কাইল কি?
ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রায় পাচিত অর্ধ তরল খাদ্যকে কাইল বলে। এটি ক্ষারীয় মাধ্যমে হয়ে থাকে।
ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রায় পাচিত অর্ধ তরল খাদ্যকে কাইল বলে। এটি ক্ষারীয় মাধ্যমে হয়ে থাকে।
স্থান পরিবর্তন না করে অক্ষিগোলকের পেশি ও লেন্স-এর সাহায্যে যে পদ্ধতিতে বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত বস্তুকে স্পষ্টভাবে দেখা যায় তাকে উপযোজন বলে। সাধারণত উযোজন না ঘটিয়ে একজন সুস্থ ব্যক্তি ৬ মিটার দূরের বস্তুকে স্পষ্টভাবে দেখতে পায়, এ ৬ মিটার দূরত্বকে দূরবিন্দু (far point) বলে। ঠিক একইভাবে একজন ব্যক্তি ১৫ সেন্টিমিটার কাছের বস্তুকে ভালোভাবে দেখতে পান। এ ১৫ সেন্টিমিটার দূরত্বকে নিকটবিন্দু (near point) … Read more
রক্তনালির অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধার পদ্ধতিকে থ্রম্বোসিস বলে। রক্তবাহস্থিত রক্তমণ্ডকে থ্রম্বাস (Thrombus) বলে। হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস (Coronary thrombosis) এবং গুরুমস্তিষ্কের রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস (Cerebral thrombosis) বলে।
পাকস্থলীর ছন্দবদ্ধ আন্দোলন বা ঢেউকে পেরিস্টালসিস বলে। এই ঢেউ ফান্ডাসের দিক থেকে পাইলোরিক দিকে শেষ হয়।
মস্তিষ্ক থেকে সৃষ্ট স্নায়কে করোটিক স্নায়ু বলে। মস্তিষ্ক করোটিকার মধ্যে অবস্থিত বলে মস্তিষ্ক উদ্ভূত স্নায়ুগুলো করোটিক স্নায়ু নামেই পরিচিত। মানুষের করোটিক স্নায়ুর সংখ্যা ১২ জোড়া।
যেসব অঙ্গের মাধ্যমে আমরা বহির্জগতকে অনুভব করতে সক্ষম হই, যেমন – চোখ, কান, নাক, জিহ্বা ও ত্বক, এগুলোই সংবেদী অঙ্গ বলে।
টিমপেনিক পর্দা বা কর্ণপটহ বহিঃঅডিটরি মিটাসের শেষ প্রান্তে এবং মধ্যকর্ণের মুখে আড়াআড়িভাবে অবিস্থিত, ডিম্বাকার, স্থিতিস্থাপক পর্দাকে টিমপেনিক পর্দা বলে। এর বাইরের দিক অবতল, ভেতরের দিক উত্তল। এর সাথে মধ্যকর্ণের ম্যালিয়াস অস্থি যুক্ত থাকে। কাজ বহিঃকর্ণকে মধ্যকর্ণ থেকে পৃথক করে রাখে। শব্দতরঙ্গ কেঁপে ওঠে এবং শব্দতরঙ্গকে সমতলে মধ্যকর্ণ পরিবাহিত করে।
দুই উরুর মাঝখানে অবস্থিত ঝুলে থাকা ত্বকে আবৃত থলি বিশেষ স্ক্রোটাম বা অন্ডথলি। ত্বকের নিচে পাঁচ ধরনের পেশিস্তর থাকে। সবকটি স্তর মিলিত হয়ে যে ব্যবধায়ক নির্মাণ করে তা স্ক্রোটামের গহ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করে থাকে। একটি করে শুক্রাশয়, এপিডাইমিস এবং শুক্রাণুর কিছু অংশ ধারণ করে প্রতিটি ভাগ। অন্ডথলি প্রধান কাজ শুক্রাণু উৎপন্নের জন্য অনুকূল তাপমাত্রা … Read more