প্রোক্যারিওটা বলতে কী বুঝায়?
সুগঠিত নিউক্লিয়াসবিহীন কোষই প্রোক্যারিওটা। এদের নিউক্লিয়াসে ক্রোমাটিন দানা থাকে। এতে সাধারণত রাইবোসোম ছাড়া অন্য কোনো কোষীয় অঙ্গাণু থাকে না। কোষ বিভাজন অ্যামাইটোসিস পদ্ধতিতে ঘটে। যেমন- ব্যাকটেরিয়ার কোষ।
সুগঠিত নিউক্লিয়াসবিহীন কোষই প্রোক্যারিওটা। এদের নিউক্লিয়াসে ক্রোমাটিন দানা থাকে। এতে সাধারণত রাইবোসোম ছাড়া অন্য কোনো কোষীয় অঙ্গাণু থাকে না। কোষ বিভাজন অ্যামাইটোসিস পদ্ধতিতে ঘটে। যেমন- ব্যাকটেরিয়ার কোষ।
সুগঠিত নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষকে ইউক্যারিওটা বলে। এদের নিউক্লিয়াসে ক্রোমোসোম থাকে। এতে রাইবোসোমসহ সব ধরনের কোষীয় অঙ্গাণু থাকে। কোষ বিভাজন মাইটোসিস পদ্ধতিতে ঘটে। যেমন- উন্নত জীবের কোষ।
সুবিশাল জীব জগতকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে জানা, বোঝা এবং শেখার সুবিধার্থে সুষ্ঠভাবে বিন্যাস করা বা সাজানোকেই শ্রেণিবিন্যাস বলা হয়। শ্রেণিবিন্যাসের উদ্দেশ্য হলো জীবজগতের ভিন্নতার প্রতি আলোকপাত করে আহরিত জ্ঞানকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা, পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা এবং প্রতিটি জীবকে শনাক্ত করে তার নামকরণের ব্যবস্থা করা। সর্বোপরি জীবজগৎ ও মানব কল্যাণে প্রয়োজনীয় জীবসমূহকে শনাক্ত করে তাদের … Read more
পারস্পরিক সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ওপর ভিত্তি কর জীবকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। এর ফলে বিশাল ও বৈচিত্র্যময় জীবজগতকে সহজভাবে অল্প পরিশ্রমে এবং অল্প সময়ে সঠিকভাবে জানা সম্ভব হয়। কারণ এতে একটি দলের একটি জীব সম্পর্কে জানলেই ঐ দলের সমস্ত জীব সম্পর্কে জানা হয়ে যায় এবং অন্যান্য দল থেকে একে আলাদা করা যায়। … Read more
Species Plantarum হলো সুইডিস বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসের রচিত একটি বই। ১৭৫৩ সালে তিনি এই বইটি রচনা করেন। এই বইটি প্রকাশের মাধ্যমে তিনি দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির প্রবর্তন করেন এবং গণ ও প্রজাতির সংজ্ঞা দেন। তিনিই প্রথম এই গ্রন্থে জীবের শ্রেণি, বর্গ, গণ এবং প্রজাতি ধাপগুলো ব্যবহার করেন।
শ্রেণিবিন্যাসের ধাপগুলো হলো-
বৈচিত্র্যময় জীবজগতের প্রতিটি জীবকে আলাদা নামে সঠিকভাবে জানার জন্য নামকরণ করা হয়। আন্তর্জাতিকভাবে সুনির্দিষ্ট নিয়মে বৈজ্ঞানিক নাম করা হলে পৃথিবীর সবদেশের বিজ্ঞানীরা একই নামে সংশ্লিষ্ট জীবকে সনাক্ত করতে পারেন। এতে করে জীবের নামের ভাষাগত ভিন্নতা দূর হয়।
মানবজীবনে এর যথেষ্ট অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। মাশরুম বিভিন্ন ভিটামিন সমৃদ্ধ হওয়ায় বহুদেশে সুপ্রিয় খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।এর চাষ বেশ লাভজনক হওয়ায় এখন চাষাবাদ করে অনেকেই জীবিকা নির্বাহ করছে। মাশরুমে আঁশ বেশি থাকায় এবং শর্করা ও চর্বি কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি আদর্শ খাবার হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। এতে শর্করা, প্রোটিন, চর্বি ভিটামিন, খনিজ লবণ এমন … Read more