সেক্সলিঙ্কড জিন কাকে বলে?
X ক্রোমোসোমে অবস্থিত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী জিনকে সেক্সলিঙ্কড জিন এবং এই জিনের বংশানুক্রমিক সঞ্চারণকে সেক্সলিঙ্কড জিন বলে।
X ক্রোমোসোমে অবস্থিত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী জিনকে সেক্সলিঙ্কড জিন এবং এই জিনের বংশানুক্রমিক সঞ্চারণকে সেক্সলিঙ্কড জিন বলে।
দুই বা তারও বেশি জিন যখন জীবের কোনো একটি বৈশিষ্ট্যের বহিঃপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ করে তখন ঐ জিনগুলোকে পলিজিন বলে।
বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী জিনকে যখন অন্য একটি নন-অ্যালিলিক জিন অবদমন করে তখন বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী জিনটি তার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করতে পারে না। এ ঘটনাকে এপিস্ট্যাসিস বলে।
পারিপার্শ্বিক উদ্দীপকের প্রতি প্রাণী যে প্রতিক্রিয়া দেখায় তাকে আচরণ বলে। যেমন – ছুটাছুটি, ধ্বনি সৃষ্টি করা, ভয় দেখানো, পালিয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
কোনো একটি প্রজাতির অন্তর্ভূক্ত প্রতিটি প্রাণী কোনো প্রকারের পূর্ব অভিজ্ঞতা বা শিক্ষা ব্যতিরেকে আত্মরক্ষার জন্য বা জৈবিক প্রয়োজন মেটানোর তাগিদে বংশপরম্পরায় একই রকমভাবে যেসব জন্মগত অপরিবর্তনীয় আচরণ প্রদর্শন করে তাকে সহজাত আচরণ বলে। সহজাত আচরণের উদাহরণস্বরূপ বলা যায় – মাকড়সার জালবোনা, পাখির বাসা বানানো, মৌমাছির মৌচাক তৈরির প্রবৃত্তি ইত্যাদি।
কোনো জিনের মিউটেশনের ফলে সৃষ্ট জিনকে যদি বাহক জীবের মৃত্যু ঘটায় তবে উক্ত মিউটেটেড জিনকে লিথাল জিন বলে।
আমিষ খাদ্য হজমের এনজাইমকে প্রোটিয়েজ বলে। যেমন – পেপসিন, ট্রিপসিন, এক একটি প্রোটিয়েজ।
যকৃত থেকে নিঃসৃত এবং পিত্তথলিতে জমাকৃত রসকে পিত্তরস বলে।