চৌম্বক ধারকতা কী?
চুম্বক তার বলের প্রভাব সরিয়ে নেওয়ার পর যে ধর্মের জন্য চৌম্বক পদার্থ এর মধ্যে কিছু পরিমাণ চুম্বকত্ব ধরে রাখতে পারে তাকে ঐ পদার্থের চৌম্বক ধারকতা বলে।
চুম্বক তার বলের প্রভাব সরিয়ে নেওয়ার পর যে ধর্মের জন্য চৌম্বক পদার্থ এর মধ্যে কিছু পরিমাণ চুম্বকত্ব ধরে রাখতে পারে তাকে ঐ পদার্থের চৌম্বক ধারকতা বলে।
ফলক বা পাত আকৃতির পরিবাহীর মধ্যে দৈর্ঘ্য বরাবর তড়িৎ প্রবাহিত হলে এবং বেধ বা উচ্চতা বরাবর চৌম্বক ক্ষেত্র, বিরাজ করলে, এর প্রস্থ বরাবর দুই প্রান্তের মধ্যে যে বিভব পার্থক্যের সৃষ্টি হয় তাকে হল বিভব পার্থক্য বলে।
একটি চুম্বক বা চৌম্বক দ্বিপোলের যেকোনো একটি মেরুশক্তির মান মরুশক্তির মান ও চৌম্বক দৈর্ঘ্যের গুণফলকে ঐ চুম্বক বা চৌম্বক দ্বিপোলের ভ্রামক বলে।
কিছু চৌম্বক পদার্থ আছে যাদেরকে চৌম্বক ক্ষেত্রে আনলে তা চুম্বকে পরিণত হয় আবার চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারণ করলে চৌম্বক ধর্ম বিলুপ্ত হয় এই ধরনের চুম্বকই অস্থায়ী চুম্বক।যেমন- বৈদ্যুতিক কলিংবেল তৈরি করতে অস্থায়ী চুম্বকের প্রয়োজন হয়। ক্রেন তৈরিতে, ট্রান্সফর্মারের কোর, টেলিফোনের ডায়াগ্রাম, জেনারেটর এবং মোটরের আর্মেচারেও এদের ব্যবহার করা হয়।
কোনো চৌম্বক ক্ষেত্রে একটি একক মানের আধান চৌম্বক ক্ষেত্রের লম্বদিকে একক বেগে গতিশীল থাকলে যে বল অনুভব করে তাই চৌম্বক প্রাবল্য।
চৌম্বক ক্ষেত্র রেখা হচ্ছে সেই সকল রেখা, যে রেখা বরাবর কোনো আহিত কণা যে কোনো বলেই চলুক না কেন সেটি কোনো বল অনুভব করবে না।
যে সব পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধে দুর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ আবেশী ক্ষেত্রের বরাবর হয়, তাদেরকে প্যারাচৌম্বক পদার্থ বলে।
পদার্থের যে বিশেষ গুণের জন্য এক পদার্থ অপেক্ষা অন্য পদার্থের ভেতর দিয়ে চৌম্বক বলরেখা সহজে যেতে পারে তাকে চৌম্বক প্রবেশ্যতা বলে।