সুর বিরাম কাকে বলে?
দুটি সুরের কম্পাঙ্কের অনুপাতকে সুরবিরাম বলে।
দুটি সুরের কম্পাঙ্কের অনুপাতকে সুরবিরাম বলে।
বীট কাকে বলে? একই ধরনের এবং প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুটি শব্দ তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে শব্দের তীব্রতার যে পর্যায়ক্রমিক হ্রাস বৃদ্ধি হয় তাকে বীট বলে। অথবা, প্রায় সমান কম্পাঙ্কের এবং সমান বিস্তারের দুটি শব্দ তরঙ্গ দুটি উৎস হতে একই সময়ে উৎপন্ন হয়ে একই দিকে অগ্রসর হলে এদের উপরিপাতনের ফলে একটি লব্ধি শব্দ তরঙ্গের সৃষ্টি হয়। এই লব্ধি শব্দের … Read more
স্পন্দন গতি সম্পন্ন কণা এর সাম্যাবস্থানের যেকোনো এক পাশে সর্বোচ্চ যে দুরত্ব অতিক্রম করে, তাকে বিস্তার বলে। একে ‘a’ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
তরঙ্গ সঞ্চালনের অভিমুখের সাথে লম্বভাবে স্থাপিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে যে পরিমাণ শক্তি প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত হয় তাকে তরঙ্গের তীব্রতা বলে।
অভিকর্ষের প্রভাবে কোনো প্রবাহীর মধ্য দিয়ে গতিশীল কোনো বস্তু সর্বোচ্চ যে বেগে উপনীত হলে নীট বল শূন্য হয় এবং বস্তুটি সমবেগে চলতে থাকে, সে বেগকে বলা হয় প্রান্তিক বেগ বা অন্তবেগ।
যে বৈশিষ্ট্যের দ্বারা একই তীব্রতা ও তীক্ষ্মতার দুটি শব্দকে পরস্পরের থেকে আলাদা করা যায়, তাকে শব্দের গুণ বা জাতি বলে।
সরল ছন্দিত গতির ব্যবকলনীয় সমীকরণটি হলো:d2x∕dt2+ω2x=0
কৈশিক নলে (অতিসূক্ষ্ম ও ছিদ্রবিশিষ্ট) তরলের অধিক্ষেপ বা অবক্ষেপকে কৈশিকতা বলে। অথবা, কৈশিক নলে তরলের এরকম অধিক্ষেপ বা অবক্ষেপকে কৈশিকতা বলে। অতি সূক্ষ্ম ও সুষম ছিদ্রবিশিষ্ট নলকে কৈশিক নল বলে।