“পুরনো দিনের ওপরই তো বর্তমানের দিন-রাত গড়ে ওঠে” – ব্যাখ্যা কর।

প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মাধ্যমে অতীতের ভিত্তিতে বর্তমান গড়ে ওঠার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। যা কিছু গত হয়েছে তাই অতীত, পুরনো। অতীত, ইতিহাস, অতীতের অর্জনই বর্তমানের ভিত্তি। অতীত না থাকলে বর্তমান গড়ে উঠত না। কারণ অতীতকে জেনে, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে, অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানের দিনগুলো নির্মিত হয়।

যুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে অনেক তফাৎ – উক্তিটি বুঝিয়ে লিখ।

যুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধ দুটো শব্দ কাছাকাছি হলেও এদের মধ্যে অনেক তফাত রয়েছে। যুদ্ধ সংঘটিত হয় রাজায় রাজায়, এক দেশের বিরুদ্ধে অন্য দেশের। মানুষের লোভ-লালসাই এখানে মুখ্য। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ হয় স্বাধীনতার জন্য, একটি জাতি হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য। সব অন্যায়-অত্যাচার আর শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধ হয়। এখানেই যুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধের পার্থক্য।

লাটু পাখিটাকে ঝুড়িতে করে লেবু গাছের ডালে রেখে এসেছিল কেন?

পাখিটা যেন নিজেই নিজের খাবার খেতে পারে, সেজন্য লাটু তাকে ঝুড়িতে করে লেবু গাছের ডালে রেখে আসে। লাটু আর কুমু আহত পাখিটাকে সুস্থ করে তোলার জন্য প্রথমে তার ডানায় মলম লাগিয়ে দেয়। কিন্তু পাখিটা কোথায় থাকবে, খাবে কী – এসব নিয়ে তাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে লাটু বুদ্ধি বের করে যে, ঝুড়িতে করে … Read more

গাছের ডালে পাখির নড়ার শব্দে কুমু ভয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল কেন?

দিম্মার ভয়ে গাছের ডালে পাখির নড়ার শব্দে কুমু ভয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল। কুমুর ধারণা, তার দিম্মা বুনো হাঁস, পাখি এসব পছন্দ করেন না। তাই সে আর লাটু যে বুনো পাখিটার সেবা করছে, যদি দিম্মা তা জানতে পারেন তাহলে পাখিটাকে ফেলে দেবেন। তার মনে হয়েছে, দিম্মা বলতে পারেন এসব নোংরা জিনিস ঘরে আনতে নেই। তাই পাখি … Read more

পাখিটা লাটুকে ঠোকর দিয়েছিল কেন?

পাখিটা ভয়ে লাটুকে ঠোকর দিয়েছিল। পাখিটাকে ঝুড়িতে করে লেবু গাছে তুলে দিতে গেলে পাখিটা লাটুকে ঠোকর দেয়। কারণ মানুষের দ্বারাই সে আহত হয়েছে, তাই মানুষকেই তার ভয়। সে হয়তো ভেবেছে লাটুও তাকে আঘাত করবে। তাই নিজেকে বাঁচানোর জন্য সে ঠোকর দিয়েছে লাটুর হাতে।

তোমার কোনো ভয় নেই, কোনো ভয় নেই – কে, কেন এ কথা বলেছে?

কুমু বুনো হাঁসকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে। শিকারির গুলিতে আহত হয়ে একটি বুনো হাঁস কুমুর জানালার পাশে লেবুর ঝেঁপে এসে লুকায়। ভয় আর ব্যথায় তার সমস্ত শরীর কাঁপতে থাকে। পাখিটাকে দেখে কষ্টে কুমুর গলার ভেতরে টনটন করতে থাকে। পাখিটাকে অভয় দিতে সে পাখিটাকে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলে।

“সমস্ত শরীরটা থরথর করে কাঁপছে” – কার শরীর, কেন কাঁপছে?

বুনো হাঁসটার শরীর থরথর করে কাঁপছে। শিকারি গুলি ছুড়লে একটা গুলি এসে লাগে বুনো হাঁসটার ডানায়। আহত হয়ে ভয়ে সে লেবু গাছের পাতার আড়ালে লুকায়। তার একদিকের ডানা ঝুলে আছে। ব্যথায় আর ভয়ে অসহায় হাঁসটার শরীর কাঁপছে থরথর করে।

error: Content is protected !!