প্রত্যক্ষ বা সক্রিয় প্রতিরক্ষা কাকে বলে?

কোনো অ্যান্টিজেন দেহে প্রবেশের পর দেহ অ্যান্টিবডি তৈরি করে অথবা ঘাতক কোষের মাধ্যমে অ্যান্টিজেনকে সরাসরি ধ্বংস করে যে প্রতিরক্ষা সৃষ্টি করে তাকে সক্রিয় বা প্রত্যক্ষ প্রতিরক্ষা বলে। এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তবে এ ধরনের প্রতিরক্ষা ধীরে ধীরে অর্জিত হয়।

অর্জিত প্রতিরক্ষা কাকে বলে?

অর্জিত প্রতিরক্ষা শুধুমাত্র অ্যান্টিজেন বা রোগজীবাণু দেহে প্রবেশের পরই সৃষ্টি হয়। দেহে যখন কোনো রোগজীবাণু ্প্রবেশ করে তখন দেহের ইমউনতন্ত্র ঐ জীবাণুর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরি করে প্রতিরক্ষা গড়ে তোলে। এ ধরনের প্রতিরক্ষাকে অর্জিত প্রতিরক্ষা বলে। এটি জন্মগত নয়।

ইমিউনিটি কি?

পরিবেশের নানা প্রকার ক্ষতিকর আণুবীক্ষণিক জীব ও বিষাক্ত পদার্থ মানুষের দেহে নানানভাবে প্রবেশ করে এবং মানুষের স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াকে মাঝে মাঝে বিপর্যস্ত করে তোলে বা করার চেষ্টা করে। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, তাদের প্রতিবিষ ও নানা প্রকার বিজাতীয় প্রোটিন মানবদেহকে আক্রমণ করলে বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয়। এরা মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি করে। এদেরকে নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিরোধ … Read more

জিনতত্ত্বের বা বংশগতির জনক কে?

বংশগতিবিদ্যার সর্বপ্রথম বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে বংশগতিবিদ্যার প্রতিষ্ঠাতা বা জনক বলা হয়। দীর্ঘ সাত বছর বিভিন্ন মটরশুঁটি গাছের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে তিনি বংশগতির দুটি সূত্র প্রবর্তন করেন। তার সূত্রগুলোকে মেন্ডেলবাদ বলে আখ্যায়িত করা হয়। মেন্ডেলবাদকে আধুনিক জিনতত্ত্বের ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।

error: Content is protected !!