অর্ধ পরিবাহী ডায়োড কী?
একটি p-টাইপ ও একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহী পরস্পরের সাথে যুক্ত করা হলে সৃষ্ট এ ডিভাইস বা কৌশলটিকে অর্ধপরিবাহী ডায়োড বলে।
একটি p-টাইপ ও একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহী পরস্পরের সাথে যুক্ত করা হলে সৃষ্ট এ ডিভাইস বা কৌশলটিকে অর্ধপরিবাহী ডায়োড বলে।
বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে যদি সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশিয়ে তার তড়িৎ পরিবাহীতা বৃদ্ধি করা হয় তবে তাকে ডোপিং বলে। তখন ঐ কেলাসকে বলা হয় বহির্জাত বা এক্সট্রিনসিক সেমিকন্ডাক্টর।
একই পদার্থের একটি p-টাইপ ও একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ পদ্ধতিতে পরস্পরের সাথে জোড়া লাগালে যে যুগ্মের সৃষ্টি হয় তাকে p-n জাংশন ডায়োড বলে।
কোনো অর্ধপরিবাহকে হোল ও মুক্ত ইলেকট্রনের মধ্যে যেটি বেশি পরিমাণে থাকে এবং ফলশ্রুতিতে বেশি তড়িৎ পরিবহন করে সেটিকে সংখ্যাগুরু বাহক বলে।
ট্রান্সজিস্টরের সংগ্রাহক প্রবাহ পরিবর্তন এবং নিঃসাারক প্রবাহ পরিবর্তনের অনুপাতকে প্রবাহ বিবর্ধক গুণক বলে।
যেসব পদার্থের মধ্যে দিয়ে তড়িৎ সহজে চলাচল করে না, সেগুলোকে অন্তরক বলে।
যেসব পদার্থের মধ্যে দিয়ে তড়িৎ সহজে চলাচল করে না, সেগুলোকে অন্তরক বলে।
যে যন্ত্রের সাহায্যে এসি তড়িৎপ্রবাহকে ডিসি তড়িৎপ্রবাহে পরিণত করা যায় অর্থাৎ তড়িৎপ্রবাহ একমুখী করা যায়, তাকে রেকটিফায়ার বলে।