ভরবেগ কাকে বলে?
গতিশীল কোনো বস্তুর ভর ও বেগের গুণফলকে বলা হয় ঐ বস্তুর ভরবেগ।
গতিশীল কোনো বস্তুর ভর ও বেগের গুণফলকে বলা হয় ঐ বস্তুর ভরবেগ।
বৃত্তাকার পথে চলমান বস্তু প্রতিমুহূর্তে দিক পরিবর্তন করে, অর্থাৎ প্রতিমুহূর্তে বস্তুটির সরণ পরিবর্তিত হয়। কিন্তু আমরা জানি, বেগ হচ্ছে সময়ের সাথে বস্তুর সরণের হার। অর্থাৎ বস্তু নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে যে পথ অতিক্রম করে তাই বেগ। যেহেতু বৃত্তাকার পথে চলমান বস্তুর সরণের দিক প্রতিমুহূর্তেই পরিবর্তিত হয়, তাই বৃত্তাকার পথে কোনো বস্তু সমবেগে চলতে পারে না।
তাপমাত্রা পরিমাপের ক্ষেত্রে পদার্থের বিশেষ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগানো হয়। তাপমাত্রার তারতম্যের জন্য পদার্থের যে ধর্ম নিয়মিতভাবে পরিবর্তিত হয় এবং এই পরিবর্তন লব্ধ করে সহজে তাপমাত্রা নিরূপন করা যায়। এই ধর্মকে পদার্থের তাপমাত্রিক ধর্ম বলে। পারদকে তাপমাত্রিক পদার্থ বলা হয়। এর কারণ হলো যে, তাপ দিলে পারদ প্রসারিত হয়। তাপমাত্রার পরিবর্তনের সাথে পারদের উচ্চতা পরিবর্তন … Read more
এই মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণাই একে অপরকে আকর্ষণ করে। মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে।আবার, পৃথিবী ও অন্য কোনো বস্তুর মধ্যকার বলকে অর্থাৎ কোনো বস্তুকে পৃথিবী যে বলে আকর্ষণ করে তাকে অভিকর্ষ বলে। সুতরাং অভিকর্ষ এক ধরনের মহাকর্ষ।
স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময় (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক অর্থাৎ v∞t
নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র বল ও ত্বরণের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার এর উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে হয়।
যন্ত্রপাতির ঘর্ষণ কমানোর জন্য যে পিচ্ছিলকারক তরল ব্যবহার করা হয় তাকে লুব্রিকেন্ট বলা হয়।