ভার্নিয়ার ধ্রুবক কাকে বলে?
ভার্নিয়ার স্কেলের সাহায্যে ক্ষুদ্রতম যে দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায় তাকে ভার্নিয়ার ধ্রুবক বলে। মূল স্কেলের সাহায্যে সাধারণত 1 মিলিমিটার পর্যন্ত ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়।
ভার্নিয়ার স্কেলের সাহায্যে ক্ষুদ্রতম যে দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায় তাকে ভার্নিয়ার ধ্রুবক বলে। মূল স্কেলের সাহায্যে সাধারণত 1 মিলিমিটার পর্যন্ত ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়।
মিলিমিটার এর ভগ্নাংশ পরিমাণ দৈর্ঘ্য পরিমাপ করার জন্য ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়।মূল স্কেলের সাহায্যে সাধারণত 1 মিলিমিটার পর্যন্ত ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়।কিন্তু মিলিমিটারের ভগ্নাংশ পরিমাপ করার জন্য ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়।যেমনঃ ভার্নিয়ার স্কেলের সাহায্যে আমরা 0.1mm, 0.2mm, 0.5mm ইত্যাদি দৈর্ঘ্য নির্ভুলভাবে পরিমাপ করতে পারি।
চামড়া ভেজা অবস্থায় মানবদেহের রোধ প্রায় 10 kΩ। চামড়া শুকনো অবস্থায় মানবদেহের রোধ 50 kΩ।
যে যন্ত্রের সাহায্যে কোন বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করা যায় সেই যন্ত্রকে অ্যামিটার বলে।
রোধের কোন সমবায়ের (শ্রেণী বা সমান্তরাল) রোধগুলির পরিবর্তে যে একটি মাত্র রোধ ব্যবহার করলে বর্তনীর প্রবাহ বা বিভব পার্থক্যের কোন পরিবর্তন হয়না তাকে ঐ সমবায়ের তুল্যরোধ বলে।
যে পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 1 ভোল্ট এবং তার মধ্যে দিয়ে এক অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ চললে সেই পরিবাহীর রোধকে ও’হম বলে। রোধের একক ও’হম (Ω)।
কোন পরিবাহীর রোধ 10Ω বলতে বুঝায় যে, পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 10 ভোল্ট হলে এর মধ্যে দিয়ে এক অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ চলবে।
ফোটন হলো এক প্রকার মৌলিক কণা এবং তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণের (যেমন আলো, রেডিও তরঙ্গ, এক্স-রে) ক্ষুদ্রতম একক। সহজ ভাষায়, আলো বা যেকোনো বিকিরণ অবিচ্ছিন্নভাবে নির্গত না হয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ আকারে বা “প্যাকেট” হিসেবে নির্গত হয়। এই প্রতিটি শক্তি প্যাকেটের নামই হলো ফোটন। ফোটনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো: ফোটন তড়িৎচুম্বকীয় বলের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং মহাবিশ্বে … Read more