উক্তি কাকে বলে?
কোনো কথকের বাক কর্মের নামই উক্তি।উক্তি দুই প্রকার।যথা –ক. প্রত্যক্ষ উক্তি ওখ. পরোক্ষ উক্তি।
কোনো কথকের বাক কর্মের নামই উক্তি।উক্তি দুই প্রকার।যথা –ক. প্রত্যক্ষ উক্তি ওখ. পরোক্ষ উক্তি।
যে বাক্যে বক্তার কথা অবিকল উদ্ধৃত হয়, তাকে প্রত্যক্ষ উক্তি বলে। যথা – তিনি বললেন, “বইটা আমার দরকার”।
যে বাক্যে বক্তার উক্তি অন্যের জবানিতে রূপান্তরিতভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে পরোক্ষ উক্তি বলা হয়। যথা – তিনি বললেন যে বইটা তাঁর দরকার।
লোকশিল্পের প্রতি আন্তরিক হয়ে সুপরিকল্পিত উপায়ে আমরা লোকশিল্প সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ করতে পারি। সঠিক সংরক্ষণের অভাবে ও লোকশিল্পের প্রতি অনাগ্রহ এ শিল্পকে ধীরে ধীরে ধ্বংসের মুখে পতিত করেছে। অথচ হাজার হাজার নারী-পুরুষ আছে, যারা লোকশিল্প নিয়ে কাজ করতে চায়। তাদের সুষ্ঠু ও পরিকল্পিত কাজের পরিবেশ দিয়ে এবং সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে আমরা লোকশিল্পকে সংরক্ষণ ও … Read more
মৌলিক ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে কর্মবাচ্যের ধাতু সাধিত হয়। এটি বাক্যমধ্যস্থ কর্মপদের অনুসারী ক্রিয়ার ধাতু। যথা – দেখ্ + আ = দেখা; কাজটি ভালো দেখায় না। হার্ + আ = হারা; যা কিছু হরায় গিন্নী বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর।
মৌলিক ধাতুর পরে প্রেরণার্থ (অপরকে নিয়োজিত করা অর্থে) ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু গঠিত হয়। যেমন – কর্ + আ = করা (এখানে ‘করা’ একটি ধাতু)। যেমন – সে নিজে করে না, আর একজনকে দিয়ে করায়।অনুরূপভাবে – পড় + আ = পড়া; তিনি ছেলেকে পড়াচ্ছেন।
বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অনুকার অব্যয়ের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে নতুন ধাতুটি গঠিত হয় তাই নাম ধাতু। যেমন – সে ঘুমাচ্ছে। ‘ঘুম’ থেকে নাম ধাতু ‘ঘুমা’। ‘ধমক্’ থেকে নাম ধাতু ‘ধমকা’। যেমন – আমাকে ধমকিও না।
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।যেমন – গায়ক = গৈ + ণক (অক) – অর্থ : গান করে যে।কর্তব্য = কৃ + তব্য – অর্থ : যা করা উচিত।বাবুয়ানা = বাবু + আনা – অর্থ : বাবুর ভাব।মধুর = মধু + র – অর্থ : মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত। যৌগিক … Read more