মৌলিক বল কাকে বলে?
যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।
যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।
সময়ের সাথে বেগ হ্রাসের হারকে ঋণাত্মক ত্বরণ বলে।
চলন্ত ফ্যানের পাখা বন্ধ করার পরও কিছু সময় ফ্যানের পাখাগুলো ঘুরতে থাকে। এর কারণ হলো গতি জড়তা, কোনো বস্তু যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায় থাকতে চাওয়ার নাম জড়তা। সুইচ বন্ধ করার আগে ফ্যানটির পাখাগুলো চলন্ত অবস্থায় ছিল। তাই বন্ধ করার পরও গতি জড়তার কারণে পাখাগুলো আরও কিছুক্ষণ ঘুরে।
যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরলের স্ফুটন হয়, তাকে ঐ তরলের স্ফুটনাঙ্ক বলে।
স্থির তরলে কোনো কঠিন বস্তুকে ছেড়ে দিলে বস্তুটির উপর দুটি বল ক্রিয়া করে। একটি হচ্ছে বস্তুর ওজন W1 যার দিকে নিম্নমুখী। অপরটি হচ্ছে প্লবতা W2 যার দিক ঊর্ধ্বমুখী। এই দুই বলের মানের উপরই বস্তুটির ভাসন ও নিমজ্জন নির্ভর করে। এক্ষেত্রে নিচের যেকোনো একটি ঘটনা ঘটতে পারে-
স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে পীড়ন ও বিকৃতির অনুপাতকে স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্ক বলে।
মাটির প্রতিক্রিয়া বলের কারণে আমরা মাটির ভেতর ঢুকে যাই না। আমরা মাটির ওপর দিয়ে যখন হাঁটি তখন মাটিতে বল প্রয়োগ করি। এ প্রয়োগের কারণে মাটির ভেতর ঢুকে যাওয়ার কথা কিন্তু মাটি ্এ সময় আমাদের ওপর প্রতিক্রিয়া বল প্রয়োগ করে। এ প্রতিক্রিয়া বল সমান এবং বিপরীতমুখী হওয়ায় আমরা মাটির ভেতর ঢুকে যাই না।
প্যারাসুট বায়ুর বাধাকে কাজে লগিয়ে কাজ করে। এখানে বায়ুর বাধা হলো এক ধরনের ঘর্ষণ বল যা পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের বিপরীতে ক্রিয়া করে। খোলা অবস্থায় প্যারাসুটের বাহিরের তলের ক্ষেত্রফল অনেক বেশি হওয়ায় বায়ুর বাধার পরিমাণও বেশি হয়, যার ফলে বৈমানিকের গতি অনেক হ্রাস পায়। ফলে বৈমানিক প্যারাসুটের সাহায্যে ধীরে ধীরে মাটিতে নিরাপদে অবতরণ করে।