আদি কোষ কাকে বলে?

যে কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয় তাই আদিকোষ। যেসকল কোষে বা সেলে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না তাদের প্রোক্যারিওটিক সেল বা আদিকোষ বলে। প্রোক্যারিওটিক সেলে নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দ্বারা বেষ্টিত থাকে না। ফলে নিউক্লিওবস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে। এসব সেলে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে। নীলাভ সবুজ শৈবাল, ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের সেল … Read more

অভিস্রবণ কাকে বলে? অভিস্রবণের প্রকারভেদ, অন্তঅভিস্রবণ, বহিঅভিস্রবণ

অভিস্রবণ (Osmosis) কাকে বলে? একই দ্রাবক বিশিষ্ট দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ অর্ধভেদ্য পর্দা দিয়ে পৃথক করা থাকলে দেখা যায় যে পাতলা দ্রবণ থেকে পর্দার ভেতর দিয়ে ঘন দ্রবণের দিকে যায়। দুটি দ্রবণের ঘনত্ব এক না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এরই নাম অভিস্রবণ (Osmosis)। উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মটি থেকে পানি শোষণ করে। উদ্ভিদের মূলরোমের … Read more

প্লাজমোলাইসিস কাকে বলে?

প্লাজমোলাইসিস (Plasmolysis) কখনো কখনো কোষের বাইরের পরিবেশের দ্রবণ কোষের প্রোটোপ্লাজমের দ্রবণের চেয়ে বেশি ঘন হলে দ্রাবক অণু বহিঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কোষ থেকে বাইরে চলে আসে। কোষের প্রোটোপ্লাজম তখন পানি হারিয়ে সংকুচিত হয়ে যায়। প্রোটোপ্লাজমের এই সংকোচনকে প্লাজমোলাইসিস বলে। একটি সজিব উদ্ভিদ কোষকে অতিসারক দ্রবণে রাখলে কোষের ভেতর থেকে বহিঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় বাইরে বেরিয়ে আসে। ফলে কোষের প্রোটোপ্লাজম … Read more

অভিস্রবণিক চাপ কাকে বলে?

অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় দ্রাবক অণুর অধিকতর ঘন দ্রবণে প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হলে ঘন দ্রবণের দিক থেকে যে চাপ প্রয়োগ করতে হয় তাকে ঐ দ্রবণের অভিস্রবণিক চাপ বলে। দ্রবণ যত ঘন হবে অভিস্রবণিক চাপ ততো বেশি হবে।

রসস্ফীতি কাকে বলে?

রসস্ফীতি (Turgidity) অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কোষের পানি প্রবেশ করলে কোষরস বৃদ্ধি পায়। কোষের সাইটোপ্লাজম আয়তনে বাড়ে। কোসের এ স্ফীত অবস্থাকে বলে রসস্ফীতি। কোষের সাইটোপ্লাজম ফুলে গিয়ে কোষ প্রাচীরের উপর যে চাপের সৃষ্টি করে তাকে রসস্ফীতি চাপ (turgor prssure) বলে। এ সময় কোষ প্রাচীর সাইটোপ্লাজমের উপর যে চাপের সৃষ্টি করে তাকে বলে প্রাচীর চাপ (wall pressure)। যে … Read more

উদ্ভিদের পানিশোষণ পদ্ধতি, সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় পানি শোষণ

এই পাঠ শেষে আপনি- উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদ মুলরোমের সাহায্যে পানি আহরণ করে। মূলের শীর্ষ থেকে কিছুটা পেছনে খুব ঘন হয়ে মূলরোম অঞ্চল থাকে। মূলরোম দেখতে নলাকার, দীর্ঘ এবং এক কোষী। মূলের বহিত্বকের কোষ লম্বা হয়ে মূলরোমের সৃষ্টি করে। মূলরোমের কোষ প্রাচীর ভেদ্য (permeable) এবং পেকটিন ও সেলুলোজ উপাদানে তৈরি যেগুলো অত্যন্ত পানি গ্রাহী। মূলরোমে কোষ … Read more

নিষ্ক্রিয় শোষণ কাকে বলে?

বিজ্ঞানীদের অনেকে মনে করেন যে উদ্ভিদের খনিজ লবণ শোষণ ব্যাপন প্রক্রিয়ায় হয়। মাটির দ্রবণ এবং মূলরোমের কোষের দ্রবণের ঘনত্বের অসমতাকে কাজ লাগিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় খনিজ লবণ উদ্ভিদ কোষে প্রবেশ করে। দ্রবণ দুটির ঘনত্ব যতক্ষণ পর্যন্ত সমান না হয় ততক্ষণ এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এ শোষণ প্রক্রিয়ায় কোনো বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয় না বলে একে নিষ্ক্রিয় … Read more

সক্রিয় শোষণ কাকে বলে?

এ শোষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ বিপাকীয় শক্তি ব্যবহার করে। বিজ্ঞানীরা অনেকে মনে করেন যে খনিজ লবণের আয়নগুলো এ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পরিবাহকের মাধ্যমে উদ্ভিদ কোষে প্রবেশ করে। পরিবাহকগুলো ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক আধানযুক্ত। সাইটোক্রোম এবং ফসফরাসযুক্ত নাইট্রোজেন যৌগসমূহ আয়নের পরিবাহক হিসেবে কাজ করে। আধানযুক্ত এসব বাহক কেবল বিপরীত আধানযুক্ত আয়নই বহন করতে পারে। পর্যায়ক্রমে একাধিক পরিবাহক আয়নগুলোকে মাটির … Read more

error: Content is protected !!