ভাইরাসকে জড় ও জীবের যোগসূত্র বলা হয় কেন?

ভাইরাসকে জড় ও জীবের যোগসূত্র বলা হয়। কারণ ভাইরাস যখন অন্য জীবদেহে প্রবেশ করে তখন এর আমিষ ও নিউক্লিক এসিড একত্রিত হয়। ফলে এরা জীবনের লক্ষণ ফিরে পায়। আবার যখন ভাইরাস জীবদেহের বাইরে থাকে, তখন এদের আমিষ আবরণ থেকে নিউক্লিক এসিড বের হয়ে যায়। ফলে এরা এদের জীবনের সকল লক্ষণ হারিয়ে ফেলে। তাই ভাইরাসকে জীব … Read more

আবরণী টিস্যু কাকে বলে?

যে টিস্যু দেহের খোলা অংশ ঢেকে রাখে এবং দেহের ভেতরের আবরণ তৈরি করে তাকে আবরণী টিস্যু বলে। আমাদের ত্বকের বাইরের আবরণ, মুখগহ্বরের ভেতরের আবরণ ও দেহের বিভিন্ন গ্রন্থিগুলো আবরণী টিস্যু দিয়ে গঠিত।

রক্ত কি?

রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত, লাল বর্ণের অস্বচ্ছ তরল যোজক কলা। রক্ত হলো এক প্রকার অস্বচ্ছ, মৃদু ক্ষারীয় এবং লবণাক্ত তরল যোজক কলা।

শৈবালকে স্বভোজী উদ্ভিদ বলা হয় কেন?

যেসব উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে তাদেরকে স্বভোজী উদ্ভিদ বলা হয়। শৈবাল ক্লোরোফিলযুক্ত হওয়ায় এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে। তাই শৈবালকে স্বভোজী উদ্ভিদ বলা হয়।

উদ্ভিদের বর্ণবৈচিত্র্য সৃষ্টিতে কোষের কোন অঙ্গাণুটি দায়ী?

উদ্ভিদের বর্ণবৈচিত্র্য সৃষ্টিতে দায়ী কোষের অঙ্গাণুটি হলো প্লাস্টিড। প্লাস্টিড উদ্ভিদকোষের অনন্য বৈশিষ্ট্য। প্লাস্টিডের প্রকারভেদের মধ্যে ক্রোমোপ্লাস্টিড সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল নামক রঞ্জকবিশিষ্ট ক্লোরোপ্লাস্ট এবং অসবুজ বর্ণবিশিষ্ট ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে। এসব রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতিতে উদ্ভিদের পাতা, ফুল, ফল ইত্যাদি বিভিন্ন রঙের হয়। রঞ্জক পদার্থগুলো ধারণ করে বলেই প্লাস্টিডকে কোষের বর্ণাধার বলে।

প্লাস্টিড কাকে বলে?

সজীব উদ্ভিদকোষের সাইটোপ্লাজমে বর্ণহীন অথবা বর্ণযুক্ত গোলাকার বা ডিম্বাকার অঙ্গাণুকে প্লাস্টিড বলে। প্লাস্টিডে বিভিন্ন রঞ্জক পদার্থ থাকায় একে ধারণকারী উদ্ভিদ বর্ণময় হয়। দুই ধরনের প্লাস্টিডের ভেতর ক্রোমোপ্লাস্টিড বর্ণযুক্ত ও লিউকোপ্লাস্টিড বর্ণহীন। একে কোষের বর্ণাধার বলে। পদার্থের প্রকৃতি এবং আকৃতির উপর ভিত্তি করে প্লাস্টিড তিন প্রকার। যথা-ক) লিউকোপ্লাস্ট,খ) ক্রোমোপ্লাস্ট এবংগ) ক্লোরোপ্লাস্ট।

error: Content is protected !!