তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র

বিভিন্ন বিজ্ঞানী তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। কিন্তু তাদের বিভিন্ন প্রকাররের বিবৃতির মধ্যে একটি মূল ঐক্য বিদ্যমান রয়েছে। ক্লসিয়াসের বিবৃতিঃ বাইরের সাহায্য ছাড়া কোন স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের পক্ষে নিম্ন তাপমাত্রার বস্তু থেকে উচ্চ তাপমাত্রার বস্তুতে তাপের স্থানাঙ্ক সম্ভব নয়। এই অর্থ এই যে, বাইরের কোন শক্তি কাজ না করলে তাপ কখনও শীতলতর বস্তু থেকে উত্তপ্ত বস্তুতে … Read more

বল একটি লব্ধ রাশি কেন?

বল নিজে স্বাধীন বা নিরপেক্ষ নয়। একে প্রকাশ করতে ভর ও ত্বরণের দরকার হয়। নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র হতে আমরা জানি, বল = ভর × ত্বরণ। এখানে ভর মৌলিক রাশি ঠিকই; কিন্তু ত্বরণ আবার লব্ধ রাশি। কারণ ত্বরণ স্বাধীন বা নিরপেক্ষ নয়। ত্বরণকে প্রকাশ করতে দূরত্ব ও সময়ের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ বল = ভর ×  (সরণ ÷ সময়২) সুতরাং বলকে প্রকাশের জন্য … Read more

কোনো লেন্সে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের বিবর্ধন 2 বলতে কি বুঝ?

কোনো লেন্সে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য ও বস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ঐ লেন্সের বিবর্ধন বলে। কোনো লেন্সে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের বিবর্ধন 2 বলতে বোঝায় ঐ লেন্সের সামনে বস্তু রাখলে বস্তুর ২ গুণ বড় প্রতিবিম্ব পাওয়া যায়।

তড়িৎ বর্তনী কাকে বলে?

তড়িৎ প্রবাহ চলার সম্পূর্ণ পথই হলো তড়িৎ বর্তনী। তড়িৎ বর্তনী হলো এমন একটি পথ বা রেখা যা দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয়। সুতরাং তড়িৎ বর্তনী এমন একটি সম্পূর্ণ রূপ যা বৈদ্যুতিক স্রোতকে চারদিকে প্রবাহিত করতে পারে। তড়িৎ বর্তনীর প্রকারভেদ তড়িৎ বর্তনী দুই প্রকার। যথাঃ ক) শ্রেণি বর্তনী খ) সমান্তরাল বর্তনী ক) শ্রেণি বর্তনীঃ যে বর্তনীতে তড়িৎ উপকরণগুলো … Read more

রোধ কাকে বলে?

পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল বাধাগ্রস্থ হয় তাই হলো রোধ। রোধের একক ও’ম। ইলেকট্রন প্রবাহের কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহ শুরু হয়। ইলেকট্রন স্রোত পরিবাহীর মধ্য দিয়ে চলার সময় পরিবাহীর অভ্যন্তরস্থ অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং এর গতি বাধা বাধাপ্রাপ্ত হয়। পরিবাহীর এই বাধাদানের ধর্মই হলো রোধ।

ক্ষমতা একটি লব্ধ রাশি কেন?

যেসব রাশি মৌলিক রাশির ওপর নির্ভর করে বা মৌলিক রাশি থেকে লাভ করা যায় তাদেরকে লব্ধ রাশি বলে। আমরা জানি, ক্ষমতা, P = কাজ (W) ÷  সময়(t) যেহেতু ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের ওপর নির্ভর করে সেহেতু ক্ষমতাকে লব্ধ রাশি বলা হয়।

স্কেলার রাশি কাকে বলে?

যে সকল ভৌত রাশিকে শুধু মান দ্বারা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করা যায়, দিক নির্দেশের প্রয়োজন হয় না তাদেরকে স্কেলার রাশি বলে। যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, দ্রুতি, কাজ ইত্যাদি। স্কেলার রাশিসমূহঃ তাপমাত্রা, সময়, কাজ, ক্ষমতা, শক্তি, বিকৃতি, সান্দ্রতা, প্রতিসরাঙ্ক, ডাইভারজেন্স, তড়িৎ বিভব, বিভব, মাহকর্ষীয় বিভব, তড়িৎ প্রবাহ, পৃষ্ঠশক্তি, পৃষ্ঠটান, গতি ও স্থিতি, জড়তার ভ্রামক, চক্রগতির ব্যাসার্ধ, ধারকত্ব, চার্জ।

error: Content is protected !!