ধূমকেতু পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?

ধূমকেতু পত্রিকার সম্পাদক – কাজী নজরুল ইসলাম। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯ – ১৯৭৬) দৈনিক নবযুগ পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ধূমকেতু (১৯২২) ও লাঙল (১৯২৫) পত্রিকা। তার অর্ধ-সাপ্তাহিক ধূমকেতু পত্রিকায় প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ বাণী হলো -‘ আয় চলে আয় রে ধূমকেতু, আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু দুর্দিনের এই দুর্গশিরে উড়িয়ে দে তোর … Read more

বাংলা ভাষা রীতির রূপ কয়টি?

বাংলা ভাষা রীতির রূপ – দুইটি। বাংলা ভাষারীতির রূপ দুটি। যেমন- সাধু ভাষা রীতি ও চলিত ভাষা রীতি।যে ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণ অনুসরণ করে চলে সেটি – সাধু ভাষা রীতি। আর চলিত ভাষা রীতি অপরিবর্তনশীল।

বাংলা ভাষা কোন ভাষা থেকে এসেছে?

বাংলা ভাষা গৌড়ীয় প্রাকৃত ভাষা থেকে এসেছে। বাংলা ভাষা ‘গৌড়ীয় প্রাকৃত’ ভাষা থেকে এসেছে। গৌড়ীয় প্রাকৃত (খ্রি.পূ. ২০০) ভাষা প্রাচীন ভারতীয় আর্য (খ্রি.পূ. ১০০০) ভাষা বংশধর। গৌড়ীয় প্রাকৃত ভাষা গৌড় অপভ্রংশ (আনু. ৪০০ – ৬০০ খ্রি.) ও বঙ্গকামরূপী (আনু. ৫০০ খ্রি.) থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে।

অর্ধ-তৎসম শব্দ কাকে বলে?

বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়। এগুলোকে বলে অর্ধ-তৎসম শব্দ। তৎসম মানে সংস্কৃত। আর অর্ধ-তৎসম মানে আধা সংস্কৃত। উদাহরণ : জ্যোছনা, ছেরাদ্দ, গিন্নী, বোষ্টম, কুচ্ছিত – এ শব্দগুলো যথাক্রমে সংস্কৃত জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিনী, বৈষ্ণব, কুৎসিত শব্দ থেকে আগত।

তৎসম শব্দ কাকে বলে?

যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ [তৎ (তার) + সম (সমান) ] = তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত। উদাহরণ : চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।

মিশ্র শব্দ কাকে বলে?

কোনো কোনো সময় বেশি ও বিদেশি শব্দের মিলনে শব্দদ্বৈত সৃষ্টি হয়ে থাকে। যেমন – রাজা – বাদশা (তৎসম + ফারসি), হাট – বাজার (বাংলা+ফারসি), হেড – মৌলভি (ইংরেজি + ফারসি), হেড – পণ্ডিত (ইংরেজি + তৎসম) খ্রিস্টাব্দ (ইংরেজি +তৎসম), ডাক্তার – খানা (ইংরেজি + ফারসি), পকেট – মার (ইংরেজি + বাংলা), চৌ – হদ্দি (ফারসি … Read more

দেশি শব্দ কাকে বলে?

বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের (যেমন: কোল, মুণ্ডা প্রভৃতি) ভাষা ও সংস্কৃতির কিছু কিছু উপাদান বাংলায় রক্ষিত রয়েছে। এসব শব্দকে দেশি শব্দ নামে অভিহিত করা হয়।  অনেক সময় এসব শব্দের মূল নির্ধারণ করা যায় না; কিন্তু কোন ভাষা থেকে এসেছে তার হদিস মেলে। যেমন- কুড়ি (বিশ)- কোলভাষা, পেট (উদর)-তামিল ভাষা, চুলা (উনুন)-মুণ্ডারী ভাষা। এরূপ- কুলা, গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপর, ডাব, … Read more

বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দ

বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দগুলোকে আমরা তিন ভাগে ভাগ করতে পারি। ধর্মসংক্রান্ত শব্দ খোদা, গুনাহ, দোজখ, নামাজ, পয়গম্বর, ফেরেশতা, বেহেশত, রোজা ইত্যাদি। প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ কারখানা, চশমা, জবানবন্দি, তারিখ, তোশক, দফতর, দরবার, দোকান, দস্তখত, দৌলত, নালিশ, বাদশাহ, বান্দা, বেগম, মেথর, রসদ ইত্যাদি। বিবিধ শব্দ আদমি, আমদানি, জানোয়ার, জিন্দা, নমুন, বদমাশ, রফতানি, হাঙ্গামা ইত্যাদি।

error: Content is protected !!