অরীয় প্রতিসম প্রাণী কাকে বলে?

যখন কোনো প্রাণীর দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এ রকম হয় যে, ঐ প্রাণীটিকে অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুইয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায, তখন তাকে অরীয় প্রতিসম প্রাণী বলে।  যেমন – Hydra vulgaris (হাইড্রা), Astropecten auranciacus (সমুদ্র তারা) ইত্যাদি।

দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম প্রাণী কাকে বলে?

যখন কোনো প্রাণীর দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে, ঐ প্রাণীটিকে মধ্যমাতল বরাবর ডান ও বাম সদৃশ অর্ধাংশ শুধুমাত্র একবারই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায়, তখন তাকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম প্রাণী বলে।  যেমন – Tenualosa ilisha (ইলিশ), Columba livia (কবুতর), Fasciola hepatica (যকৃত কৃমি) ইত্যাদি।

প্রতিসম প্রাণী কাকে বলে?

যে সকল প্রাণীতে কোনো না কোনো অক্ষ বা তলে প্রতিসাম্য বিদ্যমান তারাই প্রতিসম প্রাণী। প্রতিসমতার ভিত্তিতে প্রাণিজগতকে আবার চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা –  ১. দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম প্রাণী২. অরীয় প্রতিসম প্রাণী৩. সার্বিক বা গোলীয় প্রতিসম প্রাণী৪. দ্বি-অরীয় প্রতিসম প্রাণী ইত্যাদি।

দ্বি-অরীয় প্রতিসম কাকে বলে?

এ অবস্থাটি অরীয় প্রতিসাম্য থেকে কিছুটা ভিন্নতর। এক্ষেত্রে লম্বালম্বি অক্ষ-বরাবর অতিক্রান্ত কেবল দুটি ছেদন তলে দেহকে সমান দুটি অর্ধাংশে বিভক্ত করা যায়। ছেদন তল দুটি পরস্পরের সাথে সমকোণে বিন্যস্ত। ফলে প্রাণীদেহ ৪টি সমান খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। এরূপ প্রতিসাম্যকে Tetramerous Symmetry নামে অভিহিত করা যায়। যেমন – Anthozoa.

সার্বিক বা গোলীয় প্রতিসম প্রাণী কাকে বলে?

যখন কোনো প্রাণীর দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে, প্রাণীটিকে এর কেন্দ্রবিন্দু দিয়ে অতিক্রান্ত যেকোনো তলেই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন তাকে সার্বিক বা গোলীয় প্রতিসম প্রাণী বলে। যেমন – Volvox aureus (ভলভক্স)।

ট্যাক্সন এবং ট্যাক্সা কি?

যে সকল প্রাণীকে শ্রেণিবিন্যাসের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধাপ অর্থাৎ ক্যাটাগরির অন্তর্ভূক্ত করা হয় সেসব প্রাণীকে ট্যাক্সন এবং বহুবচনে ট্যাক্সা বলে।

error: Content is protected !!