রাশিয়ার মুদ্রার নাম কি?
রাশিয়ার মুদ্রার নাম – রুবল। রাশিয়া এবং বেলারুশের মুদ্রার নাম রুবল। রিংগিত হলো মালয়েশিয়ার মুদ্রা, লিরা তুরস্কের মুদ্রা এবং ক্রোনা হলো সুইডেন, আইসল্যান্ডের মুদ্রা।
রাশিয়ার মুদ্রার নাম – রুবল। রাশিয়া এবং বেলারুশের মুদ্রার নাম রুবল। রিংগিত হলো মালয়েশিয়ার মুদ্রা, লিরা তুরস্কের মুদ্রা এবং ক্রোনা হলো সুইডেন, আইসল্যান্ডের মুদ্রা।
দহগ্রাম ছিটমহলটি লালমনিরহাট জেলার অন্তর্গত। ৩১ জুলাই ২০১৫ মধ্যরাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটমহল বিনিময় হয়। তবে এ বিনিময় চুক্তির মধ্যে দহগ্রাম ছিটমহলটি পড়ে না। কারণ এ সমস্যার সমাধান ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী সমাধান হয়েছে। এ চুক্তি অনুযায়ী আড়াই বর্গমাইল আয়তনের দক্ষিণ বেরুবাড়ীর বিনিময়ে দহগ্রাম আঙ্গরপোতা ছিটমহলের অধিবাসীদের মূল ভূখণ্ডে নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য তিন বিঘা … Read more
লর্ড কার্জন – এর সময়ে বঙ্গভঙ্গ হয়। ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জনের এক ঘোষণার মাধ্যমে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ‘বঙ্গভঙ্গ’ হয়। বঙ্গভঙ্গের ফলে নতুন প্রদেশ ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম’ গঠিত হয়। নবগঠিত এ প্রদেশের রাজধানী ও আইনসভা ছিল ঢাকায়। ‘বঙ্গভঙ্গ’ রদ হয় ১৯১১ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময়ে।
বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেন – সম্রাট আকবর। পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুঘল সম্রাট আকবর হিজরি ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
দুধ একটি আদর্শ খাদ্য। কারণ খাদ্যের ৬টি উপাদানের সবগুলোই দুধে বিদ্যমান রয়েছে।
করোনারী থ্রম্বসিস অসুখটি – হৃদপিণ্ডের। রক্তে যদি LDL বা কোলেস্টেরল পরিমাণ স্বাভাবিক (১০০ – ২০০ mg/dl) এর তুলনায় বেশি হয়ে যায় তখন ধমনী গাত্রে বা প্রাচীরে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্তপ্রবাহের পথ সংকুচিত হয়। এতে প্রাচীরে স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় ও শক্ত হয়। এ অবস্থাকে orterioscleosis বা ধমনীর কাঠিন্য বলে। এর কারণে প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে … Read more
বাংলাদেশের মণিপুরি নাচ সিলেট অঞ্চলের ঐতিহ্য। সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার জুড়ে বসবাসরত ‘মণিপুরী’ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী। তাদের সংস্কৃতির উজ্জ্বলতম দিক হলো ‘মণিপুরী’ নৃত্য যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। মণিপুরী নৃত্যকলা তার কোমলতা, রুচিশীল ভঙ্গিমা ও সৌন্দর্য দিয়ে জয় করেছে অসংখ্য দর্শকের মন।
জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি – গামা রশ্মি। জীব জগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি গামা। এর ভেদন ক্ষমতা মহাবিশ্বের যে কোনো কণা বা তরঙ্গের থেকে বেশি। এটি আধানবিহীন ও চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সাধারণত নিউক্লিয় বিক্রিয়া গামা বিকিরণের উৎস। তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গামা বিকিরণ নির্গত হয়। এটি প্রাণিদেহ বা উদ্ভিদদেহের মধ্য দিয়ে গমনকালে স্থায়ী … Read more