চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কত সালে?

চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, সরহপাদম, কৃষ্ণপাদের দোহা এবং ডাকার্নব এ চারটি পুঁথি একত্রে হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এগুলোর মধ্যে একমাত্র চর্যাপদই বাংলা ভাষায় রচিত। অন্য তিনটি অপভ্রংশ ভাষায় রচিত।

পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলন স্থলের নাম কি?

পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলন স্থলের নাম – চাঁদপুর। পদ্মা ও মেঘনা নদী চাঁদপুরে মিলিত হয়ে মেঘনা নাম নিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। আর পদ্মা ও যমুনা মিলিত হয় গোলালন্দে।

বরেন্দ্র বলতে কি বোঝায়?

বরেন্দ্র বলতে – উত্তরবঙ্গ কে বোঝায়। বাংলার প্রাচীন জনপদ ‘বরেন্দ্র’ এর সীমানা ছিল পশ্চিমে গঙ্গা ও মহানন্দা, পূর্বে করতোয়া, দক্ষিণে পদ্মা এবং উত্তরে কুচবিহার। বরেন্দ্র বলতে বর্তমানে উত্তরবঙ্গ তথা রাজশাহী অঞ্চলকে বোঝানো হয়। তবে পুন্ড্রু জনপদও রাজশাহী অঞ্চলের অংশ বিশেষ ছিল।

ধূমকেতু পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?

ধূমকেতু পত্রিকার সম্পাদক – কাজী নজরুল ইসলাম। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯ – ১৯৭৬) দৈনিক নবযুগ পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ধূমকেতু (১৯২২) ও লাঙল (১৯২৫) পত্রিকা। তার অর্ধ-সাপ্তাহিক ধূমকেতু পত্রিকায় প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ বাণী হলো -‘ আয় চলে আয় রে ধূমকেতু, আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু দুর্দিনের এই দুর্গশিরে উড়িয়ে দে তোর … Read more

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরষ্কার কোনটি?

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরষ্কার বাংলা একাডেমি পুরষ্কার। বাংলা সাহিত্যে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ পুরষ্কার ‘বাংলা একাডেমি পুরষ্কার’। ১৯৬০ সালে প্রবর্তিত এ পুরষ্কারের প্রতিটিতে দেয় হয় ১ লাখ টাকা এবং বাংলা একাডেমির মনোগ্রাম সম্বলিত একটি ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র।

পিঁপড়ার কামড়ে কোন এসিড থাকে?

পিঁপড়ার কামড়ে ফরমিক এসিড থাকে। পিঁপড়া বা ভীমরুল বা মৌমাছির কামড়ে আমাদের দেহের সাথে ফরমিক এসিড বা মিথানোয়েক এসিড (HCOOH) মিলে যায়। এতে হুল ফুটানো বা কামড়ানো স্থানে আমরা জ্বালা অনুভব করি।

তারামন বিবি যুদ্ধ করেন কোন সেক্টরে?

তারামন বিবি যুদ্ধ করেন ১১ নং সেক্টরে। কুড়িগ্রাম জেলার রাজীবপুর উপজেলার কাঁচারিপাড়ায় জন্ম নেয়া বীরপ্রতীক তারামন বিবি ১১ নং সেক্টরের অধিনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

চিকনগুনিয়া রোগটি কোন মাধ্যমবাহিত রোগ?

চিকনগুনিয়া রোগটি পতঙ্গবাহিত  রোগ। চিকনগুনিয়া হলো ফ্লাভি ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত একটি রোগ। এ রোগের বাহক এডিস এজিপটাই (Ades Agypdic) নামক মশকী। মশা বা মশকী পতঙ্গ শ্রেণীর প্রাণী। সুতরাং চিকনগুনিয়া পতঙ্গবাহিত রোগ।

error: Content is protected !!