উপমিত কর্মধারয় সমাস কাকে বলে?
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন – মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ।
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন – মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ।
উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। এ সমাসে উপমেয় পদ পূর্বে বসে এবং উপমান পদ পরে বসে এবং সমস্যমান পদে ‘রূপ’ অথবা ‘ই’ যোগ করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়। যেমন – ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল, বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু, মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।
উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়, আর যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে তাকে বলা হয় উপমান। উপমান ও উপমেয়ের একটি সাধারণ ধর্ম থাকবে। যেমন – ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ কেশ = ভ্রমরকৃষ্ণকেশ।এখানে, ভ্রমর উপমান এবং কেশ উপমেয়। কৃষ্ণত্ব হলো সাধারণ ধর্ম। সাধারণ ধর্মবাচক পদের … Read more
সুবিধা পণ্য কাকে বলে? যেসব পণ্য রয়েছে যা ভোক্তা বা ব্যবহাকারীরা স্বল্পতম সময়ের মধ্যে কাছাকাছি দোকান থেকে বিশেষ তুলনামূলক বিচার না করেই ক্রয় করার চেষ্টা করে তাদেরকে সুবিধা পণ্য বলে। এসব পণ্যের মূল্য সাধারণত কম থাকে এবং বিভিন্ন দোকানদারগণ একই ধরনের অথবা প্রায় একই গুণাগুণসম্পন্ন পণ্য মজুদ করে রাখে যা গ্রাহক চাওয়া মাত্র বিক্রয় করতে … Read more
বাষ্পপাতন (Steam Distillation) কি? যেসব কঠিন বা তরল জৈব যৌগ পানিতে অদ্রবণীয় ও ফুটন্ত পানিতে বিয়োজিত হয় না কিন্তু স্টিমের তাপমাত্রায় উদ্বায়ী, এসব উপাদানকে অনুদ্বায়ী ভেজাল হতে স্টিমের সাহায্যে পাতন করে পৃথক করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পপাতন বা স্টিম পাতন বলে। বাষ্প পাতনের ক্ষেত্রে উদ্বায়ী জৈব উপাদান তার স্বাভাবিক স্ফুটনাঙ্ক অপেক্ষা নিম্ন তাপমাত্রায় ফুটে বাষ্পায়িত হয় এবং … Read more
শব্দ প্রাবল্যের আরও একটি একক হলো সোন। শ্রোতার শ্রাব্যতার সীমার 40 dB ঊর্ধ্বে 1000 Hz কম্পাঙ্কের একটি বিশুদ্ধ সুর যে প্রাবল্য সৃষ্টি করে তাকে সোন বলে।
বাষ্পপাতন পদ্ধতিতে পানিতে অদ্রবণীয় জৈব নমুনাকে বাষ্প প্রবাহে বাষ্পীভূত করে অনুদ্বায়ী অপদ্রব্যের মিশ্রণ হতে পাতন করে পৃথক করা হয়। বাষ্প পাতন পদ্ধতিতে উচ্চ স্থির স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট যৌগ ব্যবহৃত হয় (যেমন: বেনজিন, ফেনল) যা কম তাপমাত্রায় পাতিত হয়। পরস্পর মিশে না এমন দুটি তরল (যেমন: পানি ও বেনজিন) এমনভাবে উত্তপ্ত করা হয় যেন মিশ্র তরলের আংশিক … Read more
সমান কম্পাঙ্ক ও বিস্তারের দুটি আলোক তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে ব্যতিচার সৃষ্টি হয়। ফলে কোনো তলে বা পর্দায় অনেকগুলো পরস্পর সমান্তরাল উজ্জল ও অন্ধকার রেখা পাওয়া যায়। এই উজ্জল ও অন্ধকার বা ডোরাগুলোকে আলোকের ব্যতিচার ঝালর বলে।