যোগাযেগের উদ্দেশ্য কী? যোগাযোগের সময় চিন্তা, অনুভূতি ও চাহিদা প্রকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

কোনো পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে মূল বিষয়টি উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে জানিয়ে সমাধানে পৌঁছানোই যোগাযোগের উদ্দেশ্য। যোগাযোগের সময় আমাদের চিন্তা, অনুভূতি ও চাহিদা প্রকাশ করতে না পারলে যোগাযোগের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়, যোগাযোগের উদ্দেশ্য অর্জন করা যায় না। তাই যোগাযোগের সময় আমরা ভাষা বা শব্দের মাধ্যমে আমাদের চিন্তা, অনুভূতি ও চাহিদা প্রকাশ করি।

লিখিত যোগাযোগের কিছু দৃষ্টান্ত দাও।

লিখিত যোগাযোগ বিভিন্ন ধরনের – ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক, ব্যবসায়িক ইত্যাদি। ব্যক্তিগত যোগাযোগ বলতে কোনো ব্যক্তির নিজস্ব সম্পর্কের যোগাযোগ বোঝায়। যেমন: চিঠি। বাবা-মা, ভাই-বোন, বন্ধু, স্বামী-স্ত্রী প্রভৃতি সম্পর্কের সঙ্গে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ হলো ব্যক্তিগত যোগাযোগ। প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ বলতে কোনো প্রাতিষ্ঠানের সঙ্গে নিয়ম মেনে যে লিখিত যোগাযোগ করা হয় তাকে বোঝায়। যেমন: সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য চিঠি, মানপত্র, আবেদনপত্র। … Read more

মৌখিক যোগাযোগের কিছু দৃষ্টান্ত দাও।

বিভিন্ন ধরনের মৌখিক যোগাযোগ হতে পারে । যেমন: মিটিং, আলোচনা, টেলিভিশন সংবাদ উপস্থাপনা, মুখোমুখি কথোপকথন, বক্তৃতা, টেলিফোনে কথোপকথন, কনফারেন্স প্রভৃতি।

যোগাযোগের প্রাসঙ্গিকতা বুঝিয়ে লিখ।

পরিস্থিতি-পরিবেশ বুঝে যৌক্তিকতা রক্ষা করে যোগাযোগ করতে পারাই যোগাযোগের প্রাসঙ্গিকতা। ধরা যাক, কোনো একটি আলোচনায় ক্রিকেট নিয়ে কথা হচ্ছে। কেউ বলল, ‘ইডেন গার্ডেন ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অনেক ইতিহাস আছে।’ তার জবাবে কেউ যদি বলে, ‘কালো বিড়াল দেখলে আমার ভয় করে’। তাহলে বুঝতে হবে সে যোগাযোগের প্রাসঙ্গিকতা মানেনি। পরিস্থিতি না বুঝে সে ক্রিকেট খেলার আলোচনায় বিড়ালের কথা … Read more

সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপে কি ব্যবহৃত হয়?

সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয় – অব্যয় পদ। যে পদ সর্বদা অপরিবর্তনীয় থেকে কখনো বাক্যের শোভা বর্ধন করে, কখনো একাধিক পদের, বাক্যাংশের বা বাক্যের সংযোগ বা বিয়োগ সম্বন্ধ ঘটায়, তাকে অব্যয় পদ বলে। সাধু ও চালিত রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয় অব্যয় পদ।

বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কাকে?

বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে। শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যরীতির জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে অভিহিত করা হয়। তিনি বাংলা গদ্যের অবয়ব নির্মাণে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেন। বিদ্যাসাগর গদ্যের অনুশীলন পর্যায়ে সুশৃঙ্খলতা, পরিমিতিবোধ ও ধ্বনিপ্রবাহে অবিচ্ছিন্নতা সঞ্চার করে বাংলা গদ্যরীতিকে উৎকর্ষের এক উচ্চতর পরিসীমায় উন্নীত করেন।

চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কত সালে?

চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, সরহপাদম, কৃষ্ণপাদের দোহা এবং ডাকার্নব এ চারটি পুঁথি একত্রে হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এগুলোর মধ্যে একমাত্র চর্যাপদই বাংলা ভাষায় রচিত। অন্য তিনটি অপভ্রংশ ভাষায় রচিত।

বরেন্দ্র বলতে কি বোঝায়?

বরেন্দ্র বলতে – উত্তরবঙ্গ কে বোঝায়। বাংলার প্রাচীন জনপদ ‘বরেন্দ্র’ এর সীমানা ছিল পশ্চিমে গঙ্গা ও মহানন্দা, পূর্বে করতোয়া, দক্ষিণে পদ্মা এবং উত্তরে কুচবিহার। বরেন্দ্র বলতে বর্তমানে উত্তরবঙ্গ তথা রাজশাহী অঞ্চলকে বোঝানো হয়। তবে পুন্ড্রু জনপদও রাজশাহী অঞ্চলের অংশ বিশেষ ছিল।

error: Content is protected !!