক ধাতু কাকে বলে?

বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে, কর্, দে, পা, খা, ছাড় ইত্যাদি মৌলিক ধাতু সংযুক্ত হয়ে যে নতুন ধাতু গঠিত হয়, তা-ই সংযোগমূলক ধাতু। যেমন – যোগ (বিশেষ্য পদ) + কর্ (ধাতু) = ‘যোগ কর’ (সংযোগমূলক ধাতু)। 

রূঢ়ি শব্দ কাকে বলে?

যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ  যোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন – হস্তী = হস্ত + ইন, অর্থ হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়। গবেষণা (গো + এষণা) অর্থ – গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যায়ন ও পর্যালোচনা।

জাতিবাচক বিশেষ্য কাকে বলে?

যে পদ দ্বারা কোনো একজাতীয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন – মানুষ, গরু, পাখি, গাছ, পর্বত, নদী, ইংরেজ।

নাম বাচক বিশেষ্য কাকে বলে?

যে পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, ভৌগলিক স্থান বা সংজ্ঞা এবং গ্রন্থ বিশেষের নাম বিজ্ঞাপিত হয়, তাকে সংজ্ঞা (বা নাম) বাচক বিশেষ্য বলে।যেমন –ব্যক্তির নাম : নজরুল, ওমর, আনিস, মাইকেল।ভৌগলিক স্থানের নাম : ঢাকা, দিল্লি, লন্ডন, মক্কা।ভৌগলিক সংজ্ঞা : (নদী, পর্বত, সমুদ্র ইত্যাদি) মেঘনা, হিমালয়, আরব সাগর।গ্রন্থের নাম : গীতাঞ্জলি, অগ্নিবীণা, দেশে বিদেশে, বিশ্বনবি।

বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য কাকে বলে?

যে পদে কোনো উপাদানবাচক পদার্থের নাম বোঝায়, তাকে বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য বলে। এই জাতীয় বস্তুর সংখ্যা ও পরিমাণ নির্ণয় করা যায়। যথা – বই, খাতা, কলম, থালা, বাটি, মাটি, চাল, চিনি, লবণ, পানি।

error: Content is protected !!