তাপগতিবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয় কী?
তাপগতিবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয় হলো তাপকে কাজে এবং কাজকে তাপে পরিণত করা যায়।
তাপগতিবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয় হলো তাপকে কাজে এবং কাজকে তাপে পরিণত করা যায়।
রূদ্ধতাপীয় পরিবর্তনে কোনো গ্যাসকে হঠাৎ চাপ দিয়ে সঙ্কুচিত করলে কিছু পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হয়। যদি এই উৎপন্ন তাপ অপসারণ করা না হয়, তবে গ্যাসের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। আবার কোনো গ্যাসকে হঠাৎ প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসটি কিছু পরিমাণ তাপ হারাবে এবং বাইরে থেকে যদি সমপরিমাণ তাপ সরবরাহ করা না হয়, তবে গ্যাসের তাপমাত্রা হ্রাস পাবে। সুতরাং … Read more
ঘর্ষণ কাকে বলে? ঘর্ষণের প্রকারভেদ ঘর্ষণ বলকে মোটামুটি চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১) স্থিতি ঘর্ষণ (Static Friction) ২) গতীয় ঘর্ষণ (Kinetic Friction) ৩) আবর্ত ঘর্ষণ (Rolling Friction) এবং ৪) প্রবাহী ঘর্ষণ (Fluid Friction)
ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা 70% বলতে বুঝায়, ইঞ্জিনটিতে 100 J শক্তি প্রদান করলে 70 J কার্যকর শক্তি পাওয়া যায় এবং বাকি 30% শক্তির অপচয় হয়।
দুর্বল নিউক্লিয় বল (Weak Nuclear Force)কাকে বলে? নিউক্লিয়াসে বিটাক্ষয় জনিত কারণে উদ্ভূত যে স্বল্প পাল্লার এবং স্বল্প মানের বল নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরস্থ মৌলিক কণাগুলোর মধ্যে ক্রিয়া করে তাকে দুর্বল বল বলে। দুর্বল নিউক্লিয় বল হচ্ছে প্রকৃতির চারটি মৌলিক বলের একটি। অন্য তিনটি বল হচ্ছে সবল নিউক্লিয় বল, তাড়িতচৌম্বক বল এবং মহাকর্ষ বল। তেজস্ক্রিয়তার জন্য দুর্বল নিউক্লিয় … Read more
পদার্থবিজ্ঞানের বহুসংখ্যক শূন্যযুক্ত মানসমূহ সাধারণভাবে লেখার সময় আমাদের সাবধান থাকতে হবে প্রতিক্ষেত্রেত শূন্যের সংখ্যা ঠিকমত উল্লেখ করা হয়েছে কিনা। কিন্তু এই সংখ্যাটিকেই যদি আমরা এককের উপসর্গ ব্যবহার করে লিখি, তাহলে অনেক সুবিধাজনক, সংক্ষিপ্ত ও নির্ভুলভাবে লেখা সম্ভব হয। যেমন : 0.00001 m রাশিটিকে লেখা যেতে পারে 10 μm।
তড়িৎক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে এটি যে পথে পরিভ্রমণ করে তাকে তড়িৎ বলরেখা বলে। তড়িৎ বলরেখা (Electric Lines of Force) দুটি আধান পরস্পরকে বল প্রয়োগ করে। এই বল কিভাবে ক্রিয়া করে তা ব্যাখ্যা করার জন্য ফ্যারাডে সর্বপ্রথম বলরেখার ধারণা দেন। বলরেখাগুলো ফ্যারাডের কাল্পনিক রেখা। বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। কোনো তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি … Read more
কোনো একটি অন্তরীত মাধ্যমে তড়িৎ বল বা ধারকের ধারকত্ব এবং বায়ু বা শূন্য মাধ্যমে যথাক্রমে তড়িৎ বলের বা ধারকত্বের অনুপাতকে পরাবৈদ্যুতিক ধ্রুবক বলে।