পর্বমধ্য কাকে বলে?

পাশাপাশি দুটি পর্বের মধ্যবর্তী অংশটি পর্বমধ্য। পর্বমধ্য গাছকে খাড়া রাখতে ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। পর্বমধ্য থেকে কোনো ধরনের মূল, পাতা বা শাখা সৃষ্টি হয় না। সাধারণত কাণ্ডের বেশির ভাগ অংশই মাটির উপরে দেখা যায়। কিন্তু কিছু কিছু গাছের কাণ্ড মাটির নিচেও থাকে যেমন: আলু, আদা ইত্যাদি।

লম্ব কাকে বলে?

একটি সরলরেখার ওপর অপর একটি সরলরেখা দন্ডায়মান হবার ফলে যদি উৎপন্ন সন্নিহিত কোনদ্বয়ের মান সমান হয় অর্থাৎ ৯০° , তাহলে একটি সরলরেখাকে অপর সরলরেখাটির ওপর লম্ব বলা হয়। চিত্রে AB⊥CD এর উপর লম্ব।

দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বা কাকে বলে?

কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, একে বলে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বা।যেমন – পাকা > পাক্কা, সকাল > সক্কাল ইত্যাদি।

ব্যাকটেরিয়াকে আদিকোষী বলা হয় কেন?

ব্যাকটেরিয়া এক ধরনের অণুজীব। এদের কোষ সুগঠিত নয়। কোষ সুগঠিত না থাকায় ব্যাকটেরিয়াকে আদিকোষী বলা হয়।এ কোষের নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না, তাই নিউক্লিওবস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে। এর কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে। ব্যাকটেরিয়ার ক্রোমোজোমে কেবল DNA থাকে। এ সকল কোষীয় বৈশিষ্ট্যসমূহ আদিকোষী জীবের কোষীয় বৈশিষ্ট্যের … Read more

একই উদ্ভিদের পাতা সবুজ হলেও ফুল রঙিন হয় কেন?

উদ্ভিদের পাতায় সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে এর রং সবুজ হয়। কিন্তু উদ্ভিদের ফুলের পাপড়িতে ক্রোমোপ্লাস্ট নামক প্লাস্টিড থাকে যা বিভিন্ন বর্ণ বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে। ফলে উদ্ভিদের ফুল রঙিন হয়।

বর্গ কাকে বলে?

চতুর্ভুজের চারটি বাহু ও চারটি কোণ পরস্পর সমান হলে তাকে বর্গ বলে। বর্গ একটি সুষম ও সমকোণী চতুর্ভুজ।

এসিড কাকে বলে?

যে সকল পদার্থের অণুতে হাইড্রোজেন পরমাণু আছে এবং জলীয় দ্রবণে বিয়োজিত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন প্রদান করে তাদেরকে অম্ল বা এসিড বলে।  যেমন- HCl, HNO3, H2SO4, H3C-COOH   ইত্যাদি।HCl+H2O → H+(aq)+Cl–(aq)HNO3+H2O → H+(aq)+NO3–(aq)H2SO4+H2O → 2H+(aq)+SO42-(aq)CH3COOH+H2O → H+(aq)+CH3COO–(aq)

যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর কাকে বলে?

পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চারণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনি রূপে উচ্চারিত হয়। এরূপ একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর বলা হয়। যেমন – অ + ই = অই (বই), অ + উ = অউ (বউ), অ + এ = অয়, (বয়, ময়না), অ + ও = অও (হও, লও)।

error: Content is protected !!