নিউটনের তৃতীয় সূত্র

নিউটনের তৃতীয় সূত্র হচ্ছে, “প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।”নিউটনের প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র একটি মাত্র বস্তুসম্পর্কিত। অপরপক্ষে তৃতীয় সূত্র দুটি বস্তুর সাথে সম্পর্কিত। ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া বলতে এখানে দুটি বলের কথা বলা হয়েছে। ধরাযাক, A এবং B দুটি বস্তু, A বস্তুটি B এর উপর F1 বল প্রয়োগ করে। B বস্তুটি A এর উপর … Read more

চলন্ত বাস ব্রেক করলে যাত্রী সামনের দিকে ঝুঁকে পড়েন কেন?

বাস যখন চলন্ত অবস্থায় থাকে, তখন বাসের যাত্রীও বাসের সাথে একই গতিপ্রাপ্ত হয়। বাস হঠাৎ থেমে গেলে বাসের সাথে সাথে যাত্রীর শরীরের নিচের অংশ স্থির হয়। কিন্তু বাস যাত্রীর শরীরের উপরের অংশ গতি জড়তার জন্য সামনের দিকে ঝুঁকে পড়েন।

নিউটনের গতির ১ম সূত্র থেকে কিভাবে জড়তার ধারণা পাওয়া যায়?

নিউটনের প্রথম সূত্র অনুসারে প্রত্যেক বস্তুই যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থায় থাকতে চায় অর্থাৎ বস্তু স্থির থাকলে স্থির থাকতে চায় আর গতিশীল থাকলে গতিশীল থাকতে চায়। নিউটনের প্রথম সূত্র থেকে দেখা যায়, বস্তুর এ স্থিতিশীল ও গতিশীল অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হলে বল প্রয়োগ করতে হবে। পদার্থের নিজস্ব অবস্থা বজায় রাখতে চাওয়ার যে ধর্ম তাই জড়তা।

গতি জড়তা কাকে বলে?

গতিবেগের দরুণ কোনো বস্তু যে জড়তা অর্জন করে তাকে গতি জড়তা বলে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট গতিবেগে চলমান কোনো বস্তুর গতিবেগের পরিবর্তন ঘটাতে না চাওয়ার ধর্মকে গতি জড়তা বলে। গতি জড়তা বস্তুর ভরবেগের ওপর নির্ভর করে। গতি জড়তার দরুণ চলন্ত বাস হঠাৎ থামলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়েন।

চলন্ত গাড়ি হঠাৎ চলতে শুরু করলে ঋণাত্মক ত্বরণ হবে কেন?

চলন্ত গাড়ি হঠাৎ ব্রেক কষলে গাড়ির বেগ হ্রাস পায় বলে ঋণাত্মক ত্বরণ হয়। এক্ষেত্রে গাড়ির গতির বিপরীত দিকে বল প্রয়োগ করে বেগ হ্রাস করা হয়। আর বেগ হ্রাসের হারকে ঋণাত্মক ত্বরণ বলে। তাই চলন্ত গাড়ি হঠাৎ ব্রেক কষলে ঋণাত্মক ত্বরণ বা মন্দন হয়। আরো পড়ুনঃ

কম্বলকে ঝুলিয়ে রেখে বেত দ্বারা আঘাত করলে ধুলোবালি ঝরে পড়ে কেন?

কম্বলকে ঝুলিয়ে বেত দ্বারা আঘাত করলে কম্বলটি সরে যায় কিন্তু ধুলোবালিগুলো ভর ক্ষুদ্র বলে জড়তার কারণে ঐ স্থানেই থেকে যায়। ধুলোবালিগুলো ঝড়ে পড়ে।

মহাকর্ষ বল একটি অস্পর্শ বল কেন?

দুটি বস্তুর প্রত্যক্ষ সংস্পর্শ ছাড়াই যে বল ক্রিয়া করে তাই হলো অস্পর্শ বল। আবার মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলই মহাকর্ষ বল। মহাকর্ষ বলের ক্ষেত্রে বস্তুদ্বয়ের মধ্যে কোনো সংস্পর্শ নেই তবুও এই বল কাজ করে। যেমন – পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে 15 কোটি কিলোমিটার দূরত্ব থাকার পরও এদের মধ্যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল। যেহেতু … Read more

ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া কিভাবে সম্পর্কিত?

নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। অর্থাৎ ক্রিয়া বল ও প্রতিক্রিয়া বলের মান সমান কিন্তু এদের দিক বিপরীতমুখী।  যদি P ও Q দুটি বস্তুর মধ্যে P বস্তুটি Q বস্তুটির ওপর F1 বল প্রয়োগ করে তখন Q বস্তুটিও P বস্তুর উপর সমান ও বিপরীতমুখী বল F2 প্রয়োগ করবে। এখানে, P বস্তু কর্তৃক Q … Read more

error: Content is protected !!