ক্ষেপননালি কাকে বলে?

শুক্রনালি এবং সেমিনাল ভেসিকলের নালি একত্রে মিলিত হয়ে ১৯ মিলিমিটার লম্বা ও ০.৩ মিলিমিটার ব্যাসের যে খাটো নালি গঠন করে তাকে ক্ষেপণনালি বলে। এটি মূত্রনালি বা ইউরেথ্রার সাথে যুক্ত হয়। সেমিনাল ভেসিকলের ক্ষরণসহ শুক্রাণুকে ইউরেথ্রায় প্রবেশ করতে সাহায্য করে।

সেমিনাল ভেসিকল কাকে বলে?

মূত্রথলির নিম্নপ্রাপ্ত ও মলাশয়ের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এক জোড়া ক্ষুদ্র থলিকে সেমিনাল ভেসিকল বলে। একটি ক্ষুদ্র নালির মাধ্যমে এটি শুক্রানালির সাথে যুক্ত থাকে। শুক্রাণুকে ধারণ করার জন্য সেমিনাল রস (সিমেন) নামক এক ধরনের পিচ্ছিল পদার্থ তৈরি করে এবং শুক্রাণুর শক্তি উৎস হিসাবে ফ্রুক্টোজ সমৃদ্ধ পদার্থ সৃষ্টি করে।

যোনি কি? রুগী কি? হাইমেন বা সতীচ্ছেদ কি?

যোনি যোনি ৮-১০ সে.মি. লম্বা নলাকার খাদ, যা মূত্রনালির নিচ দিয়ে প্রসারিত থাকে তাকে যোনি বলে।  রুগী যোনির প্রাচীরে কতকগুলো ভাঁজ দেখা যায় তাকে রুগী বলে।  হাইমেন বা সতীচ্ছেদ কুমারীদের যোনিপথে হাইমেন বা সতীচ্ছেদ নামক একটি পর্দা দেখা যায়।

ফেলোপিয়ান নালি বা ডিম্বনালি কাকে বলে?

ফেলোপিয়ান নালি বা ডিম্বনালি  জরায়ুর দুই পাশ থেকে দুটি নালি উৎপন্ন হয়ে দুই ডিম্বাশয় পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। এদেরকে ফেলোপিয়ান নালি বা ডিম্বনালি বলে। প্রতিটি ফেলোপিয়ান নালি ১২ সে.মি লম্বা হয়ে থাকে। ফেলোপিয়ান নালির প্রাচীর পেশিবহুল। ফেলোপিয়ান নালির শেষ প্রান্তে অবস্থিত অংশগুলোর মতো কিছু অভিক্ষেপকে ফিমব্রি বলে। ডিম্বপাতের পর স্থলিত ডিম্বাণুকে ফেলোপিয়ান নালিতে প্রবিষ্ট করানো এর কাজ। ফিমব্রির ঠিক আগের স্ফীত অংশকে অ্যাম্পুলা … Read more

শিশ্ন বা পুং লিঙ্গ কাকে বলে?

শিশ্ন বা পুং লিঙ্গ যে পেশিবহুল ও নরম অংশের মধ্য দিয়ে ইউরেথ্রা প্রসারিত হয় তাকে শিশ্ন বা পুং লিঙ্গ বলে। শিশ্ন কর্পোরা ক্যাভারনোসা ও কর্পোরা স্পনজিওসাম নামক স্থিতিস্থাপক পেশি দিয়ে গঠিত। শিশ্নের শীর্ষভাগকে গ্লান্স পেনিস বলে। এতে সবচেয়ে বেশি স্নায়ুর প্রান্তদেশ উন্মুক্ত। শিশ্নদেহ দুই ধরনের উত্থানক্ষম কলা দ্বারা গঠিত। এ কলা দৃঢ় হলে শিশ্ন প্রসারিত … Read more

ক্লিভেজ কাকে বলে? ব্লাস্টোমিয়ার কাকে বলে? মরুলা কাকে বলে? ব্লাস্টোডার্ম কাকে বলে? ব্লাস্টোসিল কাকে বলে?

যে পদ্ধতিতে জাইগোট মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে বিভাজিত হয়ে অসংখ্য ভ্রূণকোষ তৈরি করে তাকে ক্লিভেজ বলে।  ক্লিভেজে সৃষ্ট ভ্রূণের প্রতিটি কোষকে ব্লাস্টোমিয়ার বলে।  ক্লিভেজ পদ্ধতিতে জাইগোট ক্রমাগত গোলকে পরিণত হয়। একে মরুলা বলা হয়।  ক্রমে একটি তরলপূর্ণ গহ্বর সৃষ্টি হয়। ভ্রূণের এ দশাকে ব্লাস্টোডার্ম বলে এবং ভিতরের তরলপূর্ণ গহ্বরকে ব্লাস্টোসিল বলে।

ইমপ্ল্যান্টেশন কাকে বলে? ব্লাস্টোসিস্ট কাকে বলে? মরুলা কাকে বলে? ব্লাস্টোমিয়ার কাকে বলে?

নিষেকের ৩ থেকে ৯ দিনের মধ্যে জাইগোটটি ব্লাস্টোসিস্ট অবস্থায় জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে সংস্থাপিত হয়। যে প্রক্রিয়ায় এটি সংঘটিত হয় তাকে ইমপ্ল্যান্টেশন বলে। ইমপ্ল্যান্টেশনের সময় ভ্রূণ যে অবস্থায় থাকে তাকে ব্লাস্টোসিস্ট বলে। ডিম্বাণু ফেলোপিয়ান (ডিম্বনালি) ঊর্ধ্বপ্রান্তে নিষিক্ত হয়ে জাইগোটে পরিণত হয়। এটি দ্রুত বিভক্ত হয়ে একটি ক্ষুদ্র নিরেট কোষপিণ্ডে পরিণত হয়। একে মরুলা বলে।মরুলায় কোষ সমূহকে ব্লাস্টোমিয়ার … Read more

error: Content is protected !!