নামকরণ কি?

কোনো বিশেষ প্রাণীকে চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে শ্রেণিবিন্যাসের যে সকল নিয়ম-কানুন ও পদ্ধতি অনুসারে প্রতিটি প্রজাতিভুক্ত প্রাণীদেরকে নির্দিষ্ট ও বিশেষ নাম প্রয়োগ করা হয়, তাকে নামকরণ (Nomenclature) বলে। নামকরণের সাহায্যে প্রতিটি প্রজাতির একটি করে সর্বজন স্বীকৃত নাম দেয় হয়। যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens, দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম Copsychus saularis।

বহুকোষী প্রাণী কাকে বলে?

যেসব প্রাণীর দেহ অসংখ্য কোষ দ্বারা গঠিত তাদের বহুকোষী প্রাণী বা মেটাজোয়া (Metazoa) বলে। পরিফেরা (Porifera) থেকে কর্ডাটা (Chordata) পর্ব পর্যন্ত প্রাণীদের দেহ বহুসংখ্যক কোষ দ্বারা গঠিত।  উদাহরণ: Hydra vulgaris (হাইড্রা), Copsychus saularis (দোয়েল), Homo sapiens (মানুষ) ইত্যাদি।

এককোষী বা অকোষীয় প্রাণী কাকে বলে?

যেসব প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দ্বারা গঠিত তাদের এককোষী বা অকোষীয় (Unicellular or Acellular) প্রাণী বলে।  উদাহরণ: Amoeba proteus (অ্যামিবা), Entomoeba histolytica (অ্যান্টামিবা) ইত্যাদি এককোষী প্রাণী। অনেক সময় এককোষী প্রাণীতেও একই ধরনের অনেকগুলো কোষ হালকাভাবে সংযুক্ত হয়ে উপনিবেশ গঠন করে। যেমন- Volvox aureus (ভলভক্স)।

ত্রিস্তরী প্রাণী কাকে বলে?

যে সমস্ত প্রাণীর কোষগুলো Ectoderm (বহিঃস্তর), Mesoderm (মধ্যস্তর) এবং Endoderm (অন্তঃস্তর) নামক তিনটি ভ্রূণীয় স্তর নিয়ে গঠিত তাদের ত্রিস্তরী প্রাণী বলে।  যেমন – Fasciola hepatica (যকৃত কৃমি), Tenualosa ilisha (ইলিশ), Cavia porcellus (গিনিপিগ) ইত্যাদি।

দ্বিস্তরী প্রাণী কাকে বলে?

যে সমস্ত প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো Ectoderm (বহিঃস্তর) ও Endoderm (অন্তঃস্তর) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদের দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। যেমন – Cnidaria পর্বের Hydra vulgaris (হাইড্রা)।

error: Content is protected !!