স্টীম বা বাষ্প পাতন কাকে বলে?

যে সকল জৈব যৌগ (কঠিন বা তরল) পানিতে অদ্রবণীয় এবং ফুটন্ত পানিতে বিয়োজিত না হয়ে স্টীম প্রবাহে বাষ্পীভূত হয়, তাদেরকে অনুদ্বায়ী অপদ্রব্যের মিশ্রণ থেকে স্টীম প্রবাহের মাধ্যমে পাতন করে পৃথকীকরণের পদ্ধতিকে স্টীম বা বাষ্প পাতন বলে।

রাজাকার কাকে বলে? গঠন, বিলুপ্তি, তালিকা ও ভূমিকা

রাজাকার কাকে বলে? রাজাকার অর্থ বিশ্বাসঘাতক বা প্রতারক। রাজাকার শব্দটি একটি অপমানজনক গালি হিসেবে পরিচিত হয়। রাজাকাররা মূলত দেশদ্রোহী হিসেবে পরিচিত। তবে স্থানভেদে রাজাকার শব্দটির অর্থের পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। যারা মুক্তিযু্দ্ধের সময় পশ্চিম পাকিস্তানিদের সাহায্য করতো এবং তাদের সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত হতো তাদেরকে রাজাকার বলা হয়। রাজাকার বাহিনী গঠন মে, ১৯৭১ মওলানা এ কে … Read more

চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোগ নির্ণয়ে এক্সরের অবদান

এক্সরে নানা কাজে ব্যবহার করা যায়। রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান অপরিসীম। ১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই শনাক্ত করা যায়।২. মুখমণ্ডলের যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়।৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা (Intestinal … Read more

স্ট্রোমা কি?

ঝিল্লিবেষ্টিত ক্লোরোপ্লাস্টের ভেতরে অবস্থিত স্বচ্ছ, দানাদার, অসবুজ, তরল জলীয় পদার্থটির নাম স্ট্রোমা। লিপোপ্রোটিন ও কিছু এনজাইম নিয়ে স্ট্রোমা গঠিত। স্টোমা গ্রানার ধাত্র বা ম্যাট্রিক্স হিসেবে কাজ।

ক্লোরোপ্লাস্ট কাকে বলে? ক্লোরোপ্লাস্টের কাজ

ক্লোরোপ্লাস্ট কাকে বলে? উদ্ভিদের সবুজ বর্ণ সৃষ্টিকারী প্লাস্টিডের নাম ক্লোরোপ্লাস্ট। ক্লোরোফিল-a, ক্লোরোফিল-b, ক্যারোটিন ও জ্যান্থফিলের সমন্বয়ে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত। কিন্তু ক্লোরোফিলের আধিক্যের কারণেই ক্লোরোপ্লাস্টের রং সবুজ। ক্লোরোপ্লাস্টের কাজ

ক্রোমোপ্লাস্ট কাকে বলে?

উদ্ভিদদেহের সবুজ ছাড়া অন্য যেকোনো বর্ণ ধারণকারী প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্ট বলা হয়। ফুলের পাপড়ি, ফলের রং অথবা সবুজ ব্যতীত অন্য যেকোনো রং ক্রোমোপ্লাস্ট এর কারণেই সৃষ্টি হয়। কখনও কখনও রঙিন বৃতি ও রঙিন মূলেও (মূলা, গাজর, মিষ্টি আলু) ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে। ক্রোমোপ্লাস্টের কাজ

ঘনীভবন কাকে বলে? উদাহরণ, গুরুত্ব ও শর্ত

ঘনীভবন কাকে বলে? জলীয় বাষ্পকে ঘনীভূত করে তরলে পরিণত হওয়াকে ঘনীভবন বলে। ঘনীভবন হলো গ্যাসীয় থেকে পদার্থের অবস্থাকে তরল পর্যায়ে পরিবর্তন করা এবং এটি বাষ্পীভবনের বিপরীত প্রক্রিয়া। কোনো বাষ্পকে শীতল করে তা তরলে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে ঘনীভবন বলে। যেমন – জলীয় বাষ্প তাপশক্তি নির্গত করে ঠাণ্ডা হয়ে পানিতে পরিণত হয়। এটি একটি ঘনীভবন প্রক্রিয়া। ঘনীভবন তার বায়বীয় শক্তির মধ্যে … Read more

C4 উদ্ভিদ কাকে বলে?

সবুজ উদ্ভিদে সংঘটিত সালোকসংশ্লেষণের অন্ধকার পর্যায়ে CO2  বিজারণের তিনটি গতিপথ রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্র বা  C4 গতিপথ। এই চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো ৪ কার্বন বিশিষ্ট অক্সালো এসিটিক এসিড। যেসব উদ্ভিদে  C3 গতিপথ বা ক্যালভিন চক্র পরিচালিত হওয়ার পাশাপাশি এই C4 গতিপথও সংঘটিত হয় সেগুলোই হলো C4 উদ্ভিদ।

error: Content is protected !!