প্রোটোপ্লাজম কি? প্রোটোপ্লাজম কাকে বলে?

কোষ মধ্যস্থ সম্পূর্ণ সজীব অংশ প্রোটোপ্লাজম। প্রোটোপ্লাজম হলো কোষের অর্ধতরল, জেলির মতো আঠালো ও দানাদার বর্ণহীন সজীব অংশ। প্রোটোপ্লাজমের নানাবিধ বিক্রিয়ার ফলে জীবনের বৈশিষ্ট্যগুলো পরিলক্ষিত হয়। এটি বিভিন্ন জৈব ও অজৈব যৌগের সমন্বয়ে গঠিত। প্রোটোপ্লাজমে পানির পরিমাণ শতকরা ৬৭ – ৯০ ভাগ। কোষের ভিতরে যে অর্ধস্বচ্ছ, থকথকে জেলির মতো বস্তু থাকে তাকে প্রোটোপ্লাজম বলে। কোষঝিল্লি … Read more

ক্রোমোপ্লাস্টিড কি?

উদ্ভিদ কোষে বিদ্যমান বর্ণযুক্ত প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্টিড বলে। ক্রোমোপ্লাস্টিড কাকে বলে? উদ্ভিদদেহের সবুজ ছাড়া অন্য যেকোনো বর্ণ ধারণকারী প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্ট বলা হয়। ফুলের পাপড়ি, ফলের রং অথবা সবুজ ব্যতীত অন্য যেকোনো রং ক্রোমোপ্লাস্টিড এর কারণেই সৃষ্টি হয়। কখনও কখনও রঙিন বৃতি ও রঙিন মূলেও (মূলা, গাজর, মিষ্টি আলু) ক্রোমোপ্লাস্টিড থাকে। ক্রোমোপ্লাস্টিড কাজ

কর্মবাচ্যের ধাতু কাকে বলে?

মৌলিক ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে কর্মবাচ্যের ধাতু সাধিত হয়। এটি বাক্যমধ্যস্থ কর্মপদের অনুসারী ক্রিয়ার ধাতু। যথা – দেখ্ + আ = দেখা; কাজটি ভালো দেখায় না। হার্ + আ = হারা; যা কিছু হরায় গিন্নী বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর।

প্রযোজক ধাতু কাকে বলে?

মৌলিক ধাতুর পরে প্রেরণার্থ (অপরকে নিয়োজিত করা অর্থে) ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু গঠিত হয়। যেমন – কর্ + আ = করা (এখানে ‘করা’ একটি ধাতু)।  যেমন – সে নিজে করে না, আর একজনকে দিয়ে করায়।অনুরূপভাবে – পড় + আ = পড়া; তিনি ছেলেকে পড়াচ্ছেন।

নাম ধাতু কাকে বলে?

বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অনুকার অব্যয়ের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে নতুন ধাতুটি গঠিত হয় তাই নাম ধাতু। যেমন – সে ঘুমাচ্ছে। ‘ঘুম’ থেকে নাম ধাতু ‘ঘুমা’। ‘ধমক্’ থেকে নাম ধাতু ‘ধমকা’। যেমন – আমাকে ধমকিও না।

যৌগিক শব্দ কাকে বলে?

যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।যেমন – গায়ক = গৈ + ণক (অক) – অর্থ : গান করে যে।কর্তব্য = কৃ + তব্য – অর্থ : যা করা উচিত।বাবুয়ানা = বাবু + আনা – অর্থ : বাবুর ভাব।মধুর = মধু + র – অর্থ : মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত। যৌগিক … Read more

error: Content is protected !!