ক্রেমলিন কি?
ক্রেমলিন হলো – রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন। রাশিয়া প্রজাতন্ত্রের রাজধানী মস্কো শহরের মস্কোভা নদীর উত্তরে অবস্থিত বিখ্যাত ক্রেমলিন কমপ্লেক্স দেশটির প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ক্রেমলিন হলো – রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন। রাশিয়া প্রজাতন্ত্রের রাজধানী মস্কো শহরের মস্কোভা নদীর উত্তরে অবস্থিত বিখ্যাত ক্রেমলিন কমপ্লেক্স দেশটির প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় – ৮ই মার্চ। বিশ্বে নারী অধিকার আদায়ের একটি উপলক্ষ হিসেবে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়।
বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে। শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যরীতির জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে অভিহিত করা হয়। তিনি বাংলা গদ্যের অবয়ব নির্মাণে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেন। বিদ্যাসাগর গদ্যের অনুশীলন পর্যায়ে সুশৃঙ্খলতা, পরিমিতিবোধ ও ধ্বনিপ্রবাহে অবিচ্ছিন্নতা সঞ্চার করে বাংলা গদ্যরীতিকে উৎকর্ষের এক উচ্চতর পরিসীমায় উন্নীত করেন।
চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, সরহপাদম, কৃষ্ণপাদের দোহা এবং ডাকার্নব এ চারটি পুঁথি একত্রে হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এগুলোর মধ্যে একমাত্র চর্যাপদই বাংলা ভাষায় রচিত। অন্য তিনটি অপভ্রংশ ভাষায় রচিত।
পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলন স্থলের নাম – চাঁদপুর। পদ্মা ও মেঘনা নদী চাঁদপুরে মিলিত হয়ে মেঘনা নাম নিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। আর পদ্মা ও যমুনা মিলিত হয় গোলালন্দে।
বরেন্দ্র বলতে – উত্তরবঙ্গ কে বোঝায়। বাংলার প্রাচীন জনপদ ‘বরেন্দ্র’ এর সীমানা ছিল পশ্চিমে গঙ্গা ও মহানন্দা, পূর্বে করতোয়া, দক্ষিণে পদ্মা এবং উত্তরে কুচবিহার। বরেন্দ্র বলতে বর্তমানে উত্তরবঙ্গ তথা রাজশাহী অঞ্চলকে বোঝানো হয়। তবে পুন্ড্রু জনপদও রাজশাহী অঞ্চলের অংশ বিশেষ ছিল।
ধূমকেতু পত্রিকার সম্পাদক – কাজী নজরুল ইসলাম। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯ – ১৯৭৬) দৈনিক নবযুগ পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ধূমকেতু (১৯২২) ও লাঙল (১৯২৫) পত্রিকা। তার অর্ধ-সাপ্তাহিক ধূমকেতু পত্রিকায় প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ বাণী হলো -‘ আয় চলে আয় রে ধূমকেতু, আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু দুর্দিনের এই দুর্গশিরে উড়িয়ে দে তোর … Read more
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরষ্কার বাংলা একাডেমি পুরষ্কার। বাংলা সাহিত্যে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ পুরষ্কার ‘বাংলা একাডেমি পুরষ্কার’। ১৯৬০ সালে প্রবর্তিত এ পুরষ্কারের প্রতিটিতে দেয় হয় ১ লাখ টাকা এবং বাংলা একাডেমির মনোগ্রাম সম্বলিত একটি ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র।