মানব সমাজে কিভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়?

আখিরাতে বিশ্বাস মানবজীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করে। আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে সব ধরনের খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে পারে। এ বিশ্বাস মানুষকে সব ধরণের খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে পারে। এ বিশ্বাসের ফলে মানুষ অন্যায়, অত্যাচার, দুর্নীতি, মিথ্যাচার, অশ্লীল কাজকর্ম করার আগে দুইবার ভাবে। প্রকৃত মুমিন আখিরাতে বিশ্বাসের বলেই পাপকাজ থেকে দূরে থাকে এবং উত্তম ও নেককাজে … Read more

শিরককারীকে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না কেন?

আল্লাহ্ নিজে বলেছেন, শিরক করা ‘চরম যুলুম’ বা অন্যায়। এ কারণে তিনি অন্য অপরাধ মাফ করলেও শিরককারীকে ক্ষমা করবেন না। শিরক করার মাধ্যমে আল্লাহর সাথে অংশীদার করা হয়। অন্য কাউকে আল্লাহর সমপর্যায়ের মনে করা হয়। শিরকের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে অন্যায় কারা হয়। কারণ এর মাধ্যমে মানুষ অন্য কিছুর ইবাদত বা আনুগত্য করে। কিন্তু সকল প্রশংসা … Read more

শিরককে সবচেয়ে বড় যুলুম বলা হয় কেন?

শিরকের মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর সাথে অন্যায় আচরণ করে। তাই একে সবচেয়ে বড় যুলুম বলা হয়। আল্লাহ তায়ালাই মানুষের একমাত্র স্রষ্টা। ইবাদত ও প্রশংসা লাভের হকদারও তিনি। আর শিরকের মাধ্যমে কিছু মানুষ অন্যকিছু বা কারও ইবাদত করে। ফলে আল্লাহর সাথে চরম অন্যায় করা হয়।

‘সাদাকাতুল ফিতর’ কাকে বলে?

ঈদুল ফিতরের দিন ঈদের সালাতের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পূর্বে সাওমের ত্রুটি-বিচ্যুতি সংশোধন ও আল্লাহর সুন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে গরিব-দুঃখীদের সহযোগিতার জন্য যে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ-সম্পদ দান করা হয়, তাকে সাদাকাতুল ফিতর বলে। পবিত্র রমযান মাসে মুসলমানরা রোযা পালন করেন। এটি পালনে অনেক সময় কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়। এসব ত্রুটি সংশোধনের জন্য ঈদুল ফিতরের দিন যে সাদকা দিতে … Read more

রোযার কাফ্ফারার বর্ণনা।

ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ যদি রোযা পালন না করে বা রোযা রেখে বিনা কারণে ভেঙে ফেলে তাহলে রোযার কাযা এবং কাফ্ফারা উভয়ই তার উপর ফরজ। রোযার কাফ্ফারা হলো- একাধারে দুই মাস রোযা পালনকালে যদি দু’একদিন বাদ পড়ে যায়, তবে পূর্বের রোযা বাতিল হয়ে যাবে। পুনরায় নতুন রোযা পালন করতে হবে। তবে মহিলাদের বেলায় এ নিয়মের কিছুটা ব্যতিক্রম … Read more

নির্ধারিত স্থানে ওয়াকফ করতে হয় কেন?

অর্থ ঠিক রাখার জন্য কুরআন মজিদ সঠিকভাবে তিলাওয়াত করতে নির্ধারিত স্থানে ওয়াকফ করতে হয়। আল-কুরআন তিলাওয়াতে ওয়াকফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওয়াকফ ঠিক মতো আদায় না করলে অর্থের পরিবর্তন ঘটে। ফলে অনেক গুনাহ হয়। কেননা আমরা বেশি সময় নিশ্বাস ধরে রাখতে পারি না। কিছুক্ষণ পরপর আমাদের শ্বাস নিতে হয়। তিলাওয়াতের সময়ও এক নিঃশ্বাসে তিলাওয়াত করা সম্ভব নয়। … Read more

সহিহ বুখারি কাকে বলে?

কুরআন মজিদের পর সর্বাধিক বিশুদ্ধ গ্রন্থ হলো সহিহ বুখারি। সহিহ বুখারির সংকলক হলেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল বুখারি(র.)। তিনি সর্বমোট ছয় লক্ষ হাদিস থেকে যাচাই-বাছাই করে এ কিতাব সংকলন করেন। এটি ৩০ পারায় বিভক্ত। সহিহ বুখারি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হাদিস গ্রন্থ।

error: Content is protected !!