মাইক্রো বা আণুবীক্ষণিক প্রাণী কাকে বলে?
যেসব প্রাণী আকৃতিতে অত্যন্ত ক্ষুদ্র, খালি চোখে দেখা যায় না তাদের মাইক্রো বা আণুবীক্ষণিক প্রাণী বলে। যেমনঃ Plasmodium vivax (ম্যালেরিয়া জীবাণু), Amoeba proteus (অ্যামিবা)।
যেসব প্রাণী আকৃতিতে অত্যন্ত ক্ষুদ্র, খালি চোখে দেখা যায় না তাদের মাইক্রো বা আণুবীক্ষণিক প্রাণী বলে। যেমনঃ Plasmodium vivax (ম্যালেরিয়া জীবাণু), Amoeba proteus (অ্যামিবা)।
যে সকল প্রাণীর মেরুদন্ড নেই তারাই মেরুদন্ডহীন প্রাণী। যেমনঃ Musca domestica (মাছি), Metaphire posthuma (কেঁচো) ইত্যাদি।
যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর, মধ্যস্তর (Mesoderm) ও অন্তঃস্তর নামক তিনটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে ত্রিস্তরী প্রাণী বলে। যেমন- মানুষ (Homo sapiens)।
এরা সরল ধরনের প্রাাণী। এদের দেহের কোষসমূহ একটি মাত্র স্তরে সজ্জিত। যেমন- স্কাইফা (Scypha gilatinosum)।
যে সকল প্রাণীর ভ্রুণের কোষগুলো বহিঃস্তর (Ectoderm)) ও অন্তঃস্তর (Endoderm) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। যেমন- অরেলিয়া (Aurelia aurita)।
যে সকল প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে স্তরবিহীন প্রাণী বলে। যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)।
নিউরোএন্ডোক্রাইন কোষ নামক বিশেষ নিউরন দ্বারা উৎপাদিত এবং নিঃসৃত হরমোনকে নিউরোহরমোন বলে। নিউরোহরমোন হলো রাসায়নিক বার্তাবাহক অণু যা নিউরন দ্বারা নিঃসৃত হয়। রক্তে প্রবেশ করে শরীরের দূরবর্তী লক্ষ্যস্থলে ভ্রমণ করতে পারে। নিউরোহরমোনের দুটি সুপরিচিত উদাহরণ হলো অক্সিটোসিন এবং অ্যান্টি ডিউরেটিক হরমোন (যাকে ভ্যাসোপ্রেসিনও বলা হয়)।
প্রতিটি কোষ একটি সূক্ষ্ম, সজীব, স্থিতিস্থাপক ও বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লি দিয়ে আবৃত থাকে। এ ঝিল্লিটির নামই প্লাজমা মেমব্রেন। কার্ল নাগেলি সর্ব প্রথম এর নামকরণ করেন। এটি প্রধানত লিপিড ও প্রোটিনে গঠিত। এর গঠন বিন্যাস বর্ণনা করার জন্য বিজ্ঞানীগণ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তথ্য লিপিবদ্ধ করেছেন। অধিকাংশ কোষ বিজ্ঞানীর মতে, লিপিড এর অণুগুলো দুটি স্তরে বিন্যস্ত হয়ে প্লাজমা … Read more