জ্যোতিপদার্থবিজ্ঞান কাকে বলে?
পদার্থবিজ্ঞানের যে শাখায় মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তু যেমন-গ্রহ, নক্ষত্র, ধুমকেতু, উল্কা, ছায়াপথ, পালসার, কৃষ্ণ বিবর ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে জ্যোতিপদার্থবিজ্ঞান বলে।
পদার্থবিজ্ঞানের যে শাখায় মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তু যেমন-গ্রহ, নক্ষত্র, ধুমকেতু, উল্কা, ছায়াপথ, পালসার, কৃষ্ণ বিবর ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে জ্যোতিপদার্থবিজ্ঞান বলে।
গ্যালাক্সি কাকে বলে? অনেকগুলো নক্ষত্রের সমাবেশকে বলা হয় গ্যালাক্সি। আমরা যে গ্যালাক্সিতে বাস করি তার নাম আকাশগঙ্গা (milkyway)। সূর্য ও খালি চোখে দৃশ্যমান সকল নক্ষত্র এই আকাশ গঙ্গা বা ছায়াপথে রয়েছে। এই গ্যালাক্সিতে নক্ষেত্রের সংখ্যা প্রায় 1011 । এ ছায়াপথ ছাড়াও মহাবিশ্বে রয়েছে কোটি কোটি গ্যালাক্সি। এদের খালি চোখে দেখা যায় না। এসব গ্যালাক্সির আকার ও আয়তন … Read more
একটি তরঙ্গমুখের উপরিস্থ সব বিন্দুকে এক একটি বিন্দু উৎস হিসেবে গন্য হবে, যা থেকে গৌণ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়ে মূল তরঙ্গের দ্রুতিতে সামনের দিকে অগ্রসর হয়। পরবর্তী যেকোনো মুহূর্তে এ গৌণ তরঙ্গমুখগুলোর সাধারণ স্পর্শক তল হবে ঐ সময় উক্ত তরঙ্গমুখের নতুন অবস্থান। ডাচ বিজ্ঞানী ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস ১৬৭৮ সালে তরঙ্গমুখের সঞ্চালন বিষয়ে একটি জ্যামিতিক পদ্ধতির অবতারনা করেন। … Read more
পর্যবেক্ষকের সাপেক্ষে গতিশীল থাকার কারণে কোনো দণ্ডের দৈর্ঘ্য সংকুচিত হওয়ার ঘটনাকে দৈর্ঘ্য সংকোচন বলে।কোন পর্যবেক্ষকের সাপেক্ষে গতিশীল বস্তুর দৈর্ঘ্য ঐ পর্যবেক্ষকের সাপেক্ষে নিশ্চল অবস্থায় ঐ একই বস্তুর দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হয়, এই প্রভাবকে দৈর্ঘ্য সংকোচন বলা হয়। যেখানে, L = বস্তুটির গতিশীল দৈর্ঘ্য L0 = বস্তুটির নিশ্চল দৈর্ঘ্য v = বস্তুর বেগ c = আলোর … Read more
এক একক তাপ উৎপন্ন করতে যে পরিমাণ কাজ করতে হয়, বা একক তাপ দ্বারা যে পরিমাণ কাজ করা যায়, তাকে তাপের যান্ত্রিক সমতা বলে। তাপের যান্ত্রিক সমতা বলতে বোঝায় যে, গতি এবং তাপের মধ্যে হওয়া পারস্পরিক বিনিময় এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে, প্রদত্ত পরিমাণের কাজ একই পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করতে পারে, যদি কাজটি সম্পূর্ণরূপে তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত … Read more
পরিবাহীর কোনো প্রস্থচ্ছেদ দিয়ে অভিলম্বভাবে 1 সেকেণ্ডে 1 কুলম্ব চার্জ প্রবাহিত হলে যে প্রবাহমাত্রা পাওয়া যায় তাকে এক অ্যাম্পিয়ার বলে। অ্যাম্পিয়ারকে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
যে উৎস হতে আলোক তরঙ্গসমূহ সর্বদা সমদশায় নিঃসৃত হয়, তাকে সুসংগত আলোক উৎস বলে। দুটি উৎস থেকে নির্গত আলোক তরঙ্গের দশা পার্থক্য সময়ের সঙ্গে অপরিবর্তিত থাকলে উৎসদ্বয়কে সুসংগত উৎস বলে।
বিবর্ধন বলতে প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর কত গুণ তা বোঝায়। তাই প্রতিবেম্বের দৈর্ঘ্য ও লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের রৈখিক বিবর্ধন বলে। l দৈর্ঘ্যের একটি লক্ষ্যবস্তুর প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য l′ হলে রৈখিক বিবর্ধন,m=l′∕l বিবর্ধনের একক ও মাত্রা নেই।