তেজষ্ক্রিয় ক্ষয় ধ্রুবক কাকে বলে?
কোনো তেজষ্ক্রিয় পদার্থের একটি পরমাণুর একক সময়ে ভাঙনের সম্ভাব্যতাকে ঐ পদার্থের তেজষ্ক্রিয় ক্ষয় ধ্রুবক বলে।
কোনো তেজষ্ক্রিয় পদার্থের একটি পরমাণুর একক সময়ে ভাঙনের সম্ভাব্যতাকে ঐ পদার্থের তেজষ্ক্রিয় ক্ষয় ধ্রুবক বলে।
কোনো কোনো পদার্থের স্বাভাবিক পরমাণু তেজষ্ক্রিয় না হলে এদের আইসোটোপসমূহ তেজষ্ক্রিয় পদার্থরূপে আচরণ করতে পারে। এ সকল আইসোটোপকে রেডিও আইসোটোপ বলে। যেমন- ফরফরাস-32 ।
কোনো নমুনায় প্রত্যেকটি পরমাণুর পৃথক পৃথক আয়ুর যোগফলকে পরমাণুর প্রাথমিক সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে ঐ তেজস্ক্রিয় পদার্থের গড় আয়ু পাওয়া যাবে।
কোন পরিবাহী তারের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে ঐ তারের চারপাশে একটি চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনাকে তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া বলে। ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড (Hans Christian Oerested) তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কার করেন।
কোনো ধাতু খন্ডের ওপর ন্যূনতম যে দৈর্ঘ্যের তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ আপতিত হলে ইলেকট্রন অবমুক্ত হয়, তাকে সূচন তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলে।
যেকোনো মুহূর্তে কোনো তেজষ্ক্রিয় পরমাণুর ভাঙনের হার ঐ সময়ে উপস্থিত অক্ষত পরমাণুর সংখ্যার সমানুপাতিক।
যে প্রক্রিয়ায় একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস বিশ্লিষ্ট হয়ে প্রায় সমান ভরের দুইটি নিউক্লিয়াস তৈরি করে এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, তাকে ফিশন বা নিউক্লিয়ার বিভাজন বলে।
p-n জাংশনের দুই প্রান্তে দুটি তার সংযোগ দিলে এটাকে জাংশন ডায়োড বলে।