অপ্রকৃত সিলোমযুক্ত প্রাণী কাকে বলে?

যে সকল প্রাণীর দেহ গহব্বর সাধারণত আবরণী কলার আস্তরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে, না থাকলে আংশিকভাবে আবৃত থাকে তাদেরকে অপ্রকৃত সিলোমযুক্ত প্রাণী বলে।  যেমন – Ascaris lumbricoides (গোলকৃমি), Ancylostoma duodenale (হুককৃমি) ইত্যাদি।

বংশগতি কাকে বলে?

যে প্রক্রিয়ায় পিতা-মাতার আকার, আকৃতি, চেহারা, দেহের গঠন, প্রকৃতি, শরীরবৃত্ত, আচরণ ইত্যাদি নানাবিধ বৈশিষ্ট্য বংশানুক্রমিকভাবে তাদের সন্তান-সন্ততির দেহে সঞ্চারিত হয় তাকে বংশগতি বলে। অন্যভাবে, বংশগতি হলো পিতামাতার কাছ থেকে তাদের সন্তানের মধ্যে জিনের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্য অতিক্রম করার একটি উপায়। বংশানুক্রমে প্রজাতির বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে – ‘Like father like son’ অর্থাৎ যেমন … Read more

যৌন প্রজনন কি?

যখন একই প্রজাতির দুটি বিপরীত লিঙ্গের (স্ত্রী ও পুরুষ) প্রাণী ডিম্বাণু ও শুক্রাণ তৈরির মাধ্যমে এবং নিষেক ক্রিয়া সম্পানের সাহায্যে বংশবৃদ্ধি করে তাকে যৌন জনন বলে।

অযৌন প্রজনন কি?

যে সকল প্রাণিদেহে কোনো নির্দিষ্ট জনন অঙ্গ থাকে না এবং এরা বিপরীত লিঙ্গের সাহায্য ছাড়াই বংশবৃদ্ধি করতে পারে তাকে অযৌন প্রজনন বলে।

মুকুলোদগম কি?

যে প্রক্রিয়ায় অসম বিভাজনের মাধ্যমে মাতৃদেহ হতে এক বা একাধিক মুকুল সৃষ্টি হয়, যা বৃদ্ধিপাপ্ত হয়ে পরবর্তীকালে মাতৃদেহ হতে বিচ্ছিন্ন হয় এবং স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করে তাকে মুকুলোদগম বলে। যেমন – হাইড্রা (Hydra vulgaris)।

দ্বি-বিভাজন কি?

যে প্রক্রিয়ায় একটি প্রাণী বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য প্রাণীর সৃষ্টি করে তাকে দ্বি-বিভাজন বরে।যেমন – ইউগ্লিনা (Euglena viridis), হাইড্রা (Hydra vulgaris)।

error: Content is protected !!