ধ্বনি কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?

ধ্বনি কাকে বলে?মানুষের বাক প্রত্যঙ্গ অর্থাৎ কণ্ঠনালি, মুখবিবর, জিহ্বা, আল-জিহ্বা, কোমল তালু, শক্ত তালু, দাঁত, মাড়ি, চোয়াল, ঠোঁট ইত্যাদির সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজকে ‘ধ্বনি‘ বলা হয়। বাক প্রত্যঙ্গজাত ধ্বনির সূক্ষ্ম মৌলিক অংশ বা একককে ধ্বনিমূল বলা হয়। ধ্বনি কত প্রকার ও কী কী?ব্যাকরণ ও ভাষাতত্ত্বের পারিভাষিক অর্থে মানুষের বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি আওয়াজকে ধ্বনি বলে। ধ্বনি দু-প্রকার … Read more

উম্মধ্বনি বা শিশধ্বনি কাকে বলে? উম্ম বর্ণ কাকে বলে?

শ, ষ, ষ, হ – এ চারটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমরা শ্বাস যতক্ষণ খুশি রাখতে পারি। এগুলোকে বলা হয় উম্মধ্বনি বা শিশধ্বনি। এ বর্ণগুলোকে বলা হয় উম্মবর্ণ।

অনুনাসিক বা নাসিক্য ধ্বনি এবং অনুনাসিক বা নাসিক্য বর্ণ কাকে বলে?

ঙ ঞ ণ ন ম – এ পাঁচটি বর্ণ এবং ং ও   ঁ যে বর্ণের সঙ্গে লিখিত হয় সে বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস নিঃসৃত বায়ু মুখবিবর ছাড়াও নাসারন্ধ্র দিয়ে বের হয়; অর্থাৎ এগুলোর উচ্চারণে নাসিকার সাহায্য প্রয়োজন হয়। তাই এগুলোকে বলে অনুনাসিক বা নাসিক্য ধ্বনি। আর এগুলোর বর্ণকে বলা হয় অনুনাসিক বা নাসিক্য বর্ণ।

পরাশ্রয়ী বর্ণ কাকে বলে?

ং ঃ   ঁ – এই তিনটি বর্ণ স্বাধীনভাবে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ভাষায় ব্যবহৃত হয় না। এ বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অন্য ধ্বনির সঙ্গে মিলিত হয়ে একত্রে উচ্চারিত হয়। তাই এ বর্ণগুলোকে বলা হয় পরাশ্রয়ী বর্ণ।

error: Content is protected !!