অর্ধপরিবাহী কাকে বলে? অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য

অর্ধপরিবাহী কাকে বলে? যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, সে সকল পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। অর্ধপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ হল সিলিকন, জার্মেনিয়াম, ক্যাডমিয়াম, গ্যালিয়াম আর্সেনাইড, সালফাইড ইত্যাদি।সুবিধামতো অপদ্রব্য মিশিয়ে অর্ধপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ পরিবাহকত্ব বৃদ্ধি করা যায়। অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য

অপরিবাহী কাকে বলে?

যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অন্তরক বা অপরিবাহী বলে। যেমন: কাচ, কাঠ, রাবার, প্লাস্টিক ইত্যাদি অপরিবাহী পদার্থ। অপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ পরিবাহীতা খুব কম এবং আপেক্ষিক রোধের মান অত্যন্ত বেশি। অন্তরক পদার্থের আপেক্ষিক রোধ প্রায় 10-8 Ωm ক্রমের। 

পরিবহন ব্যান্ড কাকে বলে?

কোনো কোনো পদার্থে বিশেষ করে ধাতব পদার্থের যোজন ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের সাথে খুব শিথিলভাবে যুক্ত থাকে।এমনকি কক্ষ তাপমাত্রায় কিছু কিছু যোজন ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ থেকে মুক্ত হয়ে মুক্ত ইলেকট্রনে পরিণত হয়। প্রকৃতপক্ষে এই সকল মুক্ত ইলেকট্রন পরিবাহীতে তড়িৎ পরিবহনে ভূমিকা রাখে। পরমাণুতে অবস্থিত মুক্ত যোজন ইলেকট্রন তড়িৎ পরিবহনে অংশ গ্রহণ করে বলে এদেরকে পরিবহন ইলেকট্রন বলে। … Read more

সদ প্রতিবিম্ব ও অসদ প্রতিবিম্বের মধ্যে পার্থক্য

সদ প্রতিবিম্ব ও অসদ প্রতিবিম্বের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ- নং সদ প্রতিবিম্ব অসদ প্রতিবিম্ব  ১ কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মি গুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে  মিলিত হয়ে সদ প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মি গুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হলে দ্বিতীয় … Read more

অসদ প্রতিবিম্ব কাকে বলে?

কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মি গুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে প্রকৃত পক্ষে দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় না কিন্তু দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্চে বলে মনে হয়, তখন ঐ দ্বিতীয় বিন্দুতে প্রথম বিন্দুর যে প্রতিবিম্ব দেখা যায় তাকে অসদ বা অবাস্তব প্রতিবিম্ব বলে। সমতল দর্পণে এবং উত্তল দর্পণে এ ধরনের প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।

সদ প্রতিবিম্ব কাকে বলে?

কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মি গুচ্চ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয়ে প্রতিবিম্ব গঠন করে, তাকে সদ বা বাস্তব প্রতিবিম্ব বলে। অবতল দর্পণে এ ধরনের সদ প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।

গোলীয় দর্পণ কাকে বলে?

একটি গোলক আকার বস্তুর পৃষ্ঠ যদি যথেষ্ট মসৃণ হয় তা হলে ঐ পৃষ্ঠে আপতিত আলোক রশ্মির নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে। গোলক পৃষ্ঠ প্রতিফলক বা দর্পণ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। তাই, যে দর্পণের প্রতিফলক পৃষ্ঠ গোলকের পৃষ্ঠ বা গোলক পৃষ্ঠের অংশ বিশেষ তাকে গোলকীয় বা গোলীয় দর্পণ(Spherical Mirror) বলে।

সিনেমার পর্দা সাদা হয় কেন?

সাদা রঙের তল সব রঙের আলোর প্রতিফলন করে। তাই সিনেমায় সাদা রঙের পর্দা ব্যবহার করা হয়। সাদা রঙের জন্য প্রতিবিম্বের উজ্জ্বলতা বেড়ে যায় এবং সিনেমা পরিষ্কার দেখা যায়।

error: Content is protected !!