খণ্ডায়ন কাকে বলে?

যখন কোনো দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম প্রাণিদেহ অনুদৈর্ঘ্য বরাবর সজ্জিত অনেকগুলো একই ধরনের খণ্ডক নিয়ে গঠিত হয় তখন এ অবস্থাকে খণ্ডায়ন বলে। গ্রিক শব্দ Meta = after এবং meros = part এর সমন্বয়ে Metamerism শব্দটি গঠিত। প্রতিটি দেহখন্ডক বা অংশকে Segment বা Somite বা Metamere বলে। খণ্ডায়ন মূলত দেহকাণ্ডে সীমাবদ্ধ। প্রকৃত খণ্ডায়িত প্রাণী বলতে অ্যানিলিডা পর্বভূক্ত প্রাণীদের … Read more

অঞ্চলায়ন কাকে বলে?

দেহ বড় কয়েকটি অংশে বিভাজিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে অঞ্চলায়ন বলে। Arthropoda পর্বের প্রাণীদের এরূপ বিভাজন সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়। যেমন – দেহের তিনটি অংশ মাথা, বক্ষ ও উদরের প্রত্যেকটি অঞ্চল বা Tagmata এবং একত্রে Tagma বলা হয়। প্রতিটি Tagmata ভ্রূণ বৃদ্ধিকালীন সময়ে কয়েকটি খণ্ডক নিয়ে গঠিত হয়।  কোনো পতঙ্গে দুটি Tagmata আবার কোনো কোনো পতঙ্গে তিনটি Tagmata … Read more

শ্রেণিবিন্যাসকরণের গুরুত্ব

সঠিকভাবে প্রাণিবিজ্ঞান পাঠে শ্রেণিবিন্যাসকরণের গুরুত্ব নিচে আলোচনা করা হলো – ১) প্রাণিজগতের অসংখ্য প্রাণী সম্বন্ধে অল্প সময়ে, অল্প পরিশ্রমে বিজ্ঞানসম্মতভাবে জানার সুবিধার্থে এদের শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজন। ২) শ্রেণিবিন্যাসে অভিব্যক্তির ধারা প্রতিফলিত হয়। তাই একটি পর্বের সাথে অন্যান্য পর্বের প্রাণীগুলোর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য সহজেই ধরা পড়ে। ৩) শ্রেণিবিন্যাসের মাধ্যমেই প্রাণিজগতের একটি প্র্রাণীর নির্দিষ্ট স্থান, অস্তিত্ব ও সম্পর্ক … Read more

জার্মপ্লাজম সংরক্ষণ কাকে বলে? জার্মপ্লাজম সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা

জার্মপ্লাজম সংরক্ষণ কাকে বলে? যে পদ্ধতিতে কোনো শারীরবৃত্তীয় বা অর্থনৈতিক গুণমানযুক্ত জীবের প্রোটোপ্লাজমযুক্ত উন্নত কোশকে নির্দিষ্ট সংরক্ষণাগারে সংরক্ষণ করা হয়, তাকে জার্মপ্লাজম সংরক্ষণ বলে। এই জার্মপ্লাজম থেকে একই বৈশিষ্ট্য বা ভিন্ন গুণসম্পন্ন প্রজাতি সৃষ্টি করা হয়। প্রকৃতপক্ষে উদ্ভিদ বা প্রাণীর জিনগত বৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সীড্ ব্যাংক ও জার্মপ্লাজম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। মূলত বিরল ও বিপন্ন … Read more

নিষ্ক্রিয় শোষণ কাকে বলে?

উদ্ভিদের খনিজ লবণ শোষণ ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয় বলে অনেক বিজ্ঞানী ধারণা পোষণ করেছেন। মাটির দ্রবণ এবং মূলরোমের কোষের দ্রবণের ঘনত্বের অসমতাকে কাজে লাগিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় খনিজ লবণ উদ্ভিদ কোষে প্রবেশ করে। দ্রবণ দুটির ঘনত্ব যতক্ষণ পর্যন্ত সমান না হয় ততক্ষণ এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এ শোষণ প্রক্রিয়ায় কোন বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয় না … Read more

নিউক্লিয়ার ঝিল্লি কাকে বলে?

নিউক্লিয়ার ঝিল্লি কাকে বলে? নিউক্লিয়াস সজীব দুটি ঝিল্লি দিয়ে আবৃত থাকে- বহিঃঝিল্লি ও অন্তঃঝিল্লি। ঝিল্লি দুটিকে একসাথে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন বা নিউক্লিয়ার ঝিল্লি বলে। প্রতিটি মেমব্রেন দ্বিস্তরী ফসফোলিপিড বাইলেয়ার দ্বারা গঠিত। নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এর রাসায়নিক উপাদান বিশুদ্ধ প্রোটিন। নিউক্লিয়ার ঝিল্লির কাজ নিউক্লিয়াসের রক্ষণাবেক্ষণ করাই নিউক্লিয়ার ঝিল্লির প্রধান কাজ। তা ছাড়া এটি নিউক্লিওপ্লাজম, নিউক্লিওলাস ও ক্রোমোজোমকে সাইটোপ্লাজম থেকে … Read more

মিশ্র গ্রন্থি কাকে বলে? বৈশিষ্ট্য, কাজ

মিশ্র গ্রন্থি কাকে বলে? যে সমস্ত গ্রন্থি অন্তঃক্ষরা (হরমোন ক্ষরণকারী অংশ) এবং বহিঃক্ষরা (উৎসেচক ক্ষরণকারী অংশ) উভয় গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত, তাদের মিশ্র গ্রন্থি বলে। মিশ্র গ্রন্থির বৈশিষ্ট্য ১) অনাল বা বহিঃক্ষরা গ্রন্থি এবং অনাল বা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যুক্ত হয়। ২) বহিঃক্ষরা অংশের ক্ষয় নালির মাধ্যমে ক্রিয়াস্থলে এবং অন্তঃক্ষরা অংশের ক্ষরণ রক্তের মাধ্যমে ক্রিয়াস্থলে পৌঁছায়। মিশ্র … Read more

error: Content is protected !!