কোষ তত্ত্ব কি?

বিভিন্ন কোষের নানান প্রকার বৈশিষ্ট্য থাকা সত্বেও সব কোষে কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য থাকে। এই ভাবে কোষের গঠন ও কাজের উপর ভিত্তি করে কোষ সম্বধে যে মতবাদ বা তত্ব তৈরী হয় তাকে কোষ তত্ত্ব বলে।  কোষ সম্পর্কে জার্মান উদ্ভিদবিজ্ঞানী শ্নাইডেন, প্রাণীবিজ্ঞানী থিওডোর শভান এবং পরে রুডলফ ভির্শভ (Rudolf. Virchow) ১৮৮৫ সালে কোষ তত্ত্ব প্রদান করেন, যাতে বলা … Read more

মূলটুপি বা মূলত্র কাকে বলে?

মূলকে কয়েকটি অংশে ভাগ করা যায়। এর শেষ প্রান্তে টুপির মতো অংশটি হচ্ছে মূলটুপি বা মূলত্র। আঘাত থেকে মূলকে রক্ষা করা এর কাজ। এর পেছনের অংশটি বর্ধিষ্ণু অঞ্চল। এ স্থানে মূলের বৃদ্ধি ঘটে। এই এলাকার পেছনে সূক্ষ্ম লোমশ মূলরোম অঞ্চল অবস্থিত।

স্থানিক মূল কাকে বলে?

এক্ষেত্রে ভ্রুণমূল বৃদ্ধি পেয়ে সরাসরি মাটির ভিতর প্রবেশ করে শাখা – প্রশাখা বিস্তার করে। স্থানিকমূলে প্রধান মূল থাকে। যথা – মূলা, আম, জাম, মরিচ, সরিষা ইত্যাদির উদ্ভিদের মূল। 

ঠেস মূল কাকে বলে?

ঠেস মূল কাকে বলে? কোনো কোনো উদ্ভিদের প্রধান কাণ্ড দুর্বল হওয়ার ফলে সোজাভাবে দাঁড়াতে পারে না। তাই কাণ্ডের গোড়ার দিক থেকে কতগুলি অস্থানিক মূল বের হয়ে তির্যকভাবে প্রবেশ করে। এগুলোকে ঠেস মূল বলে। ঠেস মূলের উদাহরণ ম্যানগ্রোভ গাছের ঠেস মূল খুবই সাধারণ। এই ধরনের গাছগুলি সমুদ্রের তটবর্তী এলাকায় পাওয়া যায় এবং ঠেস মূল তাদের নোনা … Read more

গুচ্ছ মূল কাকে বলে?

ধান, ঘাস, বাঁশ ইত্যাদি উদ্ভিদের মূল লক্ষ করলে দেখা যাবে যে, কাণ্ডের নিচের দিকে এক গুচ্ছ সরু মূল সৃষ্টি হয়েছে। এরা গুচ্ছমূল। ভ্রূণমূল নষ্ট হয়ে সে স্থান থেকেও গুচ্ছ মূল উৎপন্ন হতে পারে। যেমন – ধান, নারিকেল, সুপারি ইত্যাদি।

উদ্ভিদ কিভাবে খাদ্য প্রস্তুত করে?

আমরা জানি, পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। সবুজ উদ্ভিদকুল সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে। যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই সালোকসংশ্লেষণ। একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এ কাজটি করতে পারে।  উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকংসশ্লেষণে অংশ নেয়। এ প্লাস্টিড ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ … Read more

জলবায়ু কাকে বলে? জলবায়ুর উপাদানসমূহ

জলবায়ু কাকে বলে? কোন স্থানের ৩০ বছরের বেশি সময়ের আবহাওয়া অর্থাৎ বায়ু, তাপ, বৃষ্টিপাত প্রভৃতির গড়কে জলবায়ু বলা হয়। বিভিন্ন কারণে বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রকৃতি ও পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কোনো অঞ্চলের বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুর চাপ, বায়ু প্রবাহ, বৃষ্টিপাত, তুষারপাত, ঝড়, বায়ুপুঞ্জ, মেঘাচ্ছন্নতা ইত্যাদির দীর্ঘদিনের সামগ্রিক রূপকে ঐ স্থানের … Read more

error: Content is protected !!