চার্জের আকর্ষণ ও বিকর্ষণ সূত্র

চার্জের আকর্ষণ ও বিকর্ষণ সূত্রচার্জ দু’রকম। এদের কখনও আকর্ষণ, কখনও বিকর্ষণ পরিলক্ষিত হয়। ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী ডুফে চার্জের দু’টি সূত্র আবিষ্কার করেন। যথা- (১) আকর্ষণ সূত্র ও (২) বিকর্ষণ সূত্র। (১) আকর্ষণ সূত্রঃ ভিন্ন বা বিপরীত ধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে। যেমন- ধনাত্মক চার্জ ও ঋণাত্মক চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে। (২) বিকর্ষণ সূত্রঃ সমধর্মী বা একই … Read more

চার্জের নিত্যতা সূত্র লিখ

চার্জের নিত্যতা সূত্র লিখপ্রত্যেক ক্ষেত্রেই ইলেকট্রনের স্থানান্তর ঘটছে। ঘর্ষণ শুধুমাত্র এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে ইলেকট্রনের স্থানান্তর ঘটায়, কিন্তু উভয় বস্তুর মোট ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যার যোগফল একই থাকে। কোন ইলেকট্রন বা প্রোটন সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না। যেমন- কাঁচ দন্ডকে রেশম কাপড় দ্বারা ঘর্ষণ করলে দন্ড থেকে কিছু সংখ্যক ইলেকট্রন রেশম কাপড়ে চলে যায়। … Read more

অপ্রচলিত শক্তি কাকে বলে? অপ্রচলিত শক্তির উৎস

অপ্রচলিত শক্তি কাকে বলে? বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনের জন্য  সমস্ত শক্তি উৎসের ব্যবহার এখনো পর্যন্ত ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয় নি, সেই সমস্ত শক্তির উৎসকে অপ্রচলিত বা অচিরাচরিত শক্তির উৎস বলা হয়। আর এই সমস্ত শক্তির উৎস থেকে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তাকে অপ্রচলিত বা অচিরাচরিত শক্তি বলে। অপ্রচলিত শক্তির উৎস অপ্রচলিত শক্তির গুরুত্বপূর্ণ উৎসগুলো হলো – … Read more

তির্যক তরঙ্গ কাকে বলে?

কোনো স্থিতিস্থাপক মাধ্যমে তরঙ্গ বিস্তারের সময় মাধ্যমের কণাগুলোর যদি তরঙ্গের গতির অভিমুখের সঙ্গে লম্বভাবে কম্পিত হয়, তবে ঐ তরঙ্গকে তির্যক তরঙ্গ বলে। তির্যক তরঙ্গের উদাহরণঃ আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ ইত্যাদি। পানির মধ্যে তরঙ্গ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে পানির কণাগুলোর সাম্য অবস্থান পানির তল থেকে উপর-নিচ ওঠা-নামা করে। কিন্তু তরঙ্গ পানির পৃষ্ঠ বা পানির তলের উপর দিয়ে … Read more

সরল ছন্দিত গতি কাকে বলে? সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য

সরল ছন্দিত গতি কাকে বলে? যদি পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন বস্তু বা কণার গতি সরল রৈখিক হয় এবং ত্বরণ সাম্য অবস্থান থেকে এর সরণের সমানুপাতিক হয় এবং এর দিক সব সময় সাম্য অবস্থান অভিমুখী হয়, তা হলে বস্তু কণার ঐ গতিকে সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন বলে। কোনো স্প্রিং এর এক প্রান্ত দৃঢ় কোন অবস্থানে বেঁধে অন্য প্রান্তে একটি … Read more

যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য

যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ- ১) মাধ্যমের কণার স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়।২) মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না।৩) তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে।৪) তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত … Read more

অর্ধপরিবাহী কাকে বলে? অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য

অর্ধপরিবাহী কাকে বলে? যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, সে সকল পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। অর্ধপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ হল সিলিকন, জার্মেনিয়াম, ক্যাডমিয়াম, গ্যালিয়াম আর্সেনাইড, সালফাইড ইত্যাদি।সুবিধামতো অপদ্রব্য মিশিয়ে অর্ধপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ পরিবাহকত্ব বৃদ্ধি করা যায়। অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য

অপরিবাহী কাকে বলে?

যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অন্তরক বা অপরিবাহী বলে। যেমন: কাচ, কাঠ, রাবার, প্লাস্টিক ইত্যাদি অপরিবাহী পদার্থ। অপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ পরিবাহীতা খুব কম এবং আপেক্ষিক রোধের মান অত্যন্ত বেশি। অন্তরক পদার্থের আপেক্ষিক রোধ প্রায় 10-8 Ωm ক্রমের। 

error: Content is protected !!