বাংলা উপসর্গ কাকে বলে?
অ, অনা, অঘা, অজ, আ, আব, নি ইত্যাদি অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ বাংলা উপসর্গ। খাঁটি বাংলা শব্দের আগে এগুলো যুক্ত হয়। যেমন – অ + কাজ = অকাজ, অনা + ছিষ্টি = (সৃষ্টি শব্দজাত) = অনাছিষ্টি ইত্যাদি।
অ, অনা, অঘা, অজ, আ, আব, নি ইত্যাদি অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ বাংলা উপসর্গ। খাঁটি বাংলা শব্দের আগে এগুলো যুক্ত হয়। যেমন – অ + কাজ = অকাজ, অনা + ছিষ্টি = (সৃষ্টি শব্দজাত) = অনাছিষ্টি ইত্যাদি।
প্র, পরা, অপ – এরূপ বিশটি সংস্কৃত বা তৎসম রয়েছে। তৎসম উপসর্গ তৎসম শব্দ বা ধাতুর পূর্বে ব্যবহৃত হয়। যেমন, ‘পূর্ণ’ একটি তৎসম শব্দ। ‘পরি’ উপসর্গযোগে হয় ‘পরিপূর্ণ’। √হৃ (হর) + ঘঞ = ‘হার’ – এ কৃদন্ত শব্দের আগে উপসর্গ যোগ করলে কীরূপ অর্থের পরিবর্তন হলো।লক্ষ কর: আ+হার = আহার (খাওয়া), বি + হার = … Read more
কিছু বিদেশি শব্দ বা শব্দাংশ বাংলা উপসর্গরূপে ব্যবহৃত হয়ে অর্থের বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে। বিদেশি উপসর্গ বিদেশি শব্দের সঙ্গেই ব্যবহৃত হয়। যথা – বেহেড, লাপাত্তা, গরহাজির ইত্যাদি।
ব্যাকরণ পাঠ করে ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন প্রকৃতি ও সেসবের সুষ্ঠু ব্যবহারবিধি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায় এবং লেখায় ও কথায় ভাষা প্রয়োগের সময় শুদ্ধাশুদ্ধি নির্ধারণ সহজ হয়।
প্রত্যেক ভাষারই চারটি মৌলিক অংশ থাকে। যথা –
যে শাস্ত্রে বাংলা ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠনপ্রকৃতি ও স্বরূপ বিশ্লেষিত হয় এবং এদের সম্পর্ক ও সুষ্ঠু প্রয়োগবিধি আলোচিত হয়, তাই বাংলা ব্যাকরণ।
যে সকল ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস তাড়িত বাতাস বেরিয়ে যেতে মুখবিবরের কোথাও না কোথাও কোনো প্রকার বাধা পায় কিংবা ঘর্ষণ লাগে, তাদেরকে বলা হয় ব্যঞ্জনধ্বনি। যেমন – ক, চ, ট, ত প ইত্যাদি।
বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।যথা –