সহিহ বুখারি কাকে বলে?

কুরআন মজিদের পর সর্বাধিক বিশুদ্ধ গ্রন্থ হলো সহিহ বুখারি। সহিহ বুখারির সংকলক হলেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল বুখারি(র.)। তিনি সর্বমোট ছয় লক্ষ হাদিস থেকে যাচাই-বাছাই করে এ কিতাব সংকলন করেন। এটি ৩০ পারায় বিভক্ত। সহিহ বুখারি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হাদিস গ্রন্থ।

আমরা কিতাবসমূহের প্রতি কেমন বিশ্বাস স্থাপন করবো?

কিতাবসমূহের প্রতি আমরা এ বিশ্বাস স্থাপন করবো যে, জীবন ও জগৎ সম্পর্কে সঠিক দিক নির্দেশনা প্রদানে এগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হয়েছে। আল্লাহ দুনিয়াতে যেসব আসমানি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন তা মানবজাতির জন্য আলোকস্বরূপ। আল্লাহ নবি-রাসুলগণের মাধ্যমে তাঁর বাণী সংবলিত এ কিতাব আমাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। মুসলিম হিসেবে আসমানি কিতাবের প্রতি এ বিশ্বাস স্থাপন করা আমাদের … Read more

হিংসা কী?

অন্যের ধন-দৌলত, সম্মান, ভালো ফল দেখে তার ধ্বংস হওয়ার কামনা এবং নিজে এর মালিক হওয়ার বাসনা করাকে হিংসা বলে।

মুনাফিকের লক্ষণ কি?

যে চিহ্নসমূহের মাধ্যমে একজন মুনাফিক চেনা যায় তাই মুনাফিকের লক্ষণ। মুনাফিকরা ইসলামের মারাত্মক শত্রু। মুনাফিক হচ্ছে তারাই যারা সর্বদা মিথ্যা কথা বলে, তাদের নিকট কোনো আমানত রাখলে তা খেয়ানত করে এবং তারা যে ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে। এগুলোই হলো একজন মুনাফিকের লক্ষণ। এগুলো যাদের মধ্যে রয়েছে তারাই মুনাফিক।

আল-কুরআন কি? বৈশিষ্ট্য, গুরুত্ব ও উপকারিতা

আল-কুরআন হলো ইসলাম ধর্মের সর্বোচ্চ ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। এটি মহান আল্লাহর বাণী, যা হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে মানবজাতির কল্যাণে প্রেরিত হয়েছে। কুরআন শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, বরং এটি জীবন পরিচালনার একটি সম্পূর্ণ নির্দেশিকা। কুরআনে আল্লাহর একত্ব, নবুওত, কিয়ামত, জান্নাত-জাহান্নাম, নৈতিকতা, সমাজ ব্যবস্থা, আইন-কানুনসহ জীবনের সকল দিকের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এটি … Read more

আদিয়াত কি? সূরার মূল বিষয়বস্তু, শানে নুযূল ও গুরুত্ব

আদিয়াত আরবি শব্দ যার বাংলা অর্থ হল অভিযানকারী। এই সূরাটি কুরআনের ১০০তম সূরা এবং এটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। মোট ১১টি আয়াতের এই সূরাটি মূলত জিহাদ ও মুমিনদের ত্যাগস্বভাবকে তুলে ধরে। সূরার মূল বিষয়বস্তু সূরার শানে নুযূল এই সূরাটি মুসলমানদের ওপর হামলাকারী মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদে জয়লাভের পর অবতীর্ণ হয়। এটি মুসলমানদেরকে উৎসাহিত করেছিল এবং তাদের বিশ্বাসকে … Read more

মাখরাজ কী?

মাখরাজ শব্দটি আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো উচ্চারণের স্থান। কুরআন তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে মাখরাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কুরআনের প্রতিটি হরফকে তার নির্দিষ্ট স্থান থেকে উচ্চারণ করতে হবে। এই স্থানকেই মাখরাজ বলা হয়। আরবি হরফসমূহ মুখের যে স্থান থেকে উচ্চারিত হয় সে স্থানকে মাখরাজ বলে।

কুফর কাকে বলে?

ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর কোনো একটি অবিশ্বাস করাকে কুফর বলে। কুফর শব্দের শাব্দিক অর্থ হলো অস্বীকার করা, অবিশ্বাস করা, গোপন রাখা কিংবা ঢেকে রাখা। যেমন- আল্লাহকে অবিশ্বাস করা কিংবা ইমানের মৌলিক অন্যান্য বিশ্বাসকে অস্বীকার করা। ইসলামের মৌলিক ইবাদতসমূহকে অস্বীকার করাও কুফরের অন্তর্ভূক্ত। আবার কেউ যদি হালালকে হরাম কিংবা হারামকে হালাল হিসেবে গ্রহণ করে, তবে তাও কুফর।

error: Content is protected !!