আজিকার এই শুভদিনে লোকটা এখান হইতে গেলেই ভালো হয় – এখানে কোন শুভ দিনের কথা বলা হয়েছে?
প্রশ্নোক্ত বাক্যে শুভদিন বলতে মিমির বিয়ের দিনকে বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্নোক্ত বাক্যে শুভদিন বলতে মিমির বিয়ের দিনকে বোঝানো হয়েছে।
রহমত মিনির বাবাকে এ কথাটি বলে। মিনিকে রহমত নিজ কন্যার মতোই স্নেহ করত। তাই জেল থেকে ছাড়া পেয়ে তাকে দেখতে আসার সময় তার জন্য কিছু বাদাম, কিশমিশ এনেছিল। মিনির বাবা সেগুলোর মূল্য দিতে গেলে রহমত তার হাত চেপে ধরে। বলে মিনির কাছে সে সওদা করতে আসে না, আসে স্নেহের টানে।
কাবুলিওয়ালার মলিন কাগজটিতে তার মেয়ের ছোট হাতের ছাপ ছিল।
লেখকের নাম গল্পের নাম ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় বিদ্যাধরীর অরুচি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন, ছুটি প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় বলবান জামাতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অতিথি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় পুঁইমাচা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ক্যানভাসার, কৃষ্ণলাল তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় কালাপাহাড় মাহবুবুল আলাম কোরবানী
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন। কিন্তু প্রথম দিকে এর নামকরণ নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে মতগার্থক্য ছিল। তিনি চর্যাগানের পুথির নাম ‘চর্যাচর্য্যবিনিশ্চয়’ বলে উল্লেখ করেন। কিন্তু পুথির কোথাও এ নাম লিপিবদ্ধ ছিল না। ফলে পুথির নামকরণ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। আচার্য বিধূশেখর শাস্ত্রী যুক্তি দেখান যে, পুথির মধ্যেই পুথির নাম থাকা প্রচলিত প্রথা। তিনি টীকাকার মুনি দত্তের … Read more
অথবা, চর্যাপদের মোট পদকর্তা কতজন? তাঁদের নামের শেষে ‘পা” যোগ করার কারণ কী? চর্যাপদ বা চর্যাগীতিকা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। চর্যাগীতিকাগুলো বৌদ্ধ সহজিয়াদের পদ্ধতিমূলক গান। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে সন্ধ্যাভাষায় রূপকের মাধ্যমে সাধকদের গূঢ় ধর্মসাধনার কথা প্রচার করা। চর্যাপদগুলোর রচনাকাল নির্দিষ্টভাবে নির্ণীত না হলেও নানা আলোচনা হতে বিশেষজ্ঞগণ যে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন … Read more
লুইপা বাংলা ভাষা-সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আদি কবিদের মধ্যে অন্যতম। ‘চর্যাচর্য্যবিনিশ্চয়’ বা চর্যাগীতিকার প্রথম কবি লুইপা। তিব্বতি ঐতিহ্যে প্রাপ্ত চুরাশি জন সিদ্ধাচার্যের নামের তালিকায় লুইয়ের নাম আদিমতম। অনেক পণ্ডিত লুইপাকে প্রথম প্রথম চর্যাগীতি রচয়িতা মনে করেন। তাঁর জীবনকাল ৭৭০-৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে। তখন ছিল রাজা ধর্মপালের রাজত্বকাল। হিন্দিভাষীরা লুইপাকে মগধ বা বিহারের অধিবাসী বলে মনে করেন। … Read more
মৌলিক শব্দ ব্যতীত অন্য সব শব্দকেই সাদিত শব্দ বলে। যথা – হাতা, গরমিল, দম্পতি ইত্যাদি।সাধিত শব্দ দুই প্রকার। যথাঃ- নাম শব্দ ও ক্রিয়া।প্রত্যেকটি নামশব্দের ও ক্রিয়ার দুটি অংশ থাকে।